Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সুরা নারী মাদকের কথা কবুল করলেন ইমন

কবুল করলেন সংগীত পরিচালক শওকত আলী ইমন। বললেন, সুরা নারী মাদক সব কিছুতেই আসক্ত সে। মদ্যপান, ইয়াবা সেবন ও মাদক রাখার দায়ও স্বীকার করেছে রিমান্ডে।  গতকাল রমনা থানায় তার একদিনের রিমান্ড শেষ হয়েছে। আজ আদালতে হাজির করা হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শফিউল আযম পিপিএম। প্রতারণা ও ধর্ষণের অভিযোগে রমনা থানায় ইমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তার প্রেমিকা জিনাত কবীর। জিনাত কবীরের অভিযোগে রমনা থানা পুলিশ স্কাটনের তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের সময় ইমনের বাসা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে মদের বোতল ও  ইয়াবাসহ যৌন কর্মে ব্যবহৃত কিছু সরঞ্জাম। রমনা থানা পুলিশ ধর্ষণ ও মাদকের অভিযোগ এনে দু’টি মামলায় আদালতে প্রেরণ করে ইমনকে। ধর্ষণ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার এসআই শরিফুল ইসলাম জানান, তার মামলায় ইমনের কোন রিমান্ড চাওয়া হয়নি। মাদক মামলায় একদিনের রিমান্ড চাওয়া হলে আদালত তা মঞ্জুর করে। মাদক মামলার একদিনের রিমান্ডে গতকাল সকালে রমনা থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ইমনকে। জিজ্ঞাসাবাদ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে রিমান্ডে ইমন নিয়মিত মদ্যপান, ইয়াবা ট্যাবলেট ও যাবতীয় নেশা সেবনের কথা স্বীকার করেছেন। কবুল করেছেন ওই সকল নেশা জাতীয় দ্রব্য নিজের কাছে রাখার কথা, বিভিন্ন নারীর সঙ্গে তার সম্পর্কের কথাও বলেছেন। তবে তার বাসা থেকে উদ্ধার করা পিস্তলের কথা বলেছেন এটি খেলনা পিস্তল, তিনি আমেরিকা থেকে ১০ ডলারে এটি কিনেছিলেন। কোথা থেকে কিভাবে ইয়াবা ট্যাবলেট যোগাড় করতেন? কার কাছ থেকে কিনতেন? সে বিষয়ে বলেছেন এক যুবক তাকে নিয়মিত ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে যায় তিনি ওই যুবকে চিনেন না, তার ঠিকানাও জানেন না। প্রেমিকা জিনাত কবীর অভিযোগ দায়ের করার পর বিয়ের আয়োজন হলে সবকিছুই ঢিলেঢালা হয়ে যায়, থানার পরিবেশ ও বদলে যায়, থানাতেই বিয়ে পড়ানো হয়। জিনাত ইমনের দীর্ঘ বিবাহিত জীবন কামনা করে মোনাজাত করেন থানার পুলিশ সদস্যরাও। কিন্ত আইনের গ্যাঁড়াকলে পড়ে যান ইমন, জিনাত সঙ্গে পুলিশও। যে ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে ওই ধারার মামলা মীমাংসার এখতিয়ার থানার নেই। গতকাল একটি মীমাংসাপত্র নিয়ে রমনা থানায় এসেছিলেন জিনাত কবীরের খালা পরিচয়ে একজন ও শওকত আলী ইমনের ভাই। এখতিয়ারে নেই বলে থানা তাদের মীমাংসাপত্র রাখতে পারেননি। পরে মীমাংসা পত্র নিয়ে তারা আদালতের শরণাপন্ন হন। রমনা থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিয়ে করে ইমন দ্রুত জিনাতের ঝামেলা মেটাতে পারলেও আইনি ঝামেলা থেকে সহসা মুক্তি পাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট