Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন কোলকাতায় গ্রেফতার

 নেপালের কারাগার থেকে সুড়ঙ্গ পথে পালিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ভারতের কলকাতায় গ্রেফতার হয়েছে । কোলকাতার গোয়েন্দা পুলিশের হাতে এই দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার হয়েছে বলে বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়েছে। কোলকাতা পুলিশ বাংলাদেশের কাছে মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে হস্তান্তর করবে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার রঞ্জিত পচনন্দা সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের কাছে সুব্রত বাইনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। সুব্রত বাইনকে গ্রেপ্তার করা হয় কলকাতার বউবাজার এলাকা থেকে। কলকাতায় সুব্রতর বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশ ও অস্ত্র রাখার দায়ে মামলা রয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দীর্ঘ দিন যাবত জানানো হচ্ছিল যে ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী কোলকাতায় অবস্থান করে তাদের অনগতদের দিয়ে এখানে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ চালিয়ে আসছে। এসব সন্ত্রাসীকে পাকড়াও করে দেশ বিচারের মুখোমুখি করতে ভারত সরকারের কাছে দফায় দফায় অনুরোধ জানানো হয়।
কয়েক দিন আগে সুব্রত বাইন নেপালের জেল থেকে দীর্ঘ সুড়ঙ্গ পথ তৈরী করে পালিয়ে গিয়ে গণমাধ্যেম শিরোনাম হয়েছিল। তখনই ধারণা করা হয়েছিল যে দুর্ধর্ষ এই সন্ত্রাসী সীমান্ত অতিক্রম করে আবার ভারতে ঢুকে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
সুব্রত বাইন ২০০৪ সালে পুলিশের তাড়া খেয়ে সীমান্ত পার হয়ে প্রথমে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার তেহট্টে যান। সেখানে তিনি ফতে আলী বা শুভ্র পরিচয়ে বসবাস শুরু করেন। এরপর তিনি চলে যান নদীয়ার করিমপুরে।  ২০০৫ সালে স্ত্রী বিউটির নামে বাড়ি কিনে দক্ষিণ কলকাতার কড়েরা থানার পাম এভিনিউ ও মেফেয়ার রোডের সংযোগস্থলে থাকতে শুরু করেন। নিজস্ব বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্সের (এসটিএফ) গোয়েন্দারা। তার কাছ থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। অস্ত্র আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
জামিনে মুক্তি পেয়ে সুব্রত প্রথমে শিলিগুড়িতে যান। সেখান থেকে নেপালের ঝাপা জেলার সীমান্ত এলাকা কাঁকর ভিটার সুসারি এলাকায় থাকতে শুরু করেন। ২০০৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্সের দুই কর্মকর্তা সুব্রত বাইনকে পিছু ধাওয়া করে নেপাল সীমান্তের কাকরভিটা শহরে ঢুকে পড়লে সেখানকার পুলিশ তিনজনকেই গ্রেফতার করে। এর এক সপ্তাহ পর নেপালে ভারতীয় দূতাবাসের হস্তক্ষেপে ছাড়া পায় কলকাতা পুলিশের দু`কর্মকর্তা। সুব্রত বাইনকে প্রকাশ্যে অশোভন আচরণের (নুইসেন্স ইন পাবলিক) দায়ে পূর্ব নেপালের ভাদ্রপুর জেলে রাখা হয়। এরপরই গত সম্প্রতি সে জেল থেকে পালিয়ে যায় বলে ভারতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সুত্রে জানা গেছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট