Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার

০১ ডিসেম্বর: সংঘবদ্ধ নিধনকারী দলের কবল থেকে বন বিভাগ গতকাল শুক্রবার ৪০টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ এবং বিপুল পরিমাণ খোল উদ্ধার করেছে। নারায়ণগঞ্জের একটি মাছের গুদামে অভিযান চালিয়ে বন্য প্রাণী নিধন ও আটক আইনে হাতেনাতে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গতকাল সকাল ১১টার দিকে বন বিভাগের ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিটের কর্মকর্তারা পুলিশ নিয়ে নারায়ণগঞ্জের ৩ নম্বর মাছঘাট এলাকায় জনৈক বাদল মিয়ার গুদামে হানা দেন। তাঁরা সেখান থেকে ৪০টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ, প্রায় ২০০ কচ্ছপের খোল ও কচ্ছপের পাঁচ কেজি চর্বি উদ্ধার করেন। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা কচ্ছপগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩৫টি আসাম কড়িকাইট্টা ((Assam Roofed Turtle), চারটি সুন্ধি কাছিম (Spotted Flap shell) এবং একটি ধুম কাছিম (Indian Peacock Soft shell Turtle)। একই সঙ্গে অবৈধভাবে বন্য প্রাণী আটক ও নিধনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় ফরিদ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে। পরে তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করা হয়। উদ্ধার করা জীবিত কচ্ছপগুলোকে গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের কচ্ছপ পুনর্বাসন কেন্দ্রের জলাধারে অবমুক্ত করা হয়।
বন সংরক্ষক (বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ) ড. তপন কুমার দে কালের কণ্ঠকে জানান, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে কচ্ছপ ধরা, হত্যা বা কেনাবেচা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে মাংস সুস্বাদু হওয়ায় অনেকে এগুলো নিধন করে থাকে। বিভিন্ন টোটকা ওষুধ তৈরিতেও কচ্ছপের দেহাবশেষ ব্যবহৃত হয়। বিদেশের বাজারেও কচ্ছপের চাহিদা রয়েছে। এ সুযোগে দেশে একটি সংঘবদ্ধ নিধন চক্র গড়ে উঠেছে। শীতকালে নিধনের প্রবণতা বাড়ে। সম্প্রতি বিমানবন্দর দিয়ে বিদেশে পাচারকালেও বেশ কিছু কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়েছে।
তপন কুমার বলেন, কচ্ছপ একটি নিরীহ ও সর্বভুক প্রাণী। একসময় এ দেশের নদী-নালা, বিল-হাওরে প্রচুর কচ্ছপ দেখা যেত। কিন্তু নির্বিচারে নিধনের ফলে দেশের বেশির ভাগ কচ্ছপই এখন বিপদাপন্ন প্রাণী। এভাবে কচ্ছপ নিধন হতে থাকলে দেশ থেকে এই প্রাণীটি একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট