Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

আত্মহত্যার জন্য ১২.১২.১২ তারিখকেই বেছে নিল এক যুবক

ভারতের উত্তর প্রদেশের ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি কৃষ্ণা পাল তার মৃত্যুর জন্য ১২-১২-১২ তারিখ বেছে নিয়েছিল।

দুপুর ১২টা ১২ মিনিট ১২ সেকেন্ডে আত্মহত্যার পরিকল্পনা করেছিল সে। তার উদ্দেশ্য ছিল সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করা ও তাকে চ্যালেঞ্জ করা। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী সে ৮০ ফুট উঁচু একটি পানির ট্যাংকের ওপর থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করে।

কৃষ্ণা তার মৃত্যুর আগে ১২ পৃষ্ঠার একটি চিরকুট লিখে গিয়েছিল। সেই চিরকুটেই তার আত্মহত্যার বিস্তারিত পরিকল্পনার কথা লেখা ছিল। কৃষ্ণা নিজের জীবন নিজে অবসান ঘটিয়ে সৃষ্টিকর্তাকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়ার কথা লিখেছে।

কৃষ্ণার দাবি, তার জন্ম তারিখ ১২-১২-১৯৭২ কিন্তু তার পিতামাতা তার স্কুলের সার্টিফিকেটে জন্মতারিখ ১০-১০-১৯৭২ বলে উল্লেখ করেন। নিজের আত্মহত্যা পরিকল্পনা সফল করতে ইট-পাথর মজুত রেখেছিল সে। কেউ বাধা দিলেই তাকে হটিয়ে দিতেই এ সিদ্ধান্ত ছিল তার। ১২ পৃষ্ঠার চিরকুটের বেশ কয়েকটি ফটোকপি ও একটি দড়ি ছিল তার কাছে। সকাল ১০টার দিকে পানির ট্যাংকের ওপর উঠে যায় সে।

গলায় দড়ি বাঁধে। সেখানে উপস্থিত মানুষজন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তারা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশের উপস্থিতিতেও কৃষ্ণা তার আত্মহত্যা কার্যক্রম জারি রাখে। ফটোকপি করা বেশ কয়েকটি চিরকুট নিচে জড়ো হওয়া মানুষের দিকে ছুঁড়ে দেয়। ওই চিরকুটে সে সত্যযুগে (হিন্দু ধর্মবিশ্বাস মতে) ফিরে আসার কথা লেখে। কয়েকজন পানির ট্যাংকে উঠে তাকে বাধা দিতে গেলে সে তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুঁড়ে মারে। পুলিশকেও পাত্তা দেয়নি সে।

কিন্তু যখন কৃষ্ণা দেখলো চারদিক থেকে তাকে থামাতে সবাই উঠেপড়ে লেগেছে, সে তার পরিকল্পনা পরিবর্তন করে ১১টা ৫ মিনিটে ওপর থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে। পুলিশ তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে। কৃষ্ণার স্ত্রী, দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রয়েছে। তার মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। জানা গেছে, মানসিকভাবে কিছুটা ভারসাম্যহীন ছিল কৃষ্ণা।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট