Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone
শেখ হাসিনা
আসুন আমরা এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করি
খালেদা জিয়া
আমি বিশ্বাস করি ধর্য ছাড়া রাজনিতি সম্ভব নয়
ঢাকা: গোয়েন্দা পুলিশ অভিযোগ করেছে, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবির সহিংস কর্মসূচির জন্য সমমনা ব্যক্তি বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিয়ে আলাদাভাবে তহবিল বা অর্থ যোগাড় করেছে।
এই অর্থের জোগানদাতাদের চিহ্নিত করতে তদন্ত শুরু করার কথাও বলা হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে। তবে জামায়াতে ইসলামী এ ধরণের অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াত এবং ছাত্রশিবিরের কর্মসূচি থেকে পুলিশের ওপর আক্রমণসহ বিভিন্ন সহিংস ঘটনা ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্রশিবিরের কর্মসূচি থেকে সহিংস ঘটনা ঘটানোর অভিযোগে গত কয়েক সপ্তাহে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে দলটির দু’হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
এই আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের কথা উল্লেখ করে গোয়েন্দা পুলিশ অভিযোগ তুলেছে, জামায়াত এবং ছাত্র শিবির দেশে সহিংস পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কর্মসূচি পালনের জন্য আলাদা তহবিল গঠন করেছে।
ডিবি পুলিশ বা গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম আরও বলেছেন, অর্থের জোগানদাতাদের চিহ্নিত করতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্রশিবির অবশ্য তাদের কর্মসূচি থেকে পুলিশের উপর আক্রমণ বা কোন সহিংস ঘটনা ঘটানোর অভিযোগ আগাগোড়াই অস্বীকার করে আসছে।
এছাড়া সহিংস পরিবেশ তৈরির জন্য সমমনা ব্যক্তি বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে আলাদা কোন তহবিল গঠনের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন জামায়াতের একজন কেন্দ্রীয় নেতা মজিবুর রহমান।
তিনি বিবিসিকে বলেন, “আমরা ঈমানী দায়িত্ব থেকেই কাজ করি। আল্লাহ তা জান বা মাল দিয়ে করতে বলেছেন। আমাদের আয়ের উৎসই হচ্ছে, আমাদের জনশক্তি বা সদস্যরা প্রতিমাসেই তাদের আয় থেকে একটা উল্লেখযোগ্য অংশ ইয়ানৎ হিসিবে দলের ফান্ডে দেয়।”
ওই জামায়াত নেতা আরও দাবি করেন পুলিশ যা বলছে, সেটা মানুষের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করার জন্যই করছে।
তবে গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের দাবি হচ্ছে, অর্থের জোগানদাতা হিসেবে জামায়াতের সমমনা অনেক ব্যক্তি এবং কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে গোয়েন্দা পুলিশ প্রাথমিক ধারণা পেয়েছে।
তিনি বলছিলেন, “আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে এবং বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে কিছু দালিলিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। সে সব পর্যালোচনা করে জামায়াতের কর্মসূচির অর্থায়নের কিছু সূত্র সম্পর্কে ধারণা আমরা পাচ্ছি।”
তিনি আরও জানান, “এদের মধ্যে ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান যেমন রয়েছে, এরসাথে জামায়াতের মালিকানায় চলে এমন কিছু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নামও এসেছে। এগুলো যাচাই বাছাই করে দেখা হচ্ছে।”
গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, অর্থের জোগানদাতাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। সূত্র: বিবিসি।