Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে অর্থ ছাড় নয় : দুদককে সাফ জানাল প্রতিনিধি দল

 ২ ডিসেম্বর  : বিশ্ব ব্যাংক সুষ্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেই কেবল অর্থ ছাড় করবে।  রবিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংক প্রতিনিধি দলের বৈঠকের পর ওয়াশিংটনভিত্তিক এ ঋণদাতা সংস্থার আবাসিক প্রতিনিধি অ্যালান গোল্ডস্টেইন সাংবাদিকদের বলেন, “দুদককে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সেতুকে বাস্তবে পরিণত করা নির্ভর করছে দুদকের ব্যবস্থা গ্রহণের উপর।” গোল্ডস্টেইন বলেন, “এখন পর্যন্ত যা জেনেছি তা উৎসাহব্যঞ্জক। আগামী তিন-চার দিনে আমরা আরো কয়েক দফা বৈঠক করব। যদি যথেষ্ট অগ্রগতি দেখা যায়, তাহলে এই সেতু নির্মাণ সম্ভব হবে বলেই আমরা আশাবাদী।”

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সাবেক প্রধান আইনজীবী লুই গাব্রিয়েল মোরেনো ওকাম্পোর নেতৃত্বে পর্যবেক্ষক দলের সদস্যরা বেলা ৩টা থেকে বিকাল সোয়া ৪টা পর্যন্ত সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
পর্যবেক্ষক দলের অপর দুই সদস্য হলেন- হংকংয়ের দুর্নীতিবিরোধী স্বাধীন কমিশনের সাবেক কমিশনার টিমোথি টং এবং যুক্তরাজ্যের দুর্নীতি দমন কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক রিচার্ড অল্ডারম্যান। গত রাতে ঢাকায় আসার পর সকালে এ প্রকল্পের অর্থদাতা অপর তিন সংস্থা এডিবি, আইডিবি ও জাইকার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তারা।

এই দুর্নীতির অভিযোগেই গত জুনে ঋণচুক্তি বাতিল করেছিল বিশ্ব ব্যাংক। তবে সরকারের তৎপরতায় ‘শর্তসাপেক্ষে’ আবার ফেরার ঘোষণা দেয় বহুজাতিক সংস্থাটি।
এর আগেই সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শুরু করে দুদক। যোগাযোগ মন্ত্রীর পদ থেকে সৈয়দ আবুল হোসেনকে সরে যেতে হয়। ছুটিতে যেতে হয় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান ও সাবেক সেতু সচিব মোশারফ হোসেন ভূঁইয়াকে।  প্রথম দিকে তদন্তে দুর্নীতির তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ার দাবি করলেও দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান গত ২৭ নভেম্বর জানান, প্রকল্পের কাজ পাওয়ার জন্য ঘুষ লেনদেনের ‘ষড়যন্ত্রের’ তথ্য পেয়েছেন তারা।
শর্ত অনুযায়ী দুদকের তদন্তের অগ্রগতি দেখতে শনিবার রাতে দ্বিতীয় দফার সফরে ঢাকায় পৌঁছান পর্যবেক্ষক দলের তিন সদস্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সাবেক প্রধান আইনজীবী লুই গাব্রিয়েল মোরেনো ওকাম্পো, হংকংয়ের দুর্নীতিবিরোধী স্বাধীন কমিশনের সাবেক কমিশনার টিমোথি টং এবং যুক্তরাজ্যের দুর্নীতি দমন কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক রিচার্ড অল্ডারম্যান।
ওকাম্পো নেতৃত্বাধীন এই প্যানেলের প্রতিবেদনের ওপরই ২৯১ কোটি ডলারের পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের ১২০ কোটি ডলারের ঋণ দেয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে। এছাড়া এডিবি ৬১ কোটি, জাইকা ৪০ কোটি এবং ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার কথা।
দুদকের সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রণালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বসেন পর্যবেক্ষক দলের সদস্যরা।
প্রকল্পের বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে আলোচনার জন্য বিশ্ব ব্যাংকের আরেকটি প্রতিনিধি দল পরে কোনো এক সময় বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট