Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone
শেখ হাসিনা
আসুন আমরা এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করি
খালেদা জিয়া
আমি বিশ্বাস করি ধর্য ছাড়া রাজনিতি সম্ভব নয়
১০ কোটির রেকর্ড স্পর্শ করলো মোবাইল সিম। অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি বছরে সিম বিক্রি হয়েছে রেকর্ড পরিমাণে। প্রায় সবগুলো অপারেটর মাত্র এক মাসেই কমপক্ষে ১০ লাখ গ্রাহক বাড়িয়েছে। প্রায় অপরিবর্তিত আছে রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটকের গ্রাহক। সমপ্রতি থ্রিজি সিস্টেমের কারণে গ্রাহকসংখ্যা দ্রুত বাড়বে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। উল্টো কমেছে দেশের সবচেয়ে পুরনো অপারেটর সিটিসেলের গ্রাহক। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি সমপ্রতি তাদের এক হিসাবে দেখিয়েছে অতীতের যে কোন মাসের তুলনায় গত সেপ্টেম্বরে মোবাইল ফোনের সিম সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে। এ সময়ে গ্রাহক বেড়েছে ২৯ লাখ ৩৮ হাজার জন। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাওয়া রেকর্ড অনুযায়ী গ্রাহক বৃদ্ধির এ সংখ্যা অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১১ সালের ডিসেম্বরে একবার ২০ লাখ ২৪ হাজার গ্রাহক বৃদ্ধি পেয়েছিল। বিটিআরসি ২০০৭ সালের মে থেকে ছয় মোবাইল ফোন অপারেটরের মাসওয়ারী গ্রাহক সংখ্যার হিসাব প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে দেশে মোবাইল সিমের সংখ্যা ৯ কোটি ৮৪ লাখ ৬৬ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এর আগের মাস আগস্টে এর পরিমাণ ছিল ৯ কোটি ৫৫ লাখ ২৮ হাজার। সংশ্লিষ্টরা জানান, অক্টোবর ও নভেম্বর মিলে ওই সংখ্যা ১০ কোটির রেকর্ড স্পর্শ করেছে। বিটিআরসির হিসাবে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক বৃদ্ধি পেয়েছে গ্রামীণফোনের। এ সময়ে তারা ১১ লাখ ৫১ হাজার গ্রাহক বাড়িয়েছে। বাংলালিংক একই সময়ে বাড়িয়েছে ১০ লাখ ৩২ হাজার গ্রাহক। তৃতীয় গ্রাহকসেবা অপারেটর রবির গ্রাহক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৫৭ হাজার। সেখানে এয়ারটেল বাড়িয়েছে এক লাখ তিন হাজার গ্রাহক। সেপ্টেম্বরে এত বেশি গ্রাহক বাড়লেও আগস্টে ছয় অপারেটর মিলে গ্রাহক বাড়াতে পেরেছিল মাত্র ৮ লাখ ১৪ হাজার। সে তুলনায় সেপ্টেম্বরে এসে সাড়ে তিন গুণ গ্রাহক বেড়েছে। এর আগে জুলাই মাসে গ্রাহক বৃদ্ধি পায় ৯ লাখ ২৬ হাজার। সংশ্লিষ্টরা জানান, মোবাইল সিম ১০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করলেও মূল গ্রাহক আরও কম। এ সংখ্যা কমপক্ষে ৮ কোটি হতে পারে। ওদিকে সমপ্রতি রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিফোন অপারেটর থ্রিজি সিস্টেম চালু করায় গ্রাহকদের আগ্রহ বাড়ছে। একই সঙ্গে সিম বিক্রির পরিমাণও বেড়ে চলেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ৯শ’ টাকা মূল্যের থ্রিজি সংযোগ দিয়ে অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে ইন্টারনেট ব্যবহারসহ ভিডিও কল করা, মোবাইল ফোনে টেলিভিশন দেখা, ভিডিও স্ট্রিমিং, রিয়েল টাইম গেমিং, অডিও ভিডিও চ্যাটিং সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী হবে। প্রথম পর্যায়ে ১২ থেকে ১৫ হাজার নতুন সিম বিক্রি করা হবে। এখন পর্যন্ত নেটওয়ার্ক তৈরির কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় সীমিত সংখ্যায় সিম বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছে। গ্রাহকরা এখন কেবল রাজধানীতে থ্রিজি সেবা পাবেন। পর্যায়ক্রমে ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম ও জানুয়ারিতে সিলেটে থ্রিজি সেবা দেয়া হবে। টেলিটক আশা করছে, প্রাথমিক পর্যায়ে রাজধানীর চার লাখ গ্রাহক পাবেন এ সেবা। টেলিটক জানিয়েছে, ভিডিও কলের দাম একটু বেশি হলেও ব্যান্ডউইথ বিকোবে পানির দামে। ৫১২ কিলোবাইট গতির ১০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ বান্ডেলের দাম এক হাজার টাকা। ভিডিও এবং ভয়েস কল দু’টির সঙ্গেই থাকছে দশ সেকেন্ডের পালস। তারা জানায়, এত কম দামে এশিয়ার কোথাও ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ বিক্রি হয় না। গ্রাহক বাড়লে তারা আরও কমে ব্যান্ডউইথ বিক্রি করবেন।
syful
November 11, 2012 at 11:32 pm
i think its like as that one used more than 5 sim cards and this is a result of this.<a href="facebook.com </a
[WORDPRESS HASHCASH] The poster sent us '0 which is not a hashcash value.