Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

নরসিংদীর পলাশে জামাইর হাতে শ্বশুরের মৃত্যু


 ৪ ডিসেম্বর : নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার চলনা গ্রামে ডিভোর্সধারী  জামাইর হাতে শ্বশুরের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে জানা যায়, পলাশের চলনা গ্রামের শাহ আলম শিকদার (ফেলু মেম্বার)’র ছেলে তারেক শিকদার ভালবেসে গোপনে একই এলাকার লুতফর রহমানের মেয়ে শারমিন আক্তারকে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করে। এই বিয়ে তারেকের পরিবার মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে তারেক তার বিবাহিত স্ত্রী শারমিনকে নিয়ে বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনদের বাসায় উঠে। একদিন তারেক তার স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে গেলে তারেকের বাবা মা সবাই বাড়ি থেকে চলে যায়। অপর দিকে শারমিন তার বাবাকে ছেড়ে চলে যাওয়ায় মেয়ের শোকে পিতা লুতফর রহমান পাগল প্রায় হয়ে যায়। এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর তারেকের বাড়িতে তাদের স্থান না হওয়ায় শারমিনকে টঙ্গীতে নিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। সেখান থেকে শারমিন জনতার সহায়তায় প্রাণে বেঁচে গিয়ে তারেককে আইনগত ভাবে ডিভোর্স প্রদান করে। এর বেশ কিছুদিন যাওয়ার পর শারমিনের অন্যত্র বিয়ে হয়। এরই রেশ ধরে তারেক গত শুক্রবার শারমিনের বাবা লুতফর রহমানকে বাড়ির পাশে নতুন বাজার থেকে স্থানীয় মোমেন ও মোস্তফার সামনে থেকে ধরে একটি নিরব স্থানে নিয়ে এলাপাথাড়িভাবে মারতে থাকে এরপর তারেকদের বাড়িতে নিয়ে আটকে রেখে শুক্রবার রাতভর তার উপর নানা রকম নির্যাতন চালায়। শনিবার দুপুরে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেন কাউছার, পাশ্ববর্তী ইউপি সদস্য মনির হোসেন মন্টুসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গিয়ে তারেকের নির্যাতনের হাত থেকে লুতফরকে মুক্ত করতে ব্যর্থ হয়। শনিবার সারাদিন লুতফরকে নির্যাতন করার পর সে মৃত্যুর শয্যায় পতিত হওয়ার উপক্রম হলে তারেক তার সহযোগীদের নিয়ে ঐদিনই রাতের অন্ধকারে একটি গাড়িতে করে লুতফরের বাড়ির পাশে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে এলাকাবাসী  লুতফরকে দেখে ধরাধরি করে বাড়িতে নিয়ে যায়। পরদিন রোববার চিকিতসার জন্য টঙ্গীতে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকে সোমবার ঢাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে লুতফর মারা যায়। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়া নমে আসলেও একটি চক্র তারেকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে পুলিশকে না জানিয়ে লাশ দাফনের ব্যবস্থা করে। এই বিষয়ে পুলিশ প্রথমে না জানার ভান করলেও শেষ পর্যন্ত উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পলাশ থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম শাহাদাত হোসেন ও বদরুল আলম খান সঙ্গীয়দের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট