Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

পিয়াজের কেজি ৭০ টাকা

পিয়াজের বাজার লাগামহীন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ২০ টাকা। গত সপ্তাহে যে পিয়াজ ছিল ৫০ টাকা গতকাল তা বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা কেজি। অবশ্য পাইকারি বাজারে পিয়াজের কেজি ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা। সিজন শেষ, উৎপাদন নেই- এই অজুহতে দাম বাড়ছে বলে পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। আর ব্যবসায়ীরা কম দামি ভারতীয় ছোট ছোট পিয়াজকেও দেশী ‘বিলোরি’ বলে চালিয়ে দিচ্ছেন। খুচরা দোকানিরা ভারতীয় পিয়াজের বস্তা খুলে ছোট ছোট পিয়াজ আলাদা করে তা ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন। আমদানিকৃত পিয়াজ বিক্রি করছেন ৪২ থেকে ৪৫ টাকায়। পাইকারি বাজারে আমদানিকৃত পিয়াজের দাম ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা। এদিকে প্রতিদিনই কাওরান বাজারে শীতের মওসুমি সবজি আসছে ট্রাকভর্তি হয়ে। কিন্তু দাম কমছে না। সরজমিন দেখা গেছে এক কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগেও খুচরা বাজারে ৩৩-৩৫ টাকায় বিক্রি হতো। পাইকারি বাজারে শিম প্রকারভেদে কেজি ১৬ থেকে ২২ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ী আলী। পলাশী বাজারে এক পিস ফুলকপি দোকানিরা বিক্রি করছেন ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। কাওরান বাজারের ২৭-২৮ টাকার পটল খুচরা বাজারে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৩৫ টাকার কাঁচামরিচ ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে বেগুনের প্রকার ভেদে প্রতিকেজি ১২-৩০ টাকা বিক্রি হলেও তা খুচরা বাজারে ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জিংগা ২২ টাকা, তা খুচরা বাজারে ৫০-৬০ টাকা। আজিমপুর সবজির দোকান শহীদ স্টোরে মূলা ৩০ টাকা, পাইকারি বাজারে ২০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ টাকা, ফুলকপি ৪৫-৫০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাতিরপুল সবজি ব্যবসায়ী মামুন বলেন, করলা ৬০ টাকা, বেগুন ৪৫-৫০ টাকায়, টমেটো ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০-৫০ টাকা, শসা ৪০-৫০ টাকায়, আলু ২৫ টাকা, নতুন ৩০-৩৫ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, শিম ৪০-৬০ টাকা দরে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে। নতুন গোল আলু পাইকারি বাজারে ২৪ টাকা, লেবুর হালি ২০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহে ১০০ লাল ডিমে ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৮১০ টাকা। প্রতিটির দাম গড়ে ৮ টাকা ১০ পয়সা। সাদা ১০০ ডিমে ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে গড়ে ৮ টাকা। হাঁসের ডিম ৯ টাকা ও দেশী মুরগির ডিম একই দামে বিক্রি হচ্ছে। তেজগাঁও রেল স্টেশনের পাইকারি ডিমের আড়ৎ সমতা ট্রেডার্সের ম্যানেজার শরিফ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বললেন হরতালে গাড়ি ভাঙচুরের ভয়। কিন্তু পাড়া-মহল্লায় ৩৫-৩৬ টাকা হালি বিক্রি করছে। হাঁসের ডিমের হালি ৪৮ টাকা ও দেশী মুরগির ডিম ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মাছ ব্যবসায়ী হাসেম জানান, রুই কেজি ৩০০-৪০০ টাকা, কৈ ২০০-২৩০ টাকা, শিং ৬৬০ টাকা, পাঙ্গাস ১৩০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০-১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম ১৪০ টাকা, গরুর মাংস ২৭০-২৮০ টাকা, খাসি ৪৫০ টাকা। পাইকারি শ্যামবাজারে দেশী পিয়াজ ৪৪-৪৫ টাকা, ভারতীয় পিয়াজ ৩৫-৩৬ টাকা দামে কেনা যাচ্ছে। মেসার্স রফিক ট্রেডার্সের ম্যানেজার অতুল বাবু জানান, দেশী পিয়াজের সরবরাহ নেই। আমদামিকৃত পণ্যও কম। যেখানে প্রতিদিন ২০০ ট্রাক ঢোকার কথা বাংলাদেশে সেখানে আসছে ৫০ থেকে ৬০ ট্রাক পিয়াজ। ভারতের কিছু রাজ্যে পিয়াজের উৎপাদন কম হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিদেশী রসুন ৬০-৭০ দেশী রসুন ২০-২২ টাকা, আদা ৩৪-৩৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে পাইকারি বাজারে। নিউ মার্কেটে পিয়াজ দেশী ৬৭-৭০ টাকা, আমদানিকৃত ৪৩ টাকা, আদা ৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মালিবাগ কাঁচাবাজার রেলগেটের মেসার্স সামাদ স্টোরের ম্যানেজার সাকিব বলেন, ক্যাঙ্গারু মসুর ডাল ১৪০ টাকা, দেশীটা ১৩০ টাকা, আটা ৭৪ টাকা প্যাকেট, চিনি ৪৮-৫০ টাকা, খেসারি ৮০ টাকা। এই ডাল গত এক মাস আগেও ৬০-৬৭ টাকায় বিক্রি হতো। ছোলা বুট ১১০ টাকা, সয়াবিন তৈল খোলা ১২৮-১৩০ টাকা, সুপার ৯০-৯২ টাকা, তীর ৫ লিটার ৬৬০ টাকা, রূপচাঁদা ৬৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজার স্থির বলে জানান বাবু বাজারের মেসার্স প্রত্যাশা রাইস এজেন্সির পাইকারি ব্যবসায়ী আলমগীর। তিনি জানান, মিনিকেট ৩৪-৩৮ টাকা, মোটা চাল ২৪ টাকা, নাজিরশাইল (নতুন) ৩৫-৩৮ টাকা, লতা ২৯-৩২ টাকা, বাঁশফুল ৪১ টাকা, বিআর (২৮) ২৯-৩২ টাকা, হাসকি ৩১ টাকা, স্বর্ণা ২৪-২৬ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পলাশী বাজারের চাল ব্যবসায়ী শাহিন বলেন, পাইকারি বাজার থেকে তারা প্রতিকেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেশিতে চাল বিক্রি করেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট