Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

পদ্মাসেতুর ভাগ্য দুদকের মামলার উপর র্নিভর করছে : ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

পদ্মাসেতু নিয়ে বিশ্বাব্যাংক-দুদক দন্দ্ব এখনো শেষ হয়নি। দুদক আগামী কয়েক দিনের মধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা না করলে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে পদ্মা সেতুর অর্থায়নের চুক্তির প্রক্রিয়া বোধ হয় এখানেই শেষ হয়ে যাবে। বিশ্বব্যাংকের তদন্ত দলও আর ফিরবে না। বললেন, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ।
চ্যানেল আইয়ের সংবাদপত্র ভিত্তিক টক শো ‘আজকের সংবাদপত্র’-এ অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। সঞ্চালনায় ছিলেন, দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংককে সঙ্গে নিয়ে এগুতে হলে তাদের তৃতীয়
প্রতিবেদনটিতে যাদের সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্য দুর্নীতির প্রমাণের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোতে আইনি
ব্যবস্থা নিতে হবে। দুদকের অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদনেও তাদের নামই এসেছে। কিন্তু কমিশন
নিজেদের প্রতিবেদনই এখন নিজেরা গ্রহণ করছে না।
এছাড়া বিশ্বব্যাংকের এমন কঠিন অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল
মুহিত। এপ্রেক্ষিতে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এটা আমার কাছে, অর্থমন্ত্রীর ক্ষোভ-হতাশার
বহি:প্রকাশ বলে মনে হয়েছে। অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা অনেক চেষ্টা করে
কাজটি গুছিয়ে এনেছিলেন। তারা বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চুক্তিটি পুনঃস্থাপনের পক্ষে
ছিলেন। সার্বিক অর্থনৈতিক বিবেচনায় এটি সঠিক মনে হয়েছে। বিশ্বব্যাংকও নমনীয় হয়েছিল। কিন্তু
সরকারের মধ্যে দুটি গোষ্ঠী বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার বিপক্ষে। একদল বিশ্বব্যাংক চুক্তি বাতিলের
পর থেকেই নিজেদের অর্থায়নে সেতু বানানোর কথা বলে আসছে। অপর দলটি মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন
উতস থেকে বাণিজ্যিক ঋণ নিয়ে সেতু বানানোর পক্ষে। তাদের শক্তির সঙ্গে অর্থমন্ত্রী ও উপদেষ্টা
মহোদয় বোধ হয় পেরে উঠলেন না।
বিশ্বব্যাংকের তৃতীয় তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক বলেছে, অভিযুক্তদের ব্যাপারে
আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে সেটা অনুসন্ধানের পর্যায় থেকে তদন্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। বিশ্বব্যাংকের
আবাসিক প্রতিনিধি অবশ্য ডিপ ইনভেস্টিগেশনের কথা বলেছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে যদি
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যেসব তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে তার ভিত্তিতে সন্তোষজনক ও পূর্ণাঙ্গভাবে
মামলা করে, তাহলে হয়তো আরেকটা পর্যায়ে যাবে। আর যদি দুদক মামলা না করে তাহলে
বিশ্বব্যাংকের তদন্তদলও ফিরে আসবে না, যদি তদন্ত দলের কাছ থেকে সবুজ সংকেত না পাওয়া
যায়, বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের ব্যাপারে যে কাজগুলো করার কথা তা করবে না।’
চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন দিকে যাচ্ছে ? সঞ্চালকের এমন প্রশ্নে ড.
দেবপ্রিয় বলেন, নতুন ধরনের শ্রম ও শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে যতটুকু আশাবাদ দেখা যাচ্ছে
ঘরের সমস্যাগুলো অনেক বেশি এগুলোকে আটকে দিচ্ছে। সহিংসতা চলছে। নির্বাচনমুখী রাজনীতির
ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দেখা যাচ্ছে। আগামী ছয় মাস আমাদের অর্থনীতিকে কীভাবে রক্ষা করব সেই
চিন্তাই দিন দিন বাড়ছে।

গ্রন্থণা:এম.এইচ রনি

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট