Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

কাজেই প্রমাণ করবো আমরা নিরপেক্ষ

স্টাফ রিপোর্টার: কাজেই নিরপেক্ষতা প্রমাণ করার ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ। বলেছেন, আমরা যে কোন রকমের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করবো না। কাজের মাধ্যমেই প্রমাণ করবো আমরা নিরপেক্ষ। সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন করাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য। এই কাজে সফল হতে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করবো। অক্লান্ত পরিশ্রম করতে আমরা প্রস্তুত। সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে সিইসি হিসেবে শপথ নিয়ে গতকাল বিকাল ৫টা ৪৩ মিনিটে কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সামনে এসব ঘোষণা দেন তিনি। বলেন, সব কাজেই নতুন কমিশনের স্বচ্ছতা থাকবে। সব কাজই করা হবে খোলামেলাভাবে। আমরা কোন কাজ গোপন করবো না। এ সময় নবনিযুক্ত অপর ৩ নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হাফিজ, মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী এবং কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিকসহ কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বিকাল সাড়ে ৪টায় দেশের ১১তম সিইসি হিসেবে শপথ নেন সাবেক সচিব কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ ও অপর ৩ কমিশনার। প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। তবে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের মেয়াদ পূর্ণ না হওয়ায় নিয়োগ পাওয়া আরেক কমিশনার মো. শাহনেওয়াজের শপথ হয়নি। বিকাল সাড়ে ৪টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেয লাউঞ্জে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন প্রথমেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কাজী রকিবকে শপথ বাক্য পাঠ করান। এরপর পর্যায়ক্রমে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবু হাফিজ, সাবেক যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আব্দুল মোবারক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ জাবেদ আলীকে শপথ বাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার এ কে এম শামসুল ইসলাম। শপথ গ্রহণ শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নতুন সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, সংবিধান রক্ষার শপথ নিলাম। কাজটি কঠিন এবং গুরুদায়িত্বপূর্ণ। তবে আমরা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। শপথ গ্রহণকালে কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক, অতিরিক্ত সচিব সিরাজুল ইসলাম এবং যুগ্মসচিব এন আই খান উপস্থিত ছিলেন। এই শীর্ষ তিন কর্মকর্তা নবনিযুক্ত সিইসি ও ৩ কমিশনারকে কমিশন সচিবালয়ে নিয়ে আসেন। কমিশনের পক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুলের তোড়া দিয়ে নবনিযুক্ত সিইসি ও কমিশনারদের বরণ করে নেন। এরপর সিইসি ও অপর তিন কমিশনারই নিজ নিজ কক্ষে না গিয়ে কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে চলে যান। কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচয়পর্ব শেষ করে সাংবাদিকদের পীড়াপীড়িতে সিইসি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। শুরুতেই তিনি বলেন, আমি বক্তব্য দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। কাজ শুরুর পর আপনাদের সঙ্গে কথা বলবো। সব দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানই কমিশনের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে নতুন সিইসি বলেন, আমাদের সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চার্টারেও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা বলা আছে। আমরা এই নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাধ্যমতো চেষ্টা করবো। আমরা যে কোন রকমের পক্ষপাতদুষ্ট নই- তা কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করবো। সব কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য একটি নীতিমালা করা হবে বলেও জানান তিনি। সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন একা নির্বাচন করে না। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে অনেক কিছুই যুক্ত থাকে। তিনি বলেন, আমি স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করি। সুন্দর নির্বাচনের জন্য যেটুকু প্রয়োজন, সেটুকু করবো। প্রধান বিরোধীদল বিএনপি নতুন কমিশনকে প্রত্যাখ্যান করেছে- এ তথ্য জানিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে সিইসি বলেন, কর্মের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চাই- আমরা নিরপেক্ষ। বিদায়ী কমিশনের সব সংস্কার অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানান তিনি। সিইসি বলেন, বিগত কমিশন যেসব কাজ রেখে গেছে, সব আমাদের দেখতে হবে। সব কিছু আমরা এখনও জানি না। এদিকে, নতুন সিইসি এবং কমিশনারদের দায়িত্বভার গ্রহণ উপলক্ষে গতকাল সকাল থেকে কমিশনে ছিল উৎসবের আমেজ। কাজে-কর্মে ছিল ঢিলেঢালাভাব। কোন কমিশনারের বাড়ি কোথায়, কে কেমন- এগুলো নিয়ে আলোচনা ছিল সারা দিন। গতকাল সকালে সিইসি এবং ৩ কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করানোর জন্য প্রধান বিচারপতির বরাবর চিঠি দেয় কমিশন। বুধবার রাতে গাড়ির চালকদের সিইসি এবং কমিশনারদের বাড়ি চিনিয়ে দেয়া হয়। গতকাল বেলা তিনটায় কমিশনের গাড়ি সিইসি এবং ৩ কমিশনারকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে নিয়ে হাইকোর্টের দিকে রওনা দেয়। হাইকোর্টে কমিশনারদের স্বাগত জানাতে কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা বেলা তিনটায় কমিশন সচিবালয় ত্যাগ করেন। এদিকে নতুন কমিশনারদের অফিস কক্ষ সকাল থেকেই সাজিয়ে রাখা হয়। বিদায়ী নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইনের কক্ষ বরাদ্দ পেয়েছেন মোহাম্মদ আবু হাফিজ, সাবেক নির্বাচন কমিশনার সফিউর রহমানের কক্ষ পেয়েছেন মোহাম্মদ আবদুল মোবারক আর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলীর জন্য ক্যান্টিন ভেঙে করা হয়েছে নতুন কক্ষ। জেলা ও দায়রা জজ মো. শাহনেওয়াজ আগামী ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিকালে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে শপথ নেবেন। এ দিনই বিদায় নেবেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। বিদায়ী এই কমিশনারের কক্ষেই বসবেন নতুন কমিশনার শাহনেওয়াজ।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


5 Responses to কাজেই প্রমাণ করবো আমরা নিরপেক্ষ

  1. sikiş izle

    March 13, 2012 at 2:59 am

    Good a single blog site manager success website post great sharings on this webpage often have fun

  2. alışveriş rehberi

    March 14, 2012 at 3:58 am

    oh my god terrific article admin will check out your blog always

  3. escort ilanlari

    March 14, 2012 at 4:48 am

    I wanted for this blog publish admin genuinely thanks i’ll seem your subsequent sharings i bookmarked your blog

  4. su arıtma cihazı

    March 14, 2012 at 11:04 am

    Wonderful post admin! i bookmarked your word wide web blog. i will seem ahead in the event you could have an e-mail list adding.

  5. smackdown oyunları

    March 14, 2012 at 2:31 pm

    you’re really range a single admin your blogging is wonderful i constantly examine your blog site i’m guaranteed you is going to be the best