Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

নতুন উইকেটে ওডিআই সিরিজ শুরু শুক্রবার

খুলনা: ওডিআই সিরিজ মাঠে গড়াবে কাল। টেস্ট সিরিজের পর এই সিরিজ নিয়েই এখন যতো আলোচনা আর গবেষণা। ২০১১ সালে মোট ৪টি ওডিআই খেলার এক বছর পর আবারো ঘরের মাঠে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি।

২০১১ সালে ৩ ম্যাচের ওডিআই সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হেরে গেলেও চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে শেষ ম্যাচে হারিয়ে ছিল ৮ উইকেটে। সেই সুখ স্মৃতিই এখনও সম্বল মুশফিকদের। তবে এর সঙ্গে তো অবশ্যই এশিয়ার কাপের পারফর্মেন্স যোগ হবে।

বাংলাদেশ ঘরের মাঠে ৮ মাস পর মাঠে নামবে কাল। ৮ মাস আগে মিরপুরের উইকেটে এশিয়া কাপে মুশফিকরা ভারতকে ৫ উইকেটে শ্রীলঙ্কাকে সেই ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠে। ৮ মাস আগের সেই পারফর্মেন্সের কারণে কিছুটা হলেও মুশফিকদের কাছে ক্রিকেটমোদীদের প্রত্যাশার মাপকাঠি একটু বেশি থাকবে। আর খুলনার দর্শকের ওডিআই সিরিজ নিয়ে যে পরিমাণ আগ্রহ, তাতে স্বাগতিক দলের ওপর বাড়তি একটা চাপ থাকবে। সেই চাপ কাটিয়ে কাল মুশফিকরা কতটা কি করতে পারবে সেটাই এখন ক্রিকেটাঙ্গনের আলোচনার রশদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে এশিয়া কাপে সুপার পারফর্মেন্স, অন্যদিকে সর্বশেষ ২০১১ সালের শেষ ভাগে অনুষ্ঠিত ওডিআই সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপেক্ষ হার। সব হিসাবই কালকের ম্যাচের আগে চুলচেরা বিশে¬ষেণ হচ্ছে। গত সিরিজে মিরপুরে ৪০ রানে আর ৮ উইকেটে পর পর দুই ম্যাচে হেরে ছিল মুশফিকরা। শেষ ম্যাচে জিতে গেলেও ২০০৯ সালের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওডিআই সিরিজে জেতা সম্ভব হয়নি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মুশফিকদের রেকর্ড সে প্রমাণই দেয়। এ যাবতকালে মুশফিকরা ২৬২টি ওডিআই ম্যাচ খেলেছে। যার মধ্যে ২০টি ওডিআই খেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ফলাফল ১৪ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর ৪ ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে, ২টি ম্যাচে ফলাফল হয়নি।

২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ওডিআই সিরিজে জেতা সেই ৩ ম্যাচের কথা বাদ দিলে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় গুলো সব বড় ব্যবধানে। পরিসংখ্যানের হিসাবে তাই ক্রিজ গেইলরা পরিষ্কারভাবেই ফেভারিট।

মাঠের খেলা আর পরিসংখ্যান এক বিষয় নয়। তার সঙ্গে যদি যোগ হয় নতুন উইকেট আর নতুন ভেন্যু তাহলে তো কথাই নেই। কারণ খুলনা শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ৬ বছর পর ওডিআই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছিল শেষ ওডিআই। এরপর আর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়নি।

এমনকি কাল যে উইকেটে খেলা হবে সেটাও একে বারে নতুন। গত বছরই পুরাতন উইকেট তুলে ফেলে নতুন করে উইকেট তৈরি করা হয়। এই উইকেটে এক মৌসুম জাতীয় লীগের খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাই উইকেট নিয়ে আগাম বাণী দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। মাঠের তিন নম্বর উইকেটে গ্রাউন্ডম্যানদের তৎপরতা দেখেই বোঝা যায় এই পিচেই ম্যাচ হচ্চে। কার আর কোনো পিচের দিকে গ্রাউন্ডম্যানদের দৃস্টি নেই। রোল করা চার দিকে বাউন্ডারি দিয়ে তিন নম্বর পিচকে নিরাপদ রাখা, এসব ম্যাচের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

পিচ কিউরেটর জাহিদরেজা বাবু  সে কথা স্বীকার করলেন। বলেন, ‘এটা একে বারেই নতুন উইকেট। এটা ব্যাটিং উইকেট এটা নিশ্চিত। চাইলে ব্যাটসম্যানরা রান করতে পারবে। যদি উইকেট বিলিয়ে না দেয়। কারণ এই তিন নম্বর যে উইকেটে খেলা হবে তাতে জাতীয় লীগে তিন শত রানের বেশি এখানে হয়েছে।’
পরিসংখ্যান যাই বলুক মাঠের পারফর্মেন্সই আসল কথা। এখন শুধু প্রত্যাশার বেলুনে বাতাস দেয়া। আর অপেক্ষা করা মুশফিকদের পারফর্মেন্স অতিথি দল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কাবু করতে পারে কি না?

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট