Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বিশ্বজিৎ হত্যা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন গ্রেপ্তার ৮, পুলিশ বলছে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি

১১ ডিসেম্বর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর দাবি করেছেন, বিশ্বজিৎ দাস হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে পুলিশের দাবি, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ডিজিটাল বাংলাদেশ ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও দাবি করেন, এই হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ও চিহ্নিত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেননি মন্ত্রী।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম শাখা) মাসুদুর রহমান বলেন, বিশ্বজিৎ দাস হত্যার ঘটনায় ছয়জনকে শনাক্ত করেছে ডিএমপি। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। শনাক্ত করা ব্যক্তিদের ব্যাপারে আর কিছু জানাতে রাজি হননি তিনি।
মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, বিশ্বজিত্ হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বাইরে বাকিদেরও গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। মন্ত্রী দাবি করেন, বিশ্বজিৎ হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের কেউই ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত নন। যাঁরা আছেন, তাঁরা ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত। বিশ্বজিৎ ছাত্রলীগের তথাকথিত কর্মী বলেও তাঁর দাবি।
গত রোববার ১৮ দলীয় জোটের ডাকা অবরোধের সময় সকাল নয়টার ঠিক আগে ঢাকা জজকোর্ট এলাকা থেকে বিএনপি-জামায়াত-সমর্থিত আইনজীবীরা একটি মিছিল বের করলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ধাওয়া করেন। এর কয়েক মিনিট পর ভিক্টোরিয়া পার্কসংলগ্ন একটি তেলের পাম্পের কাছে দুটি ও শাঁখারীবাজারের দিকে একটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। একই সময় ঋষিকেশ দাস লেনের বাসা থেকে বিশ্বজিৎ দাস শাঁখারীবাজারে নিজের দরজির দোকানে যাচ্ছিলেন। ককটেল বিস্ফোরণের সময় আরও অনেকের সঙ্গে তিনি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পেট্রলপাম্প-সংলগ্ন একটি ভবনের দোতলায় ইনটেনসিভ ডেন্টাল কেয়ার নামের বেসরকারি ক্লিনিকে আশ্রয় নেন। পিছু পিছু ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীও যান সেখানে। ওপরে উঠেই বিশ্বজিৎকে চাপাতি দিয়ে কোপাতে থাকেন ছাত্রলীগকর্মী শাকিল। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ওবাইদুল কাদের। প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে নিচে চলে এলে সেখানে বিশ্বজিৎকে ছাত্রলীগের কর্মী নূরে আলম, মাহফুজুর রহমান, ইমদাদুল হকসহ ১০-১২ জন রড-লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান।
পথচারীদের কেউ কেউ বিশ্বজিৎকে পাশের ন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে এতেও বাধা দেন ছাত্রলীগের কর্মীরা। এরপর প্রাণ বাঁচাতে আবার দৌড়ে বিশ্বজিৎ শাঁখারীবাজারের একটি গলিতে গিয়েই ঢলে পড়ে যান। পরে বিশ্বজিৎকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণ পর মারা যান বিশ্বজিৎ।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট