Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

আইনমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক : ট্রাইব্যুনাল থেকে সাক্ষী অপহরণের ঘটনায় মজিনার উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে থেকে সরকারী বাহিনী কর্তৃক আসামি পক্ষের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালী অপহরণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রকৃত তথ্য জানতে চেয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আিইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করে সাক্ষী অপহরণের ওই ঘটনায় আমেরিকা সরকারের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান তিনি। এ ঘটনা নিয়ে প্রভাবশালী সাময়িকী দ্যা ইকোনোমিস্টে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের প্রতিও আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। অপরদিকে আইনমন্ত্রী বলেছেন, বিচার বিভাগ হচ্ছে দেশের মানুষের আশা-আকাংখার শেষ আশ্রয়স্থল। বিচার বিভাগের দীর্ঘসূত্রিতা ও দুর্নীতি কোন অবস্থায়ই কাম্য নয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে আইনমন্ত্রীর দফতরে এক ঘন্টা ব্যাপী এ বৈঠকে ড্যান মজিনা বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার সংস্কার এবং পুলিশ প্রশাসনের আচরণ ও সংস্কার নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়নে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা দিতে আগ্রহী বলেও জানান।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক সাক্ষী সুখরঞ্জন বালী অপহরণের ঘটনা নিয়ে আইনমন্ত্রী ও ড্যান মজিনার মধ্যকার আলোচনা প্রসঙ্গে তারা সাংবাদিকদের কাছে কোন মন্তব্য করেননি। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘মার্কিন রাষ্ট্রদূত ইকোমিস্টসহ বিভিন্ন পত্রিকার সূত্র ধরে সাক্ষী সুখরঞ্জন বালী অপহরণ সম্পর্কে মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট জানতে চেয়েছেন। বিষয়টি প্রসঙ্গক্রমে এসেছে। তবে আইনমন্ত্রী এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে বলেছেন যে, এটি আসামি পক্ষের আইনজীবীদের প্রচারনা। এরকোন ভিত্তি নেই।

প্রসঙ্গত, ঢাকার পুরাতন হাইকোর্ট ভবনে পরিচালিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গত ৫ নভেম্বর মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষী দিতে আসলে আইন শৃংখলা বাহিনী সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ট্রাইব্যুনালের প্রধান ফটক থেকে বিপুল সংখ্যক আইনজীবী ও সাংবাদিকের উপস্থিতিতে ডিবি পুলিশ টেনে হিঁচড়ে তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। আইনজীবীরা তাত্ক্ষণিকভাবে এ ঘটনা ট্রাইব্যুনালকে বহিত করেও কোন প্রতিকার পাননি। তাকে এখনো আদালত কিংবা তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। ট্রাইব্যুানালের একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণকৃত সাক্ষী অপহরণের এ ঘটনা নিয়ে দেশ-বিদেশে আলোচিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ আদালত থেকে সরকারী বাহিনীর কর্তৃক সাক্ষী অপহরণের এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে। দেশী বিদেশী কয়েকটি মানবাদিকার সংগঠন এ ঘটনার তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রমও শুরু করেছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট