Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone
শেখ হাসিনা
আসুন আমরা এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করি
খালেদা জিয়া
আমি বিশ্বাস করি ধর্য ছাড়া রাজনিতি সম্ভব নয়
রিচার্জ নিয়ে মোবাইল ফোনের গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে। রিটেইলারদের দোকানে দোকানে গিয়েও টাকা রিচার্জ করা যাচ্ছে না। কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে রিটেইলাররা দোকান বন্ধ রেখে আন্দোলনে নামায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করতে পারছেন না। রিচার্জকারীরা টাকা রিচার্জ করছেন না এমনকি কেউ কার্ডও বিক্রি করছেন না। কেউ কিনতে গেলে বলছেন কার্ড নেই। কার্ড শেষ। টাকা রিচার্জ না করতে পারলেও তারা স্ক্র্যাচ কার্ড কিনে টাকা ভরবেন সেটাও অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হচ্ছে না। মোবাইল ফোনের রিটেইলারদের দাবি না মানলে ১৩ই অক্টোবর থেকে রিচার্জ না করার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তারা। মোবাইল ফোনের টাকা রিটেইলারদের দাবি, তাদের কমিশন বাড়াতে হবে। এখন তারা ১০০০ টাকা রিচার্জ করলে পান ২৭ টাকা। তাদের দাবি, এখন তাদের দিতে হবে প্রতি হাজারে ১০০ টাকা। কিন্তু মোবাইল ফোন অপারেটর ও ডিস্ট্রিবিউটররা এখনও এতে রাজি হননি। মোবাইল ফোন অপারেটররা বলছেন, এটি তাদের দেয়ার কথা নয়। এটা ডিস্ট্রিবিউটর ও রিটেইলারদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তারা আলোচনা করে সমাধান করে নেবেন। অপারেটররা ডিস্ট্রিবিউটরদের কমিশন দেন। তাদের কাছ থেকে রিটেইলাররা ফ্ল্যাক্সি কিনে নেন। রিটেইলাররা মনে করছেন অপারেটররা তাদের কমিশন দেবেন। আর অপারেটররা বলছেন, কমিশন দেবেন ডিস্ট্রিবিউটররা। সূত্র জানায়, কমিশন বাড়ানো ছাড়া আরও দাবি আছে তাদের। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- এসোসিয়েশনের মাধ্যমে নতুন সিম দেয়া, টাকা রিচার্জ করতে গিয়ে অনেক সময় একটি-দু’টি ডিজিট কোন কারণে ভুল হলে তখন টাকাটা ভুল নম্বরেই রিচার্জ হয়ে যায়। তাদের দাবি, ভুল নম্বরে টাকা রিচার্জ করার পর তা যেন কোম্পানি ফেরতের ব্যবস্থা করে। অনেকেই আছেন অনুমোদন ছাড়াই টাকা রিচার্জ করছেন। তাদের দাবি, রিচার্জ ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের রিচার্জের সিম দেয়া। রিচার্জের সিমের বাধ্যতামূলক জামানত বন্ধ করা। আন্দোলনরত মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী এসোসিয়েশন বলেছে, ১৩ই অক্টোবরের মধ্যে দাবি মানা না হলে তারা আর কোন মোবাইল ফোনের রিচার্জ করবেন না। এখন অল্প-বিস্তর হলেও তখন তা-ও হবে না। অনির্দিষ্টকালের জন্য রিচার্জ বন্ধ করে দেয়া হবে। এ কারণে প্রিপেইড ফোনের গ্রাহকদের অনেকেই আগেভাগে টাকা রিচার্জের চেষ্টা করছেন। এদিকে এ ধরনের সমস্যার কথা বিবেচনা করে মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের কাস্টমার কেয়ারে টাকা জমা দেয়ার সুযোগ দিচ্ছেন। সেখান থেকে স্ক্র্যাচ কার্ড কেনারও সুযোগ রয়েছে। তবে কাস্টমার কেয়ারের সংখ্যা কম ও কাছাকাছি না হওয়ায় এটি সবার জন্য সহজ হচ্ছে না। রিচার্জের ক্ষেত্রে দশ টাকাও রিচার্জ করা হয়। কিন্তু কাস্টমার কেয়ারে ওই পরিমাণ টাকা জমা নেয়া হয় না। কোন কোম্পানির ২০ টাকার নিচে কোন স্ক্র্যাচ কার্ড নেই।
MONIR HOSSAIN
October 11, 2012 at 9:17 pm
ইদানিং ফ্লেক্সী ব্যবসায়ীরা প্রতি রিচারজে ২ টাকা করে বেশি নিচ্ছে। আজকে আমি ২ টাকা বেশি দিতে বাধ্য হয়েছি। অনেকেই দেখলাম ফ্লেক্সী ওয়ালার সাথে কথা কাটাকাটি করছে। মূলকথা, কমিশন নিয়ে হইচই করে ঝামেলা করছে, এখন যন্ত্রনা ভোগ করছে সাধারন গ্রাহক। যা অপারেটর দের চোখে পরছে না। এ ভাবে চলতে থাকলে, সাধারন মানুষ মোবাইল ব্যভার করতে পারবেনা। তাই যথাশীগ্র ব্যবস্থা গ্রহন করলে ভাল হয়।
[WORDPRESS HASHCASH] The poster sent us ’0 which is not a hashcash value.