Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ঢাকার প্রতিবাদ: বিএসএফ-এর নির্যাতন গ্রহণযোগ্য নয়

কূটনৈতিক রিপোর্টার: ভারত সরকারের তরফে বারবার প্রতিশ্রুতি দেয়ার পরও সীমান্তে গুলি এবং হত্যা-নির্যাতন বন্ধ না হওয়া এবং সমপ্রতি বিএসএফ প্রধানের উস্কানিমূলক বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাকা। সরকারের মন্ত্রী, রাজনৈতিক দল ও নেতৃত্ব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তরফে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ঢাকার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক এবং গতকাল লিখিতভাবে দিল্লিকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। নিরীহ বাংলাদেশীদের ওপর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলি এবং হত্যা-নির্যাতন কোন অজুহাতেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমনি। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ মানবজমিনকে বলেছেন, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরমের ঢাকা সফরে দেয়া প্রতিশ্রুতির পরও সীমান্তে হত্যা-নির্যাতন বন্ধ না হওয়ায় এমনিতেই ক্ষোভ আছে, তার ওপরে বিএসএফ প্রধানের বক্তব্য সীমান্তে অস্থিরতা বাড়বে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ওই বক্তব্যে প্রতিবাদ এবং তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। কূটনৈতিক চ্যানেলে দিল্লিকে ঢাকা এমন বার্তা পাঠিয়েছে বলে জানান তিনি। বিএসএফ প্রধানের বক্তব্যকে ভারত সরকারের দেয়া প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন বলে মনে করে সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা পর্যায়ের আগামী বৈঠকে এর কড়া প্রতিবাদ জানানো হবে। বিজিবি’র ডিজি মেজর জেনারেল আনোয়ার হোসেন বলেছেন, সীমান্তে কোন হত্যাকাণ্ড হবে না, কেউ গুলি ছুড়বে না- দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের এমন সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও ভারতের তরফে তার কোন তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। বরং প্রতিনিয়ত গুলি ছোড়া হচ্ছে। এটা চরম মানবাধিকারের লঙ্ঘন। গুলির কারণ প্রসঙ্গে বিএসএফ প্রধানের নয়া তত্ত্বের বিষয়ে বিজিবি’র প্রধান বলেন, কেউ অবৈধ অনুপ্রবেশ করলে তাকে আটকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দিতে আমরা অনুরোধ করেছি। কিন্তু বিএসএফ তা মানছে না। দেশী-বিদেশী মানবাধিকার সংগঠনগুলোও দীর্ঘ দিন ধরে সীমান্তে বিএসএফ’র হত্যা-নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন আ্যামিনেস্টি ইন্টারন্যশনাল এ নিয়ে বহুবার এর নিন্দা জানিয়েছে। প্রতিনিয়ত উদ্বেগ জানাচ্ছে দেশের প্রতিষ্ঠিত মানবাধিার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র। বিএসএফ প্রধানের উস্কানিমূলক বক্তব্যের বিষয়ে এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছেন, দুই দেশ যখন গুলি চালানো বন্ধের চেষ্টায় লিপ্ত, তখন এ ধরনের মন্তব্য পুরো প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিএসএফকে ‘ট্রিগার হ্যাপি ফোর্স’ বলে আখ্যা দিয়ে থাকে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট