Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

দুর্নীতি দমন কমিশন সরকারের এজেন্টে পরিণত হয়েছে : ফখরুল

 খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ‘পাচার করা’ অর্থ ফেরত আনার খবর প্রত্যাখান করে বিএনপি বলেছে- এটা বিরোধী দলের বিরুদ্ধে সরকারের ষড়যন্ত্রের অংশ।
শুক্রবার সকালে এক বিএনপি কর্মীকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, “বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন সরকারের এজেন্টে পরিণত হয়েছে। তারা এখন সরকারের দায়িত্ব নিয়ে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের চরিত্রহননের কাজে নেমেছে।”
দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বৃহস্পতিবার অর্থ ফেরত আনার তথ্য জানিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ চেষ্টার পর তারা কোকোর পাচার করা অর্থের একটি অংশ দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরেছেন, যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি টাকা।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ‘ঘুষ’ হিসেবে নেয়া ওই অর্থ ‘পাচারের জন্য’ কোকোর ছয় বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। সেই সঙ্গে জরিমানা হয়েছে ১৯ কোটি টাকা।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে গ্রেপ্তারের পর সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি নিয়ে চিকিতসার জন্য ব্যাংককে পাড়ি জমানো কোকো আর দেশে ফেরেননি। তার অনুপস্থিতিতেই রায় দেয় আদালত।
তবে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা মনে করি- দুদকের কথিত অর্থ ফেরতের ঘটনাটি বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের চরিত্রহননের চেষ্টার অংশবিশেষ। এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
দুর্নীতি দমন কমিশনকে একটি ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ সংস্থা আখ্যায়িত করে বিএনপির মুখপাত্র বলেন, জনগণের দৃষ্টি ‘অন্য দিকে’ সরিয়ে দিতে ‘সরকারের এজেন্ট’ হিসেবে দুদক বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের হয়রানি করছে।
“হলমার্ক, ডেসনিটি, পূঁজিবাজারের লাখ লাখ কোটি টাকার সরকারি দলের লোকজন বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। দুদক এখন পর্যন্ত সরকারি দলের কোনো নেতার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ গঠন কিংবা তদন্ত করেনি। রেলের ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনায় অভিযুক্তকেই নির্দোষ বলে সনদপত্র দিয়েছে তারা।”
“উপরন্তু বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করা হয়েছে।”
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দাবি করেন, তার দলের নেত্রী খালেদা জিয়া সারাদেশে ‘ব্যাপক জনপ্রিয়তা’ নিয়ে এগোচ্ছেন।
“তিনি যেখানেই যাচ্ছেন- সেখানেই জনসাধারণ তাকে ব্যাপকভাবে স্বাগত জানাচ্ছে। নেত্রী নতুন প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, জনগণ যদি তাকে আবার নির্বাচিত করে, তাহলে বাংলাদেশের চেহারা তথা দেশের উন্নয়ন ও রাজনীতির আমূল পরিবর্তন করবেন। এই আশার আলোর কথায় ভীত হয়ে সরকার এখন বিরোধী দলের নেতাদের চরিত্রহননের পথ বেছে নিয়েছে।”
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে শরীয়তপুর জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল হক মোল্লা ও জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউল হক মোল্লাকে দেখতে যান ফখরুল। তিনি চিকিতসকদের কাছে থেকে তাদের চিকিতসার খোঁজ-খবর নেন।
শরিয়াতপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমান কিরণ ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এনামুল হকও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার শরীয়তপুরে বিএনপির সিনিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ কর্মীদের হামলা ও সংঘর্ষে সিরাজুল ও জিয়াউলসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট