Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ইসি’র সংলাপে যাচ্ছে না বিএনপি

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনর্বহাল ছাড়া আগামী দশম জাতীয় সংসদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে না কল্যাণ পার্টি। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বসে দলটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বুধবার এ তথ্য জানান। এদিকে, সংলাপের পঞ্চম দিনে বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও দলটি কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বসছে না। বিএনপির তরফে যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বৃহস্পতিবার কমিশনকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পৌঁছে দেন। এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বৈঠকে কেন বসতে পারছি না- তা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিবের চিঠি সিইসি ও সচিবকে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। সহ দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনিও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘ছলে বলে কৌশলে যে কোনোভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ একটি দলীয় সরকারের সীমাহীন ক্ষমতা ও প্রভাবের মুখে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক স্বাধীনতা যে কতো অর্থহীন তা পূর্বেকার কমিশন কিছুটা হলেও উপলব্ধি করেছিল এবং পূর্বেকার কমিশনের কেউ কেউ এখন তা প্রকাশ করে যাচ্ছেন। বর্তমান নির্বাচন কমিশন এই বাস্তবতা মেনে নিয়ে তাদের দায়িত্ব পালনে সচেষ্টা হলে তারা জনগণের সমর্থন লাভে সক্ষম হবে। জাতীয় সংসদের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পর্কিত উপরোল্লিখিত সমস্যা ও বিষয়সমূহ জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী সমাধান করার চেষ্টা না করে শুধুমাত্র ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ বা নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণের মতো আনুষ্ঠানিক আলোচনার মাধ্যমে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে না।’ সংলাপের জন্য নির্ধারিত দিনের দুই দিন আগে এ অবস্থান জানিয়ে দেয়া হলো। আগামী রোববার বিকাল তিনটায় সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে ইসি’র সংলাপ হওয়া কথা ছিল। এর আগে গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া সংলাপে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের শরিক ইসলামী ঐক্যজোট, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি সংলাপে অংশ নেয়নি। এছাড়া ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনও সংলাপে আসেনি। উল্লেখ্য, গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ইসির সংলাপে এলেও নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত কমিশনের সঙ্গেও সংলাপে বসেনি বিএনপি। চতুর্থ দিনের সংলাপে কল্যাণ পার্টি চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, বিদ্যমান জনসংখ্যা দিয়ে জাতীয় নির্বাচনে একদিনে নির্বাচন করা সম্ভব নয়। তাই বিভাগওয়ারি সাত দিনে নির্বাচন আয়োজন করা জরুরি। সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, নির্বাচনে সেনা মোতায়েন নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হওয়াটাকেও আমরা সমীচীন মনে করি না। প্রয়োজন হলে নির্বাচন সেনা মোতায়েন করতে হবে। খবরে দেখলাম, একটি দল নির্বাচনে সেনা চায়, আরেকটি দল চায় না। এ রকম বিতর্ক কাম্য নয়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কল্যাণ পার্টি সেনা মোতায়েনের পক্ষে। সীমানা নির্ধারণের ব্যাপারে তিনি বলেন, ২০০৮ সালের সীমানা বহাল রেখে নির্বাচন করতে হবে। সংলাপে পার্টি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি দল অংশ নেয়। বেলা ১২টায় প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল সংলাপে অংশ নেয়। দলটির সভাপতি ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী নির্বাচনে আসন সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি বলেন, নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার এখনও ঝুঁকিমুক্ত নয়। তাই আগামী নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা সঠিক হবে না। তিনিও একাধিক দিনে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পরামর্শ দেন। সংলাপে গণতান্ত্রিক পার্টির ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করে। সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ ছাড়াও অপর চার নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হাফিজ, মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী, মো. শাহ নেওয়াজ এবং ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিদিনের মতো গতকালও সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, আইনের আলোকে সবকিছু করা হবে। ডিসিসি নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশন প্রস্তুত আছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট