Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

মহান বিজয় দিবস আজ

 মহান বিজয় দিবস আজ। রক্তস্নাত বিজয়ের ৪১তম বার্ষিকী। আজ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের দিন। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রাম করে বহু প্রাণ আর এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এদিনে দামাল বাঙালি ছিনিয়ে আনে বিজয়ের লাল সূর্য। পাকিস্তানি হানাদার
বাহিনী এদেশের মুক্তিকামী মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের পর এদিন আত্মসমর্পণ করে মুক্তিকামী মানুষের কাছে। আর পাকিস্তানি বাহিনীর এই আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে দীর্ঘ দুই যুগের পাকিস্তানি শোষণ আর বঞ্চনার। নির্যাতন, নিষ্পেষণের কবল থেকে মুক্ত হয় জাতি। বিজয়ের ৪১ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবার ভিন্ন আঙ্গিকে পালন হচ্ছে মহান বিজয় দিবস। একাত্তরে পাশে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে ভূমিকা রাখায় আরও ৬০ বিদেশী বন্ধুকে সম্মাননা দিয়েছে বাংলাদেশ। সম্মাননা জানানোর চতুর্থ পর্যায়ে শনিবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে সম্মাননাপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
৪১ বছরের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার বিশ্লেষণ হচ্ছে সর্বত্র। বিজয়ের ৪১ বছর পূর্তিতে প্রবল হয়েছে স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি। আজ পরম শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় পুরো জাতি স্মরণ করবে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী লাখো শহীদদের। যাদের জীবন উৎসর্গে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে প্রত্যয় ব্যক্ত হবে সমৃদ্ধ আগামীর বাংলাদেশ গড়ার। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে পালিত হবে নানা কর্মসূচি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনভর পালন করবে বিজয় দিবসের কর্মসূচি। দিবসটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলের নেতা বেগম খালেদা জিয়া পৃথক বাণী দিয়েছেন। আজ সরকারি ছুটির দিন। দিবসটি উপলক্ষে আজ সকালে সারা দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা ওড়ানো হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পালিত হবে নানা কর্মসূচি। সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিয়ম অনুযায়ী এ উদ্বোধন প্রেসিডেন্টের করার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে এবার তিনি অনুপস্থিত থাকছেন। এছাড়া, বঙ্গভবনে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানও বাতিল করা হয়েছে। এদিকে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও সড়ক দ্বীপগুলোকে সাজানো হয়েছে জাতীয় ও রঙ-বেরঙের পতাকা দিয়ে। বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আজ জাতীয় দৈনিকগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। রেডিও-টেলিভিশনে প্রচার করা হবে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মসজিদ, মন্দির ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার  তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে সূচনা হবে বিজয় দিবসের কর্মসূচি। দিবসটি উপলক্ষে প্রত্যুষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ঢল নামবে সাধারণ মানুষের। বিজয় আবেগে উদ্বেলিত সাধারণ মানুষের ফুলে ফুলে ছেয়ে যাবে জাতীয় স্মৃতিসৌধ আর সকল শহীদ মিনার। দেশ জুড়ে উচ্চারিত হবে বঙ্গবন্ধুর সেই বজ্রকণ্ঠ। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবসের কর্মসূচি পালিত হবে। ১৯৪৭ সালে ইংরেজদের শাসন থেকে এদেশ মুক্ত হলেও ফের বাধা হিসেবে দেখা দেয় পাকিস্তানি শোষক গোষ্ঠীর অন্যায় শাসন। বাঙালি বঞ্চিত হতে থাকে তার ন্যায্য অধিকার থেকে। পূর্ব পাকিস্তানের সম্পদ লুট করে নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে গড়ে তোলা হয় সম্পদের পাহাড়। তাদের সে অত্যাচার-নির্যাতনের প্রতিবাদে ধীরে ধীরে জেগে ওঠে দামাল বাঙালি। ধাপে ধাপে আঘাত হানতে থাকে শাসনযন্ত্রে। ’৫২-র ভাষা আন্দোলন, ’৫৪-র নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, ’৫৭-র স্বায়ত্তশাসন দাবি, ’৬২ ও ’৬৯-এর গণআন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মার্চে দুরন্ত বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তির সংগ্রামে। ২৫শে মার্চ কাল রাতে পাকিস্তানি বর্বর বাহিনী শুরু করে নির্মম নিধনযজ্ঞ। এরপর আসে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা। দখলদার বাহিনীকে বিতাড়নে শুরু হয় অদম্য সংগ্রাম। ৯ মাসের সশস্ত্র যুদ্ধে জীবন দান করেন লাখ লাখ বাঙালি। অসংখ্য মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অবশেষে ১৬ই ডিসেম্বর আসে সেই কাঙিক্ষত বিজয়। সে সময়ের রেসকোর্স ময়দান বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী ও ভারতের মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি বাহিনী। অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়।
বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. জিল্লুর রহমান তার বাণীতে বলেন, বাঙালির স্বাধীনতার ইতিহাসে মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, দীর্ঘ ন’মাস সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে তা এই দিনে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে পরিপূর্ণতা পায়। পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। তিনি বলেন, এ বছর বিজয়ের একচল্লিশ বছরপূর্তি উদ্‌যাপিত হচ্ছে। স্বাধীনতার অব্যবহিত পর জাতির জনক যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনের মাধ্যমে ‘সোনার বাংলা’য় পরিণত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী চক্র জাতির জনক এবং তার পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করে। রুদ্ধ করে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথকে। ’৭৫ পরবর্তী প্রায় দেড়যুগ আমাদের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পথও মসৃণ ছিল না। ফলে আমরা কাঙিক্ষত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে পড়ি। আমাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নও হয় ব্যাহত। প্রেসিডেন্ট বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত হোক, মহান বিজয় দিবসে এ আমার প্রত্যাশা।
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ইতিহাসের কোন আকস্মিক ঘটনা নয়। জাতির পিতার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে বাঙালি জাতির দীর্ঘ চব্বিশ বছরের স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত ফসল ছিল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। তিনি বলেন, আজন্ম সংগ্রামী বাঙালি জাতি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে। জনগণের সাংবিধানিক অধিকার ফিরিয়ে আনে। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত বহু প্রতীক্ষিত নির্বাচনে জনগণ স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ব্যাপকভাবে নির্বাচিত করে। বর্তমান সরকার সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জনগণের আকাঙক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকে প্রতিহত করতে এ উদ্যোগ এক মাইলফলক। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। জেলখানায় জাতীয় চার নেতা হত্যার পুনর্বিচার কাজ শুরু হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজ শুরু হয়েছে। এসব জঘন্য অপরাধীরা বিচার বাধাগ্রস্ত করতে একাত্তরের পরাজিত শক্তি জামায়াত-শিবির ও তাদের দোসররা নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। বাংলার দেশপ্রেমিক জনগণকে এ ঘাতক চক্রের সকল ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই। বর্তমান সরকার দেশে আইনের শাসন, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং দেশবিরোধী যে কোন ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করতে বদ্ধপরিকর। আগামী দিনের বাংলাদেশ হোক জাতির পিতার কাঙিক্ষত স্বপ্নের সোনার বাংলা। যেখানে ধনী-দরিদ্র ভেদাভেদ থাকবে না। সকলের জন্য সম্ভাবনার দুয়ার থাকবে অবারিত। বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া তার বাণীতে বলেন, ১৯৭১-এ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি শত্রুমুক্ত হলেও শত্রুদের চক্রান্ত আজও বিদ্যমান। আধিপত্যবাদী শক্তি আমাদের একটি পদানত জাতিতে পরিণত করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত। ওই অপশক্তির নীলনকশা বাস্তবায়নে এদেশেরই কিছু চিহ্নিত মহল মদত যুগিয়ে চলেছে। ওদের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও গণতন্ত্রকে বিপদমুক্ত করতে স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনায় আমাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। মহান বিজয় দিবসে আমি দেশবাসী সকলের প্রতি সে আহ্বান জানাই। তিনি বলেন, মহান বিজয় দিবসে আমি প্রবাসী বাংলাদেশীসহ দেশবাসীর সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি বীর শহীদদের যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন স্বদেশভূমি পেয়েছি। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ তার বাণীতে বলেন, আমাদের জাতীয় জীবনের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ স্বতন্ত্র মহিমা ও মহত্ত্বমণ্ডিত মহোৎসবের দিন ছিল ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর। যা আমাদের শ্রেষ্ঠতম গৌরবময় বিজয়ের দিন। বাংলাদেশের ইতিহাসের উজ্জ্বলতম অধ্যায় এই মহান বিজয় দিবস। পরাধীনতার শৃঙ্খল চূর্ণবিচূর্ণ করে অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধারা ৯ মাসের সংগ্রামের পর অশ্রুমাখা ও রক্তে ভেজা এই শ্যামল বাংলাদেশের মাটিতে এক মহেন্দ্রক্ষণের জন্ম দিয়ে আমাদের কাঙিক্ষত বিজয় এনে দিয়েছে। তিনি বলেন, এই মহান দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক- বিজয়ের সেই গৌরবদীপ্ত সাহস, শক্তি ও চেতনা নিয়ে আমরা এগিয়ে যাবো সামনের দিকে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে।
আওয়ামী লীগের কর্মসূচি: দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সকাল ৬টা ৪৪ মিনিটে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও  দেশব্যাপী দলের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল পৌনে ৭টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করবেন দলীয় সভানেত্রী ও  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় দলের  কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তার সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন। পরে দলের সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন, জিয়ারত,  দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, বিকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা  থেকে বিজয় র‌্যালি করে স্ব স্ব এলাকার দলের নেতারা এবং জাতীয় সংসদ সদস্যগণ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমবেত হবেন। সেখানে স্থাপিত শিখা চিরন্তনে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের সময় বিকাল ৪টা ২০ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় অনুষ্ঠিতব্য কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক কর্নেল মুহাম্মদ ফারুক খান (অব.), শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য শেখ হারুন অর রশিদ, বিপুল ঘোষ ও আব্দুর রহমান। দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বিজয় দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করে যথাযোগ্য মর্যাদায় তা পালনের জন্য দলের সকল শাখা, সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে অন্যান্য রাজনৈতিক দলও দিবসটি উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট