Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ইকোনমিস্টকে তথ্য গোপন রাখতে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ

বৃটেনের বিখ্যাত ম্যাগাজিন দ্য ইকোনমিস্টের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করেছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ইকোনমিস্টের দক্ষিণ এশিয়া ব্যুরোর প্রধান অ্যাডাম রবার্ট ও পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদক রব জিফোর্ডকে তিন সপ্তাহের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ১১(৪) ধারা অনুযায়ী কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না নোটিশে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনাল ১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হকের কম্পিউটার ও ই-মেইল হ্যাক করে ইকোনমিস্ট যে তথ্য সংগ্রহ করেছে তা গোপন রাখতে পত্রিকাটিকে বলা হয়েছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ট্রাইব্যুনালের আদেশে বলা হয়েছে। গতকাল দুপুরে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেয়। আদেশে বলা হয়েছে, এ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান এবং অন্য দু’সদস্য বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। এ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার পর যখন চেয়ারম্যান এবং সদস্য নিয়োগ দেয়া হয় তখন উন্মুক্ত আদালতে এটা বলা হয়েছে যে, ট্রাইব্যুনাল আইনটি তাদের জন্য নতুন। এটা বোঝার জন্য অন্য ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম ও আইন পর্যবেক্ষণ এবং উভয় পক্ষের আইনজীবী বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রয়োজন। এ পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের অগ্রগতি সম্পর্কে মাঝেমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের বিশেষজ্ঞ ড. আহমেদ জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং তার সহযোগিতা নিয়েছেন। বিচার কার্যক্রম চলাকালেও ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান তার সহযোগিতা নিয়েছেন। এ উদ্দেশ্যে তারা স্কাইপির মাধ্যমে আলোচনা করেছেন। দু’ অথবা তিন দিন আগে ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান দেখতে পান তার ই-মেইল ও স্কাইপি একাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে। গত বুধবার লন্ডন ভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট থেকে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানকে ফোন করা হয়। ফোন করে বলা হয়, তিনি ড. আহমেদ জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে যে আলোচনা করেছেন তা ইকোনমিস্টের কাছে আছে এবং এ ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যানকে প্রশ্ন করা হয়। চেয়ারম্যানকে এ-ও বলা হয়, তিনি প্রতিনিয়ত আহমেদ জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে স্কাইপিতে কথা বলেছেন এবং ই-মেইলের মাধ্যমে তার পরামর্শ নিয়েছেন। ড. আহমেদ জিয়াউদ্দিন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানকে যেসব ই-মেইল করেছেন তা-ও ইকোনমিস্টের কাছে রয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের ই-মেইল ও স্কাইপি একাউন্ট হ্যাক করে ব্যক্তিগত তথ্য নেয়া ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লংঘন এবং সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতিকে প্রভাবিত করার চেষ্টার শামিল। আইন অনুযায়ী বিচারপতি বলেন, ফোনও করা যায় না। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান এ-ও জানতে পেরেছেন, ড. আহমেদ জিয়াউদ্দিনের ই-মেইল ও স্কাইপি একাউন্ট-ও হ্যাক করা হয়েছে। এটা পরিষ্কার যে, যারা যুদ্ধাপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে চান তারাই এ কাজে জড়িত। এটা চলতে দেয়া যায় না। এ আদেশের একটি কপি আইজিপি এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে দিতে বলা হয়েছে। পরে আদেশের জন্য ২৭শে ডিসেম্বর দিন ধার্য রাখা হয়েছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট