Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

২০ হাজার টাকা নিয়ে কারখানায় আগুন দিয়েছি: সুমি বেগম

ঢাকা(বাংলানিউজ24): সাভারের আশুলিয়ায় একটি গার্মেন্ট কারখানায় ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন কারখানারই এক কর্মী। মামলার পর বিষয়টি আদালতে গড়ালে সোমবার বিকেলে অপকর্মের কথা স্বীকার করে নেন সুমি বেগম নামের ওই শ্রমিক।

ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সুমি বেগম জানান, কারখানার কর্মকর্তা জাকির হোসেনের কাছ থেকে নগদ টাকা নিয়ে নিচ তলায় ফিনিশিং সেকশনের একাংশে আগুন ধরিয়ে দেন তিনি।

আশুলিয়ার গোরাটে সরকার মার্কেট রোডে ডেবোনিয়ার নামের কারখানায় এই ঘটনাটি ঘটে ২৫ নভেম্বর রোববার দুপুর আড়াইটায়। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ দ্রুত টের পেলে নিজেদের কর্মীদের দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়। সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও থেকে সুমি বেগমকে শনাক্ত করে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন কারখানার মহাব্যবস্থাপক নিরদ বড়ুয়া।

মামলার জের ধরে পুলিশ সুমি বেগম ও জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

পরে আসামি সুমি বেগম আদালতে স্বীকারোক্তি দেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াসিম শেখ এ জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

তবে অপর আসামি জাকির হোসেনকে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এসআই ফরিদ আহমেদ।

রিমান্ড শুনানিতে জাকিরের আইনজীবী ঘটনার সাথে জাকিরের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলে ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াসিম শেখ বলেন, ‘সুমি বেগমতো স্বীকারোক্তিতে আপনার নাম বলেছে। আপনি তাকে আগুন দেওয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা দিয়েছেন।’

শুনানি শেষে ম্যাজিষ্ট্রেট জাকিরের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার আর্জিতে উল্লেখ করা হয়, গত রোববার আশুলিয়া থানাধীন গোরাট, সরকার মার্টেক রোডে অবস্থিত ডেবনিয়ার গার্মেন্টেসের ফিনিশিং সেকশনের ফিনিশড মালে আগুন দেয় সুমি বেগম। বিষয়টি গার্মেন্টেসের গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়ে। ঘটনার পরপরই গার্মেন্টেসের ফায়ার ফাইটাররা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তার ‍আগেই কয়েক হাজার প্যান্ট পিস আগুনে পুড়ে যায়। যার আনুমানিক মুল্য ২০ লাখ টাকা।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, আসামিদের সাথে বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংসকারী চক্রের সরাসরি যোগসাজস আছে।

এ প্রসঙ্গে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এসআই ফরিদ আহমেদ  জানান, সুমি নিজেই আদালতে অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন।

আদালতের নির্দেশে সুমি ও জাকির হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ফরিদ আহমেদ আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

“অন্য কারো জড়িত থাকার সন্দেহ করছেন কি না? ” –এ প্রশ্নের জবাবে তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, “সন্দেহ তো হতেই পারে।”

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট