Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বিশেষজ্ঞরাই দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে : অর্থমন্ত্রী

 ঢাকা, ১৮ ডিসেম্বর : বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করেই দুর্নীতি দমন কমিশন পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০১২ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুহিত বলেন, “তাদের সঙ্গে (বিশ্ব ব্যাংক) আলোচনা করেই দুদক মামলা করেছে। মামলার বিষয়টি বিশ্ব ব্যাংককে জানানোও হয়েছে। এখন তারা তাদের প্রতিক্রিয়া জানাবে।”
বর্তমান পরিস্থিতিতে পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নের ব্যাপারে আশাবাদী কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “আমি আশাবাদী।”
দুদকের মামলায় সাবেক দুই মন্ত্রীকে আসামি না করায় পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন নিয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে- গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘বিশেষজ্ঞদের’ এমন সমালোচনার জবাবে মুহিত বলেন, “এই বিশেষজ্ঞরাই দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাদের চোখে দেশের কোনো উন্নয়নই হয়নি।”
দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলার মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর কাজ শুরুর ক্ষেত্রে বাধা অপসারিত হয়েছে বলে সোমবার মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর বনানী থানায় দুদকের দায়ের করা এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয় সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকে।
তবে আলোচনায় থাকা সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীকে এতে আসামি করা হয়নি।
তাদের প্রসঙ্গে এজাহারে বলা হয়, ঘুষ লেনদেনের ষড়যন্ত্রে তাদের ভূমিকার বিষয়ে অনুসন্ধানে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারেনি দুদক। মামলার তদন্তের সময় তাদের বিষয়ে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।
এ মামলায় কাদের আসামি করা হবে তা নিয়ে মতানৈক্যের মধ্যেই চলতি মাসের শুরুতিই ঢাকা ছাড়ে দুদকের তদন্ত পর্যবেক্ষণে আসা বিশ্ব ব্যাংকের পর্যবেক্ষক প্যানেল।
কানাডীয় কোম্পানি এসএনসি লাভালিনের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠার পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে ২৯১ কোটি ডলারের পদ্মা সেতু প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্থগিত করে বিশ্ব ব্যাংক।
দুদক এরপর তদন্ত শুরু করলেও সরকার এবং ততকালীন যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন দুর্নীতির অভিযোগ নাকচ করে অনড় থাকেন। এই প্রেক্ষাপটে গত জুন মাসে ঋণচুক্তি বাতিল করে বিশ্ব ব্যাংক ।
এরপর আবুল হোসেনের পদত্যাগ, প্রকল্পের ইন্টেগ্রিটি অ্যাডভাইজর ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মসিউর রহমান এবং সেতু বিভাগের ততকালীন সচিব মোশাররফ হোসেন ভূইয়াকে ছুটিতে পাঠানোসহ সরকারের নানামুখী ততপরতায় বিশ্ব ব্যাংক সিদ্ধান্ত বদলায়।
তাদের দেয়া শর্ত অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সাবেক প্রসিকিউটর লুই গাব্রিয়েল মোরেনো ওকাম্পোর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্যানেল দুদকের তদন্ত পর্যবেক্ষণে দুই দফা ঢাকা সফর করে।
এই প্যানেলের প্রতিবেদনের ওপরই নির্ভর করছে বহু প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু নির্মাণ, যা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট