Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বিশ্বজিতের মৃত্যুর দায় সরকার এড়াতে পারবে না : ড. আসিফ নজরুল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে সরকারি দলের লোকেরা একটা সাধারণ মানুষ কুপিয়ে মেরে ফেললো ?এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এ মৃত্যুর দায় সরকার এড়াতে পারবে না। এ ঘটনা ২০০৮ সালের আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠা মিছিল থেকে সাপের মত মানুষ পিটিয়ে মারার স্মৃতিকে আবার মনে করিয়ে দিয়েছে।

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই’র সংবাদ পর্যালোচনাভিত্তিক টকশো ‘আজকের সংবাদপত্র’-এ
তিনি এসব কথা বলেন। সঞ্চালনায় ছিলেন মতিউর রহমান চৌধুরী।
বিএনপির ডাকা অবরোধে, ছাত্রলীগের হাতে প্রাণ হারানো বিশ্বজিত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের
গুলিতে সে মারা যায়নি। আওয়ামী লীগের ছাত্র সঙ্ঘঠন ছাত্রলীগের কর্মীদের হাতে নৃশংসভাবে সে খুন
হয়েছ¡। খুনীদের নামও বিভিন্ন পত্রিকায় উঠে এসেছে। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি ছাত্রলীগ ও
যুবলীগকে অবরোধ ও আন্দোলন প্রতিহত করতে বলেছেন। সে জন্যই ছাত্রলীগ এতটা নৃশংস হয়েছে।
সরকারি দলের একজন মন্ত্রী কীভাবে তাদের রাজনৈতিক অঙ্গ সংগঠনকে হরতাল প্রতিরোধে উসকানি
দেন?
অবরোধ কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি অবরোধের নামে অগ্নিসংযোগ আর গাড়ি ভাংচুরে
মেতে উঠেছে, অবরোধের নামে এত তীব্র আন্দোলনে যাওয়া বিএনপির উচিত হয়নি। এতে দায়িত্বহীনতার
পরিচয় দিয়েছে দলটি।
ড. আসিফ নজরুল শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দেশ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক
সরকার বা আগামী নির্বাচন ইস্যুতে মোটামুটি গ্রহণযোগ্য একটি আলোচনা শুরু না হলে রাজনৈতিক
পরিস্থিতি খুবই খারাপের দিকে যাবে। জনগণকে জিম্মি করে দুই দল রাস্তায় শক্তি প্রদর্শনের মহড়া
করবে। এতে অত্যন্ত অনাকাক্ষিত কিছু ঘটে যেতে পারে। তিনি বলেন, বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের জন্য আন্দোলন করছে। তাই যদি হয়, সরকার তো এ আন্দোলন বন্ধ করে দিতে পারে।
তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃস্থাপনের জন্য বিএনপিকে আলোচনায় ডাকুক। তাহলে তো বিএনপির
আর কোনো রকম কর্মসূচি দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এ ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক তো শুধু বিএনপির
একার দাবি নয়। এটি আওয়ামী লীগেরও দাবি ছিল।
এদিকে স্কাইপিতে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতির সংলাপকে বিচারকের আচরণবিধি
লঙ্ঘন বলে মনে করেন তিনি। তার পদত্যাগ করা উচিত মনে  করে তিনি বলেন, বিচারাধীন বিষয়
নিয়ে একজন বিচারপতি অন্য কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কিছু শেয়ার করতে পারেন না। কিন্তু তিনি
বিচারাধীন বিষয় নিয়ে তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে যেসব কথা বলেছেন তাতে বিভিন্ন দিক থেকে বিচারকাজ
প্রভাবিত করার ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিচার প্রক্রিয়াটি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক মহলেও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে এটি।

গ্রন্থণা:এম.এইচ রনি

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট