Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ভালোবাসাই কাল হলো কিশোরী সুবিতার

 অভাবের সংসার সুবিতার। দর্জির কাজ করে ৫ জনের সংসার চালাতো ১৫ বছর বয়সী এ কিশোরী। কিন্তু মনের অজান্তেই ভালবেসে ফেলে নজরুলকে। ভালবাসার মানুষকে কাছে পাওয়ার ব্যাকুলতা ভুলিয়ে দেয় পিতা-মাতা, বোনের মমতা। ভুলে যায় সংসারের প্রতি নিজ কর্তব্য। ভুলে যায় নজরুলের প্রভাবশালী পিতার রক্তচক্ষু। পেশার সুবাদে পরিচয় হওয়া প্রেমিক নজরুলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে শুক্রবার রাত ঘর ছাড়ে সুবিতা। কিন্তু এ প্রেমই কাল হলো তার। কাছে পেয়েও হারিয়ে ফেললো সব কিছু। হারিয়ে গেলো নিজেও। সূত্র জানায়, প্রেমের সম্পর্ক ধরে কিশোরী সুবিতা প্রেমিক নজরুলের সঙ্গে শুক্রবার রাতে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দেয়। দুই দিন পর সর্দার তাহের মিয়ার নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে তাদেরকে উদ্ধার করে গ্রামে নিয়ে আসেন। তাকে রাখা হয় নজরুলের চাচা গ্রাম্য সর্দার গোলাম হোসেনের বাড়িতে। রোববার রাতে ৭/৮ জন সালিশে বসেন। রায় দেন বিয়ের। নজরুলকে যৌতুক দিতে হবে ২ লাখ টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণ। দরিদ্র পরিবারের মেয়ে সুবিতা লোক লজ্জায় ওই বাড়ি থেকে বের হয়নি। প্রবাসী রসুন মিয়ার বসত ঘরের একটি কক্ষে তীরে ঝুলে কাপড় দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে ওই কিশোরী। তবে সুবিতার পরিবারের দাবি নজরুলের স্বজনরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। সূত্র জানায়, সুবিতাকে ফিরিয়ে আনার পর কালা মিয়া, আঃ ওয়াদুদ, কালন মিয়া, রেজেক মিয়া, গোলাম হোসেন, আনসর আলী ও শহীদ মিয়া সালিশ বসান। সিদ্ধান্ত হয় পরের দিন  (সোমবার) বিয়ে হবে। তবে ছেলেকে দিতে হবে ২লাখ টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণ। বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি সুবিতা। কারণ মায়ের এত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব। বিয়ের বিষয়টি তখন অনিশ্চিত হয়ে যায়। ওদিকে লোক লজ্জায় সুবিতা বের হয়ে আসতে পারছে না। গতকাল সকাল ৮টায় নজরুলের প্রবাসী চাচা রসুন মিয়ার বসত ঘরের তীরে কাপড় দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে সে। ঘটনার পর থেকেই গা-ঢাকা দিয়েছে রসুন মিয়ার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম। বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে নজরুল ও তার মা বাবা। ওদিকে সুবিতার পরিবারের লোকজনের অভিযোগ বিয়ে না করানোর জন্যই তারা প্রথমে যৌতুক ও পরে ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর তীরে ঝুলিয়ে রেখেছে। সর্দার আবদুল গফুর (৬০), সুবিতার চাচা খোরশেদ মিয়া (৫২), ভগ্নিপতি এরশাদ মিয়া (৩৮) ও বড় বোন কবিতা (২৫) জানান, আমার বোনকে জোর করে নিয়ে গেছে বখাটে নজরুল। দুই দিন পর তারা সালিশ করেছে। নজরুলের বাবা ২লাখ টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণ যৌতুক দাবি করেছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট