Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

আবুল হোসেনকে বাদ দিয়েই মামলার সিদ্ধান্ত নিল দুদক

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে একটি অসার, অর্থহীন মামলা করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ৪ জন ও কানাডার ৩ জনসহ মোট ৭ জনকে আসামি করে
শিগগির এ মামলা করা হবে। গতকাল সোমবার কমিশনের নিয়মিত সভায় এ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামীকাল বুধবার অথবা পরের দিন বৃহস্পতিবার এ মামলা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
কবে মামলা করা হবে_ এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মামলা সংক্রান্ত আরজির কপি তৈরির জন্য কমিশন থেকে তদন্ত কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে।
ওই মামলার সম্ভাব্য আসামিরা হলেন_ সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররাফ হোসেন ভূইয়া, সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রিয়াজ আহমেদ জাবের, সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী ফেরদৌস, কানাডিয়ান কোম্পানি এসএনসি-লাভালিনের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস, এ কোম্পানির আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ, একই বিভাগের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল ও এসএনসি-লাভালিনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড প্ল্যানিং কনসালট্যান্ট লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মোহাম্মদ মোস্তফা।
পদ্মা সেতু প্রকল্পে কানাডিয়ান কোম্পানি এসএনসি-লাভালিনকে পরামর্শক হিসেবে কাজ পাইয়ে দিতে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র হয়েছিল বলে তথ্য পেয়েছে দুদক। সেসব তথ্যের আলোকে ওই মামলা করা হচ্ছে। দুদকের দাবি, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি; কিন্তু বিশ্বব্যাংক প্যানেল মনে করে, মামলা করার জন্য প্রমাণাদি আছে।
বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১২০ (বি-১) ও ১২০ (বি-২) ধারায় অন্যায়ভাবে নিজে লাভবান হওয়ার অভিযোগে ওই ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। বিশ্বব্যাংক শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে দুদক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরিপূর্ণ ও সুষ্ঠু তদন্ত করলেই প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়ন করা হবে।
দুদক জানায়, মামলার পর অভিযোগ তদন্ত করা হবে। কানাডায় তদন্ত টিম পাঠিয়ে এসএনসি-লাভালিন কর্মকর্তা রমেশের ডায়েরিতে লেখা ঘুষের তালিকা, কানাডা পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট এবং রমেশ ও ইসমাইলের জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। কানাডা থেকে সংগ্রহ করা নথিপত্রে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রে আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে তথ্য- প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে আসামি করা হবে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট