Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone
শেখ হাসিনা
আসুন আমরা এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করি
খালেদা জিয়া
আমি বিশ্বাস করি ধর্য ছাড়া রাজনিতি সম্ভব নয়
মাত্র ১৭ জন জানতেন কাসাভের ফাঁসির খবরটা। এমনকি প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং সোনিয়া গান্ধীও নন। তারাও জেনেছেন টিভির খবর থেকে। এমনটাই দাবি করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার সিন্ধে। আর গোটা ফাঁসির পরিকল্পনা বাস্তবায়ণ করার প্রকল্পটির কোড নাম দেয়া হয়েছিল অপারেশন এক্স। তবে ভারতে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম ফাঁসির ঘটনা। তবে বিদেশি হিসেবে প্রথম। যে রকম গোপনীয়তায় কাসাবকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে সেটাও নজিরবিহীন বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। তবে কাসাভ নিয়মমতো শেষ ইচ্ছার কথা না জানালেও সে জানতে চেয়েছিল তার মাকে খবর পাঠানো হয়েছে কিনা। আর তারপরই তার শেষ কথা ছিল, আল্লাহ কসম মাফ করনা, অ্যায়সি গলতি দুবারা নহি হোগি। ফাঁসির দড়ি গলায় পড়ার আগে তাকে খানিকটা নার্ভাসও লেগেছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে বলা হয়েছে। এদিকে ফাঁসির চিঠি নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চাপান উতোর শুরু হয়েছে। খবর ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে মঙ্গলবারই ভারতীয় দূতাবাস ইসলামাদেও পররাষ্ট্রমন্ত্রকের হাতে আনুষ্ঠানিক চিঠি তুলে দিতে চেয়েছিল। ভারতের বক্তব্য, সেই চিঠি পররাষ্ট্রমন্ত্রক নিতে অস্বীকার করায় পরে তা ফ্যাক্স করে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তান এই বক্তব্যে আপত্তি জানিয়েছে। পাকিস্তান ভারতের দাবি অগ্রাহ্য করে জানিয়েছে, তারা ঠিক সময়েই কাসাভের ফাঁসির খবর পেয়েছে। অন্যদিকে ভারতের সংবাদপত্রে ও টিভি মিডিয়াতে গত বুধবার এবং বৃহষ্পতিবার কাসাভের ফাঁসি নিয়ে ৬০ শতাংশ জায়গা ব্যয় করা হয়েছে। তবে ফাঁসি দেয়া কি উচিত হয়েছে তা নিয়ে বিতর্ক দেখা গেছে সংবাদপত্রের পৃষ্ঠায়। অনেকেই ফাঁসিতে আপত্তি জানিয়েছেন। আবার অনেকে এটাই সমুচিত শাস্তি বলে দাবি করেছেন। তবে মজার বিষয় হল, মাত্র একদিন আগেই রাষ্ট্রসংঘে ফাঁসি তুলে দেয়ার বিরুদ্ধেই ভারত জোরালো সওয়াল করেছিল।