Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

নিরাপত্তা বলয়ে রাজধানী, থাকবে মোবাইল কোর্ট

অবরোধে রাজধানীর রাজপথে থাকবে র‌্যাব ও পুলিশের ২২,৫০০ সদস্য। এর মধ্যে পুলিশ থাকবে ২০ হাজার। র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর থাকবে প্রায় আড়াই হাজার সদস্য। মাঠে থাকবে মোবাইল কোর্ট। এছাড়া, সারা দেশেই নামানো হচ্ছে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব সদস্য। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশের পাশাপাশি মাঠে নামানো হচ্ছে অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদি। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে থাকবে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নামানো হচ্ছে ৪টি এপিসি। পুলিশের সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি থাকছে কামান্ট ভেহিকেল এবং জলকামান। আইন-শৃঙ্খলা অবনতির মতো কোন পরিস্থিতি তৈরি হলে কামান্ট ভেহিকেলের মধ্যে বসেই পুলিশ সদস্যরা জলকামান ছুড়বে।
র‌্যাবের মিডিয়া অ্যান্ড লিগ্যাল উইং-এর পরিচালক কমান্ডার এম সোহায়েল জানান, অবরোধ কর্মসূচিতে আমরা সারা দেশে পুলিশের সহায়ক হিসেবে কাজ করবো। রাজধানীতে আমাদের ৫টি ইউনিট কাজ করবে। সারা দেশেই থাকবে র‌্যাবের পর্যাপ্ত টহল। ডিএমপি কমিশনারের মুখপাত্র মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, অবরোধ কর্মসূচিতে আমাদের প্রধান লক্ষ্য থাকবে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সাবার উপরে স্থান পাবে সাধারণ মানুষের জানমাল। যারা অবরোধ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটে এমন কোন কর্মকাণ্ড চালালে তা শক্ত হাতে দমন করা হবে। আশা করছি, তারা এমন কিছু করবেন না যাতে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মনিরুল ইসলাম বলেন, অবরোধ কর্মসূচি ডাকার অধিকার যেমন রাজনৈতিক দলগুলোর রয়েছে তেমনি জনগণের অধিকার আছে ওই কর্মসূচি মানা বা না মানার। যদি কেউ এ কর্মসূচি মানতে না চায় পুলিশ তাদের সহযোগিতা করবে। সাধারণ জীবনযাত্রায় কেউ বাধার সৃষ্টি করলে তাকে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেবো না। অপরদিকে অবরোধকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টাও থাকবে পুলিশের। তিনি জানান, অবরোধ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছি। পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। ছক অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করা হবে। পুলিশের যত ধরনের নিরাপত্তা সামগ্রী রয়েছে সবগুলোকেই কাজে লাগানো হবে। তিনি জানান, একটি রাজনৈতিক দল গত ৫ই নভেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে পুলিশের ওপর আক্রমণ করছে। হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। নাশকতার চেষ্টা চালাচ্ছে। ওই দলটিও যেহেতু ১৮ দলীয় জোটের সঙ্গে রয়েছে সেহেতু আমরা বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসন ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তায় মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত হবে মোবাইল কোর্ট। কেউ ফৌজদারি অপরাধের সঙ্গে জড়িত হলে ঘটনাস্থলেই তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। কারাদণ্ড দেয়া হবে। তিনি জানান, পূর্ব অভিজ্ঞতায় আমরা দেখিছি- হরতাল, অবরোধ কর্মসূচিতে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজরা তৃতীয় পক্ষ হিসেবে মাঠে নামে। এ কারণে ইতিমধ্যে বেশ কিছু চাঁদাবাজ ও পেশাদার সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, নাশকতার সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনও আমাদের কাছে নেই। তবে আশঙ্কা রয়েছে। এ আশঙ্কা থেকেই মহানগরীর নানা স্থানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার রয়েছে সজাগ দৃষ্টি।
ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের সহকারী কমিশনার গাজী রবিউল ইসলাম বলেন, গত হরতালে মহানগরীতে ২০০০ অতিরিক্ত পুলিশ মাঠে ছিল। অবরোধ কর্মসূচিতে নিঃসন্দেহে আরও বেশি অতিরিক্ত পুলিশ থাকবে। তিনি জানান, সাধারণ যানবাহন ও অস্ত্রশস্ত্রের পাশাপাশি থাকবে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও যানবাহন। তিনি জানান, গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ, নয়া পল্টন ও বায়তুল মোকাররম সহ বেশ কিছু এলাকা থাকবে পুলিশের কড়া নজরদারির মধ্যে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট