Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ক্রিকেটারের লাশ তুরাগে

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের সাবেক খেলোয়াড় কুঞ্জল চন্দ্র পাপনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল রাজধানীর তুরাগের বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে স্বজনরা থানায় গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। পূর্ব বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।
তুরাগ থানার ওসি এ বি এম জিয়াউল করিম বলেন, তুরাগের ধউর এলাকায় বেড়িবাঁধের ঢালে পাপনের লাশ পড়েছিল। খবর পেয়ে গতকাল সকাল ৭টার দিকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। তার মুখে ক্ষতচিহ্ন, গলায় দাগ এবং গেঞ্জি দিয়ে হাত বাঁধা ছিল। পায়ে জুতো ছিল না। সম্ভবত শ্বাসরোধে হত্যার পর তাকে গাড়ি থেকে ফেলে দেয়া হয়। পাপনের মোবাইল ফোন বা মানিব্যাগ কিছুই খোয়া যায়নি। এ কারণে পুলিশ মনে করছে এটি ছিনতাইয়ের ঘটনা নয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই কৌশিক চন্দ্র বাদী হয়ে তুরাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
নিহতের মামাতো ভাই রণজিৎ দত্ত জানান, রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকায় এক বন্ধুর সঙ্গে থাকতেন পাপন। রোববার তিনি কৌশিক চন্দ্রের ছেলেকে দেখতে ধামরাই যান। সেখানে ভাইপোর সঙ্গে সময় কাটিয়ে রাত ৮টার দিকে সিএনজি অটোরিকশায় করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু পাপন আর বাড়ি ফেরেননি। রাতে তার কোন খবর না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা চিন্তিত হয়ে পড়েন। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নেয়া হয়। কোন খোঁজ মেলেনি। ২৮ বছর বয়সী পাপন অবিবাহিত ছিলেন। দু’ভাইয়ের মধ্যে পাপন ছোট ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের থানাপাড়ায়। তার পিতার নাম কমল চন্দ্র।
নিহতের সহ-খেলোয়াড়রা জানান, পাপন অনূর্ধ্ব-১৬, ১৭ ও ১৯ দলে খেলেছেন। ২০০০ সালে বাংলাদেশ দলের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও খেলেন তিনি। পরে তিনি আবাহনীতে খেলেন তিন বছর। সর্বশেষ বিমানের ক্রিকেট দলে উইকেট কিপার হিসেবে ছিলেন। পুলিশ জানায়, সকালে লাশ উদ্ধারের পর প্রথমে পাপনকে শনাক্ত করা যায়নি। পরে তার ভাই কৌশিক ও পরিবারের লোকজন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে থানায় গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। ময়না তদন্তের জন্য বিকালে পাপনের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে নেয়া হয়। সেখানে তার লাশ দেখতে যান বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাভেদ ওমর বেলিম।
তুরাগ থানার এসআই মোহাম্মদ কামাল জানান, পাপনের গায়ে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি । তবে তার চোয়ালের হাড় ভাঙা রয়েছে। এদিকে গত রোববার বেলা ২টা হতে গতকাল সন্ধা ৬টার মধ্যে তাকে হত্যা করে এখানে ফেলে রেখে খুনিরা পালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট