Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone
শেখ হাসিনা
আসুন আমরা এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করি
খালেদা জিয়া
আমি বিশ্বাস করি ধর্য ছাড়া রাজনিতি সম্ভব নয়
খুলনায় দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে অভিষেক ম্যাচেই ইতিহাস গড়লেন বাহাতি পেসার আবুল হাসান রাজু। তবে রেকর্ডটি বোলিংয়ে নয় ব্যাটিংএ। ১০ নাম্বারে ব্যাট করতে নেমে অভিষেক ম্যাচে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি হাকালেন আবুল হাসান। বাংলাদেশের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করেছেন রাজু। এর আগে অভিষেকে আমিনুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আশরাফুল সেঞ্চুরি করেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খুলনা টেস্টে রানে ১০০ রানে ব্যাট করছেন তিনি। আর টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে দশ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সেঞ্চুরি পেলেন এই ক্রিকেটার। তবে অভিষেক টেস্টে রাজুই প্রথম সেঞ্চুরিয়ান।
শাহাদাত হোসেনের বদলে খুলনায় জীবনের প্রথম টেস্ট খেলতে নামেন এর আগে দেশের হয়ে চারটি টি-টোয়েন্টি খেলা এই পেসার। দেশের ৬৫তম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট খেলতে নেমে ইতিহাস গড়েছেন তিনি। দশম উইকেটে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে নতুন পাটনারশীপ রেকর্ড গড়েছেন রাজু। এরা দু’জন নবম উইকেটে ১৭২ রানের জুটি গড়ে অবিচ্ছিন্ন রয়েছেন। এটি টেস্ট ক্রিকেটে নবম উইকেটে চতুর্থ সেরা জুটি। আর বাংলাদেশে প্রথম। এর আগে ভারতের বিপক্ষে চট্টগ্রামে মাশরাফি বিন মুর্তজা ও শাহাদাত ৭৪ রানের জুটি গড়েন। এই জুটির কল্যাণে খুলনা টেস্টে প্রথম দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় আট উইকেট হারিয়ে ৩৬৫ রান।
সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামে স্বাগতিকরা। ইনিংসের সূচনা থেকেই ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু হয়। শুরুতেই জুনায়েদ সিদ্দিকীর বদলে খেলতে নামা নাজিমুদ্দিনের উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। নাজিমুদ্দিন ব্যক্তিগত ৪ রান করে দলীয় ৫ রানে এডওয়ার্ডের বলে আউট হন। এরপর দলীয় ৬৪ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। শাহরিয়ার নাফীস ২৬ রান করে স্যামির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। দলীয় ৭৭ রানে তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের। ব্যক্তিগত ৩২ রান করে স্যামির বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে যান ওপেনার তামিম ইকবাল। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান নাঈম ইসলামও বেশিদূর এগুতে পারেননি। ১৬ রান করে এডওয়ার্ডের বলে বোল্ড হয়ে যান। বিশ্বের অন্যতম অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও হতাশ করেন। ১৬ রান করে তিনি সাজঘরে ফেরেন। অধিনায়ক মুশফিকও ৩৮ রান করে এডওয়ার্ডসের শিকারে পরিণত হন।