Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

শিবির সন্দেহে কুপিয়েছি রড দিয়ে খুঁচিয়েছি

‘বড় ভাইদের নির্দেশে মিছিলে গিয়েছি। শিবির সন্দেহে বিশ্বজিৎকে কুপিয়েছি। রড দিয়ে খুঁচিয়েছি।’ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিরপরাধ পথচারী বিশ্বজিৎকে হত্যার কথা এভাবেই স্বীকার করেছে গ্রেপ্তারকৃত রফিকুল ইসলাম শাকিল, রাশেদুজ্জামান শাওন ও সাইফুল ইসলাম। গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে
৬টার দিকে বরগুনা জেলার বেতাগী থানার বিবিচিনি এলাকার দেশান্তরকাঠি গ্রামের কাঞ্চন মিরার বাড়ি থেকে শাকিলকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুরান ঢাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করা হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে গোয়েন্দা পুলিশ সিলেটের জাফলং এলাকার একটি রেস্টহাউজ থেকে শনাক্ত হওয়া আসামি জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন (২৪) ও রাজধানীর উত্তরা থেকে  সাইফুল ইসলাম (২৪)-কে গ্রেপ্তার করেছে। বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয়ার অভিযোগে গোয়েন্দা পুলিশ আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এরা হচ্ছে উৎপল ও রায়হান। এদের মধ্যে রাশেদুজ্জামান শাওন ও সাইফুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে ৮ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে উৎপলকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। আজ শাকিল ও রায়হানকে আদালতে হাজির করা হবে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাশেদুজ্জামান শাওন সাংবাদিক পরিচয়ে সিলেটের জাফলংয়ের হোটেল পর্যটনের একটি রুম ভাড়া নিয়েছিল। সেখান থেকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। অন্যদিকে বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি রফিকুল ইসলাম শাকিল বরগুনার বেতাগী উপজেলার নানার বাড়িতে আত্মগোপন করেছিল। সেখান থেকেই শাকিল ও তার খালাতো ভাই রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শাকিল সাদা রঙের চকচকে চাপাতি দিয়ে বিশ্বজিৎকে  উপর্যুপরি কোপাচ্ছে। বার বার মিনতি করলেও বিশ্বজিৎকে ছাড়েনি। শোনেনি তার কথা। কুপিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে বীরদর্পে হেঁটে যাওয়ার দৃশ্য গণমাধ্যমে ধরা পড়েছে। এদিকে পুত্রের এহেন বর্বরতার দৃশ্য দেখে শাকিলের পিতা আনসার আলী গতকাল হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। এ বিষয়ে গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে শাকিল জানায়, পরিকল্পিতভাবে বিশ্বজিৎকে হত্যা করিনি। বড় ভাইদের নির্দেশে মিছিলে গিয়েছি। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তাদের তাৎক্ষণিক নির্দেশনায় বিশ্বজিৎকে পিটিয়েছি। আহত বিশ্বজিৎ বাঁচার জন্য কি বলেছে সে কথাই শুনতে পাইনি। শিবির মনে করেই চাপাতি দিয়ে কুপিয়েছি। কোপানোর পরে রক্তমাখা শার্ট গায়ে দিয়েই নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছি। পরে বাসায় গিয়ে চাপাতি ও শার্ট রেখে বাইরে বেরিয়েছি। দুপুরের দিকে খবর পেয়েছি, বিশ্বজিৎ মারা গেছে। তখন থেকেই মনে ভয় ঢুকেছে। ভয়-ভীতি কাটানোর জন্য  ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকে ফোন দিয়েছি। তারা ধমক দিয়ে বলেছে, কিছুই হবে না, চুপচাপ থাক। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে পালানোর নির্দেশ পেয়ে ঢাকা ছেড়েছি। শাকিলের খালাতো ভাই রায়হান জানায়, আমি কবি নজরুল ইসলাম কলেজের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ছাত্র। বাবা মানসিক বিকলাঙ্গ। ছোট একটি বোন আছে। তাই  নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করে বাড়িতে টাকা পাঠাই। ঘটনার পরপরই শাকিল আমাকে তার কাছে ডেকে নিয়ে যায়। বলে, আমার ভয় করছে। তুই সঙ্গে থাক। তার কথামতো দু’জনে একসঙ্গে নানা বাড়িতে অবস্থানকালে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে। সূত্র জানায়, তাদের গ্রেপ্তার করার পরপরই শাকিলের দেয়া তথ্য অনুযায়ী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম পুরান ঢাকার একটি বাড়ি থেকে চাপাতি উদ্ধার করেছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, গত ৯ই ডিসেম্বর সূত্রাপুর থানা এলাকায় বিশ্বজিৎ দাস নামে এক যুবক দুষ্কৃতকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হলে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত্যু ঘোষণা করেন। এ ঘটনার তদন্তে থানা পুলিশকে সহায়তা করার জন্য  গোয়েন্দা পুলিশ সহযোগিতা করছে। গণমাধ্যমে ধারণকৃত ছবি এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িতদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। একই সঙ্গে তাদের গ্রেপ্তার করার জন্য বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করার একপর্যায়ে গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার দেশান্তরকাঠি গ্রাম থেকে রফিকুল ইসলাম শাকিল ও তার খালাতো ভাই রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে অপর অভিযানে সিলেট জেলার জাফলং থেকে রাশেদুজ্জামান শাওন, উৎপল এবং রাজধানীর উত্তরা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সূত্রাপুর থানার এস আই মাহবুবুল আলম আকন্দ বলেন, গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ১৩ আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। এদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি দেখে বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সূত্রমতে, শনাক্ত হওয়া আসামি সাইফুল ইসলামের পিতার নাম মো. আবদুল হাই। বাড়ি নরসিংদী জেলার মনোহরদী থানার চন্দনবাড়ি গ্রামে। সে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। পুলিশের গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য উত্তরা এলাকায় তার বন্ধুর বাসায় আশ্রয় নিয়েছিল। অপর শনাক্ত হওয়া আাসামি রাশেদুজ্জামান শাওনের পিতার নাম জি এম লুৎফর রহমান। তার পিতা-মাতা উভয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। বাড়ি খুলনা জেলার পাইকগাছা থানার নাসিরপুর গ্রামে। সে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।
নেতারা গোয়েন্দা নজরদারিতে: বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডে জড়িত একাধিক ছাত্রলীগ নেতার তথ্য পেয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ঘটনার পরপরই পলাতক আসামিরা ওই নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাদের নির্দেশনা মোতাবেক শনাক্ত হওয়া আসামিরা রাজধানীর বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে অবস্থান করছে। একারণে ওই ছাত্রলীগ নেতাদের গতিবিধি ও কর্মকাণ্ড গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সূত্র জানায়, জবি ছাত্রলীগ সভাপতি শরীফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের গ্রুপভিত্তিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম শাকিল, রাশেদুজ্জামান শাওন, তাহসিন কাদের ও ইউনুছ সভাপতি গ্রুপের। অন্যদিকে মাহফুজুর রহমান নাহিদ সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের।
পুত্রের কর্মকাণ্ডে পিতার মৃত্যু: এদিকে আমতলী প্রতিনিধি জানান, গতকাল সকালে ঢাকার একটি গোয়েন্দা পুলিশের টিম বরিশালের বাকেরগঞ্জ ও বরগুনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বরগুনার বেতাগী উপজেলার দেশান্তরকাঠি গ্রামের কাঞ্চন মিয়ার বাড়ি থেকে রফিকুল ইসলাম শাকিলকে গ্রেপ্তার করে। তার গ্রেপ্তারের খবর শুনে তার পিতা আনসার সিকদার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে তিনি মারা যান। শাকিলের বাড়ি পটুয়াখালী শহরের ফায়ার সার্ভিস সড়কে। তার গ্রামের বাড়ি বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রি শিবপুর গ্রামে।
বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা ডিবিতে: এদিকে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা সূত্রাপুর থানা পুলিশ থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গতকাল ঢাকার মহানগর পুলিশের কমিশনার বেনজীর আহমেদের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র এবং গোয়েন্দা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, মামলা তদন্তের ভার গোয়েন্দা পুলিশের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার বাদী সূত্রাপুর থানার এসআই জালাল উদ্দিন। তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন একই থানার এসআই মাহবুবুল আলম আকন্দ।
জাফলংয়ে রুম ভাড়া নেয় উৎপল ও শাওন
ওয়েছ খছরু ও মিনহাজ উদ্দিন, সিলেট থেকে জানান, জাফলংয়ের হোটেল পর্যটনে সাংবাদিক পরিচয়ে দিয়ে রুম ভাড়া নিয়েছিল উৎপল ও শাওন। এরপর তারা ঘুরে বেড়িয়েছে জাফলংয়ের পর্যটন স্পট পিয়াইন নদীতে। ঘুরেছে আদিবাসী পল্লীতে। বেশ ফুরফুরে মেজাজে তাদের ঘুরতে দেখেছেন স্থানীয় লোকজন। আর রাতে যখন তারা হোটেল কক্ষে অবস্থান করছিল তখনই ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে তাদের আটক করে। পুলিশের অভিযানে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন তাদের দেখতে ভিড় জমান পর্যটন হোটেলের সামনে। জাফলংয়ের মামার দোকান এলাকায় হোটেল পর্যটনের অবস্থান। পর্যটন স্পট বল্লাঘাটে যাওয়ার মূল রাস্তার পাশেই এ হোটেল। এর বিপরীত পাশে হোটেল প্যারিস। স্থানীয় লোকজন জানান, রাত সাড়ে এগারোটার দিকে হোটেল প্যারিসের সামনে এসে দাঁড়ায় একটি নোয়া মাইক্রোবাস। ওই মাইক্রোবাসে ছিল ৬ থেকে ৭ জন সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা পুলিশ। তারা গাড়ি থেকে নেমেই চলে যান হোটেল প্যরিসে। প্রায় ৫ মিনিট ব্যাপী তারা হোটেল প্যারিসের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালান। এ সময় সেখানে কাউকে না পেয়ে তারা চলে আসে হোটেলের নিচে। এরপর প্যারিস হোটেলে ঠিক বিপরীত পাশের হোটেল পর্যটনে অভিযান চালানো হয়। পুলিশ পরিচয় দিয়ে হোটেলের এক রুম এক রুম করে তল্লাশিকালে ১২নং কক্ষে পাওয়া যায় উৎপল ও শাওনকে। গোয়েন্দা পুলিশ তাদের নাম জিজ্ঞেস করলে ছন্দনাম ব্যবহার করে দু’জনই। তবে পুলিশ সুনির্দিষ্ট তথ্যর ভিত্তিতেই তাদের সনাক্ত করে এবং কক্ষের ভেতরেই কালো কাপড় দিয়ে চোখ বেঁধে দেয়। এরপর দু’জনকে নিয়ে আসে গাড়িতে। গাড়িতে বসিয়ে হোটেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার মানিক মিয়ার সঙ্গে কথা বলেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। প্রায় ৫ মিনিট অবস্থানকালে সেখানে কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিক ছুটে এলে গোয়েন্দা পুলিশ আটক দু’জনকে নিয়ে সিলেটের উদ্দেশে রওনা দেন। হোটেল পর্যটনের ম্যানেজার মানিক মিয়া অভিযানের পর মানবজমিনকে জানিয়েছেন, উৎপল ও শাওন শুক্রবার দুপুর ১২টায় তাদের হোটেলে আসে। এ সময় উৎপল নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে হোটেল কক্ষে রুম চায়। এ কারণে তাদের হোটেলের ১২নং কক্ষ বরাদ্দ দেয়া হয়। তিনি জানান, তারা বেশ স্বাভাবিক ছিল। ১২নং রুম নেয়ার পর তারা একাধিকবার নিচে নেমে গেছে। বেশ ফুরফুরে মেজাজেই দেখা গেছে তাদের। তারা রেস্টুরেন্টে গিয়ে ভাত খেয়েছে। জাফলং বল্লাঘাট পর্যটন স্পট ঘুরে বেড়িয়েছে। এদিকে, হোটেল সূত্রে জানা গেছে, উৎপল তার নিজের নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করে হোটেল কক্ষে রুম নিলেও শাওন তার ঠিকানা ভুল দেয়। এর মধ্যে উৎপল নিজেকে উৎপল দাস, পিতা চিত্তরঞ্জন দাস, থানাহাটি, রায়পুরা বলে হোটেলের রেজিস্ট্রার খাতায় নাম লেখায়। আর শাওন নিজেকে পরিচয় দেয় রাশেদ হাসান বাদল নামে। তার পিতার নাম শাহরিয়ার হাসান উল্লেখ করে ঠিকানা ব্যবহার করে ১০৪ মহসিন হল ঢাকা। এদিকে, হোটেল প্যারিসের কর্তৃপক্ষ গতকাল জানিয়েছেন, গোয়েন্দা পুলিশ তাদের হোটেলেও তল্লাশি চালিয়েছে। তবে কাউকে না পেয়ে তারা ফিরে যায়। সিলেটের পুলিশ সুপার সাখাওয়ার হোসেন অভিযানের পরপরই উৎপল ও শাওন গ্রেপ্তারের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ জাফলংয়ে অভিযান চালাতে জেলা পুলিশের সহায়তা চায়। এ কারণে জেলা পুলিশ থেকে তাদের সর্বাত্মক সহায়তা করা হয়েছে। অভিযানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন গোয়াইনঘাট থানার ওসি শফিকুর রহমান ও জৈন্তাপুর থানার ওসি আবদুল জলিল। ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ উৎপল ও শাওনকে আটকের পর রাতেই তারা ঢাকা নিয়ে গেছেন বলে জানান তিনি। পুলিশ সুপার জানান, আটককৃত দু’জনকে নিয়ে সিলেটের কোথাও ঢাকার গোয়েন্দারা অবস্থান করেননি।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট