Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

এজাহারে আবুল হোসেনের নাম আছে, আসামির তালিকায় নেই

অবশেষে পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। বিকেলের মধ্যে রাজধানীর বনানী থানায় এ মামলা দায়ের করা হবে। মামলার এজাহারে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও এই প্রকল্পের পরামর্শক আবুল হাসান চৌধুরী কায়সারের নাম থাকলেও আসামী সাত জনের তালিকায় তাদের নাম নেই।
মামলার এজাহারে আসামী হিসেবে তাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি। মামলা আসামী করা হচ্ছে সাতজনকে। তারা হলেন, সেতু বিভাগের তৎকালীন সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, নির্বাহী পরিচালক কাজী ফেরদৌস, সড়ক ও জনপদ ভিাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজ আহমেদ জাবের, এসএনসি লাভালিনের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালিস, ভারতীয় বংশোদ্ভূত রমেশ সাহা, আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রাক্তন পরিচালক বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মো. ইসমাইল এবং এসএনসি লাভালিনের স্থানীয় এজেন্ট ইপসির ডিএমডি গোলাম মোস্তফা।
এজাহারে আবুল হোসেন ও আবুল হাসান চৌধুরীর নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, অপরাধ সংঘটনে সৈয়দ আবুল হোসেন ও আবুল হাসান চৌধুরী কায়সারের অপরাধ সংশ্লিষ্টতার বিষটি তদন্তকালে খতিয়ে দেখা হবে।
দীর্ঘ এক বছর অনুসন্ধান শেষে পদ্মা সেতু গ্রকল্পের পরামর্শক যাচাই প্রক্রিয়ার দুর্নীতির ষড়যন্ত্রকারীদের প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করে অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য সুপারিশ আকারে কমিশনে জমা দেন ৪ঠা ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত অনুসন্ধান টিম। ওই সুপারিশে ৯ জনের একটি তালিকাও ছিল।
ষড়যন্ত্রে কার কি ভূমিকা সে বিষয়টি তুলে ধরা হয় রিপোর্টে। ওই তালিকায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীর নাম ছিল। তারপর তাদেও দু’জনের নাম চূড়ান্ত তালিকা রাখা-না রাখা নিয়ে এক ধরনের জটিলতায় পড়ে দুর্নীতি দমন কমিশন। বিভিন্ন সূত্র জানায়, উপরের মহল আবুল হোসেনকে বাদ দিয়ে মামলা করার চাপ দেয়। অপরদিকে বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ প্যানেল অনুসন্ধানে উঠে সবাইকে নিয়ে মামলা করার পক্ষে অবস্থান নেয়।
পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু হয় ২০১১ সালের ২৯শে সেপ্টেম্বর। এক বছরেরও বেশি সময় অনুসন্ধান শেষে গত ৪ঠা ডিসেম্বরের খসড়া প্রতিবেদন জমা দেন অনুসন্ধান কর্মকর্তারা। এ খসড়ায় নিয়ে বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করে দুদক। কিন্তু মামলায় দু’জন আসামির নাম রাখা-না রাখা নিয়ে উভয়ের মধ্যে মতানৈক্য দেয়া দেয় বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। তবে প্রতিবেদনের বিষয়ে দুদক বলেছে তারা যাচাই-বাছাই কাজ করছে তাদের উভয়ের মধ্যে কোন ধরনের মতানৈক্য নেই। অপরদিকে বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে সংস্থাটির বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি ৯ই ডিসেম্বর অ্যালান গোল্ডস্টেইন একটি বিবৃতি প্রদান করেন। ওই বিবৃতিতে তারা পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরামর্শক যাচাই প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির ষড়যন্ত্রেও বিষয়ে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় দুদক বলেছিল তারা বিবৃতিকে বিশেষে গুরুত্বসহকাওে বিবেচনা করবে। আবার এমনটিও বলা হয়েছিল কে খুশি কে বেজার হয়েছে দুদুকের তা দেখার বিষয় নয়। তারা দেশের আইন অনুযায়ী অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যানুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট