Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

নিহত সীমা ১৭ মাস পর জীবিত উদ্ধার!

‘আমার মেয়ে বেঁচে আছে! স্যার, আমার মেয়ে বেঁচে আছে। এই তো আমার সীমা। আমার মেয়ে মরেনি।’ খুলনা কোর্টে দাঁড়িয়ে গতকাল কাঁদতে কাঁদতে এ কথা বলছিলেন সীমার মা সুফিয়া বেগম। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১৭ মাস পর অবশেষে খুলনার বহুল আলোচিত গৃহপরিচারিকা সীমা (১৩) জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে। এর আগে চট্টগ্রামের একে কামরুজ্জামান নামের একজন ব্যবসায়ী আদালতে রিট করে সীমা বেঁচে আছে বলে হাইকোর্টে দাবি করেন। হাইকোর্ট সীমাকে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের শেল্টার হোমে রেখে তার পরিবারকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন। গতকাল রোববার তাকে খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিবুল হাসানের আদালতে সশরীরে হাজির করা হয়। এ সময় সীমার মা সুফিয়া বেগম সীমাকে শনাক্ত করেন।
এদিকে গত অক্টোবর মাসে সীমাকে হত্যার অভিযোগে খালিশপুর থানা পুলিশ মিল্কি আইসক্রিমের মালিক শিল্পপতি মাসুদ হাসান ও তার স্ত্রীকে ইয়াসমিনকে গ্রেপ্তার করে। ‘সীমাকে হত্যা করে ফ্রিজে রাখা হয়েছে, লাশ বস্তায় ভরে গুম করার চেষ্টা হয়েছে- এ ধরনের নানা কল্পকাহিনী প্রচার করে খালিশপুর থানার উপ-পরিদর্শক মো. শাহ আলম। হত্যার আলামত পাওয়া গেছে, দাবি করে তাদের কয়েক দফা রিমান্ডেও নেয়া হয়। ওই সময় বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার নেতৃত্বে বিভিন্ন সংগঠন সীমা হত্যার বিচার দাবিতে সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন করে। কিন্তু সকল নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে সীমাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।
বাদী পক্ষের আইনজীবী মানবাধিবকার বাস্তবায়ন সংস্থার কো-অর্ডিনেটর মোমিনুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীর বাসা থেকে সীমাকে উদ্ধার করে হাইকোর্টে নিয়ে যান একে কামরুজ্জামান ভূঁইয়া নামের এক আইনজীবী। হাইকোর্ট সীমাকে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের শেল্টার হোমে রেখে তার পরিবারকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন। রোববার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের আইনজীবীরা সীমাকে খুলনায় নিয়ে আসেন। মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিবুল হাসানের কাছে সীমা জবানবন্দি দিয়েছে। সীমার মা সুফিয়া বেগম তার মেয়েকে শনাক্ত করেছেন। সীমা বর্তমানে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হেফাজতে রয়েছে। তিনি আরও জানান, সীমা কিভাবে চট্টগ্রামে গেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সীমা উদ্ধারের পর হত্যা মামলাটি আর চলতে পারে না। শিল্পপতি দম্পতি মাসুদ হাসান ও তার স্ত্রীকে ইয়াসমিন যাতে দ্রুত মামলা থেকে অব্যাহতি পায় সে ব্যবস্থা করা হবে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট