Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

মির্জা ফখরুলের মুক্তি মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার দাবীতে জাতিসংঘের সামনে বিএনপি’র বিক্ষোভ

 নিউইয়র্ক, ১৬ ডিসেম্বর: আওয়ামী দু:শাসনের অবসান, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুক্তি, আমার দেশ ও মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার এবং প্রহসনের ট্রাইব্যুনাল বাতিল করার দাবীতে গতকাল ১৫ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি। বিক্ষোভকারীরা সরকার বিরোধী বিভিন্ন শ্লোগান উতকীর্ণ ব্যানার ও পোষ্টার বহন করে এবং সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করার উদ্দেশ্যে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের উপর যে নিপীড়ন চালাচ্ছে তার বিরুদ্ধে ধ্বনি দেয়।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলামের পরিচালনায় বিক্ষোভে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি গিয়াস আহমেদ এবং মূল বক্তব্য প্রদান করেন সেভ মুভমেন্ট এর সভাপতি ড. শাহ আলম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, হযরত আলী, বাবর উদ্দিন, আজাদ বাকর, সিরাজুল ইসলাম খান, যুবনেতা এম এ বাতেন, ছাত্রদল নেতা আতাউর রহমান আতা, সিটি বিএনপির সভাপতি মাহফুজুল মাওলা নান্নু, ইমরান, শাহ রন, মাহমুদা শিরিন, আবু সুফিয়ান, আবদুর রহমান, একেএম মোস্তফা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতা বাবু চিত্তরঞ্জন সিংহ।
বক্তারা বলেন, আওয়ামী বাকশালীরা ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর থেকে বিরোধী দলের উপর যেভাবে দমন পীড়ন চালাচ্ছে তা এখন চরমে পৌছেছে। মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে এবং আর পিছু হটার জায়গা নেই। এখন জনগণের রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে এবং তাদের এই ক্ষোভ আঁচ করে সরকার আরো বেসামাল হয়ে দেশে আরো অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে, যাতে সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। কারণ তারা উপলব্ধি করতে শুরু করেছে যে নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের পক্ষে আর ক্ষমতায় ফিরে আসা সম্ভব নয়। তারা আরো বলেন, সরকার মিথ্যা মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামসহ বিরোধী দলের নেতাদের কারান্তরালে আটকে রেখে মনে করছে যে এভাবেই তারা গণরোষ থেকে রেহাই পাবে। কিন্তু আন্দোলন যখন গতি লাভ করে তখন প্রতিটি কর্মীই যে নেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আন্দোলনকে সাফল্যের সোপানে নিয়ে যান, এ সত্য তারা ভুলে গেছে।
তারা আরো বলেন, আওয়ামী লীগ কথায় কথায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার মত মুখরোচক কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করে এবং ক্ষমতায় এসেই তারা এসব বিস্মৃত হয়ে গণতন্ত্র হত্যা, প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে দলীয়করণ এবং সংবাদপত্রের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা চালায়। তাদের স্বৈর আচরণের সর্বশেষ শিকারে পরিণত হয়েছে দৈনিক আমার দেশ ও পত্রিকাটির সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। তারা বলেন, এধরনের দমননীতির পরিণতি যে শুভ নয় তা আওয়ামী লীগের চেয়ে আর কেউ ভাল জানে না। কিন্তু ইতিহাস থেকে তারা শিক্ষা নেয়নি এবং দেয়ালের লিখন পাঠ করেনি। তারা অবিলম্বে নেতৃবৃন্দের মুক্তি দাবী এবং আমার দেশ ও মাহমুদুর রহমানের উপর থেকে মামলা প্রত্যাহার করার জোর দাবী জানান।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট