Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

নিজামুল হকের পদত্যাগে যুদ্ধাপরাধের বিচারের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না : ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

 বিচারপতি নিজামুল হক পদত্যাগ করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মন্তব্য করে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, তার পদত্যাগে যুদ্ধাপরাধ মামলার বিচারে কোনো প্রভাব পড়বে না। মঙ্গলবার বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। আমার দেশ-এ বিচারপতি নিজামুল হকের কথোপকথন প্রকাশের পর তিনি পদত্যাগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এই সাক্ষাতকারটি নেয়া হয়। পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাতকারটি প্রকাশ করা হলো।
বিবিসি : বিচারপতি নিজামুল হক কি পদত্যাগ করেছেন?
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ : ট্রাইব্যুনাল নাম্বার ওয়ানে যিনি বিচারপতি ছিলেন, বিচারপতি নিজামুল হক সাহেব, তিনি পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা, গ্রহণযোগ্যতা ও সুবিচার নিশ্চিত করার জন্যই আমার মনে হয় তিনি পদত্যাগ করেছেন। উনার পদত্যাগ গ্রহণ করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, এতে করে এই বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়ার সুযোগ থাকল না।
বিবিসি : তাহলে সংবাদ মাধ্যমে তাকে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সে কারণেই কি তিনি সরে গেলেন?
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ : না। যেহেতু একটা প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে, স্বচ্ছতার জন্য এটা যদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায়। ট্রাইব্যুনালের সামনে যে সমস্ত তথ্য-উপাত্ত আসছে, সাক্ষী-সাবুদ আসছে, সে সমস্ত বিষয়ে তিনি কিছু প্রকাশ করেননি। উনি বোধ হয়, বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে জ্ঞান আহরণের জন্য, বিশেষ করে এই ধরনের ট্রাইব্যুনালে কী ধরনের বিচার হয়, সেটার জন্য যোগাযোগ করেছিলেন। তা সত্ত্বেও স্বচ্ছতার খাতিরে এবং নিরপেক্ষতার খাতিরে আমার মনে হয় উনি সিদ্ধান্তটা সঠিক নিয়েছেন।
বিবিসি : তিনি কি তার পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি নিরপেক্ষতার স্বার্থে সরে যাচ্ছেন?
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ : না, উনি বলেছেন যে, উনার ব্যক্তিগত কারণে ইস্তফা দিয়েছেন।
বিবিসি : একটি মামলায় তো রায় হওয়ার পর্যায়ে চলে আসছিল, বিচারের ওপর কোনো প্রভাব পড়তে পারে কিনা?
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ : না, এতে কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ আইনটাতে আছে যে, যে কোনো অবস্থা থেকে দুজন বিচারপতিও বিচারকাজ পরিচালনা করতে পারেন-যদি কেউ মরে যায় অথবা পদত্যাগ করেন। নতুন কেউ যোগদান করলেও সে যে অবস্থা থেকে শুরু করেন, সেখান থেকে শুরু হয় আর কি। কাজেই এখানে কোনো রকম অসুবিধা হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ নতুন যিনি বিচারপতি হবেন, তিনি যেসব সাক্ষী রেকর্ড হয়েছে, সেসব দেখে আমার মনে হয় রায় দিতে পারবেন।
বিবিসি : এর ফলে (পদত্যাগের) বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযুক্তদের প্রশ্ন তোলার সুযোগ সৃষ্টি হলো কি না?
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ : না। কারণ, আমার মনে হয়, আমি আবারও বলতে চাই, বিচারের বিষয়বস্তু, তথ্য-উপাত্ত এমন কিছু পাচার হয়নি। উনি নিজেই বলেছেন যেহেতু এটা নতুন ধরনের বিচার, সেহেতু একজন বিশেষজ্ঞ থেকে পদ্ধতিগত কিছু জানার জন্য উনি যোগাযোগ করেছিলেন। কোথাও বলেন নাই, ওমুকের বিরুদ্ধে এই তথ্য আসছে, এই প্রমাণ আসছে। এটা কোনোভাবে বিচারকে প্রভাবান্বিত করার জন্য নয়। বিচারকে সুষ্ঠু করা, গ্রহণযোগ্য করা, নিরপেক্ষ করার জন্য আমার মনে হয় উনি সাহায্য নিয়েছেন।
বিবিসি : উনি তো হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন, এখন ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে যাওয়ার পর সেই জায়গাটাতে কী দাঁড়াবে?
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ : উনি হাইকোর্টের বিচারপতি থেকে চেয়ারম্যান হয়ে আসছিলেন। এখন উনি আবার হাইকোর্টে ফিরে যাবেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট