Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বাংলাদেশ এর ৭৫ রান এর হার

ঢাকা: ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেয়া ২১২ রানের সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ছয় ওভার শেষ না হতেই তারা হারিয়েছে ৫ উইকেট। ৩৫ ওভার ১ বল এ গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
ধারনা করা হয়েছিল সিরিজ জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। কারণ আগের ম্যাচে চার উইকেটে জয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিকে আজ মুশফিকরা ২১১ রানে বেঁধে ফেলে। ২১২ রানের টার্গেট মুশফিকদের জন্য খুব বড় কিছু হবে বলে মনে হবার কারণ ছিল না। আগের ম্যাচে আগে ব্যাট করে মুশফিকরা তো যাই হোক ২২৭ রান করেছিল। আজ তো আগে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এগুতেই পারেনি। শীতের কুয়াশায় ভেজা উইকেটে মুশফিকরা জয়টা পেলেই ১৪তম ওডিআই সিরিজে জেতা হবে বাংলাদেশের। যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বড় কোনো শক্তির বিপক্ষে দ্বিতীয় আর সিরিজে জয়। যদিও ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংস এখন শুরু হবে। তবে ২১২ রানের টার্গেটে স্বপ্ন দেখাতো অন্যান কিছু নয়! আর স্বপ্নটা তৈরি করেছে সানীর ২, রাজ্জাক ২, মাহমুদুল্লাহ ৩, সোহাগ ১টি আর মাশরাফি ১টি উইকেট দখন করেন। ৯ উইকেটে ৮টিই স্পিনারদের দখলে।
ইলিয়াস সানীকে দলে নেবার পরই বোঝা গিয়েছিল আজ পুরোপুরি ব্যালান্সড দল নিয়ে মাঠে নামছে না মুশফিকরা। ৭ জন স্পিনার নিয়ে আজ দল সাজিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। আর এই ৭ স্পিনারের বিপক্ষে রীতিমতো যুদ্ধ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যানরা। সিরিজে প্রথমবা টস জিতে অতিথিদের ব্যাট করতে পাঠায়। আর বোলিং শুরু করতে এসে একমাত্র পেসার মাশরাফি তো আতংক ছড়িয়ে দেন প্রতিপক্ষ শিবিরে। যদি বেশ দেরিতেই মাশরাফি উইকেট পেলেন। আর তার উইকেট শিকার দিয়ে বাংলাদেশের মিশন শুরু হয়। তবে মিস না হলে হয়তো ৭৯ স্কোরের র পাশে আরো এক বা দুইটা উইকেট শোভা পেত।
ওপেনার গেইলকে বেশ নেন মাশরাফি। যখনই গেইল আর পাওউয়েল জুটি বিপদের কারণ হয়ে উঠছেন, তখনই মাশরাফি গেইলকে তার সংগ্রহ ১৬ রানে সোহাগের হাতে ক্যাচে পরিণত করেন। দ্বিতীয় জুটিতে পাওউয়েল আর স্যামুয়েলস তো এক রকম সেট হয়ে যান। ৫ রানে স্যামুয়েলস মাশরাফির বলে সি­পে নাইমের হাতে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান। আর ১৫ রানে দেন ফিরতি ক্যাচ দিলেন স্পিনার সানীর হাতেই। এবারও মিস। কিন্তু স্যামুয়েলস ২৭ রানে সেই সানীর বলেই ক্যাচ দিলেন এনামুলের হাতে। ২ উইকেটে স্কোর ৭১ রান। স্যামুয়েলস ফেরত গেলেও পাউওয়েল ছিলেন। আর সঙ্গী স্মিথ। তাকে বোল্ড করলেন রাজ্জাক। ৩ উইকেট পতনের পর চাপে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের শ্বাস চেপে ধরেন সানী পাওউয়েলকে ২৬ রানে এলবির ফাঁদে ফেলে। ৪ উইকেটে স্কোর ৭৫ আর ওভার ১৯.৩! ২০ ওভারে শক্তিশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজের শত রানও পূরণ হয়নি।
এই ধাক্কা সামাল দেবার আগেই আবারও আঘাত। ৫ম উইকেটটিও শিকার করলেন মাহমুদুল্লাহ। পোলার্ডকে ২ রানে সানী ফেরত পাঠালেন ২ রানে। আর তখন দলের স্কোর ৭৯ রানে ৫ উইকেট। ২৩.৩ ওভার শেষ হয়নি। ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে ব্রাভো আর থমাস লড়াই করছেন। ২৩ রানের জুটি তৈরি করে ব্রাভো-থমাস ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দলীয় ১০২ রানে নিয়ে যায়। কেউ এই জুটিকে ভাঙ্গতে পারছিল না। অবশেষে সোহাগ ১৪৫ রানে আর ব্রাভোর নিজস্ব ৩৪ রানে তাকে ফিরতি ক্যাচ বানালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বেশি দূর যাবার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। আর ব্রাভো-স্যামী জুটি ৭ম উইকেটে ৪৩ রান যোগ করেই মূলত দলকে দুই শত রানের কোটা পার করিয়ে দেয়। ৮ম উইকটে স্যামী সঙ্গী হিসাবে পান পারমাউওয়েলকে। তাতে কোনো সুবিধা হয়নি। কিন্তু ১০ উইকেট জুটিতে স্যামী পেসার রোজকে সঙ্গে নিয়ে ৩৬ রান যোগ করে নিজের প্রমাণ করার চেষ্টাকরেন। উইকেটের পতন ধারবাহিক হলেও অধিনায়ক স্যামীর অপরাজিত ৬০ রান ছিল ইনিংসে সেরা।
Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট