Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

পররাষ্ট্র দপ্তরে নোটিশ, দালাল ও প্রতারক চক্র থেকে সাবধান!

অবশেষে টনক নড়ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। দালাল ও প্রতারক চক্রের খোঁজে জোরেশোরে অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযানের অংশ হিসাবে পররাষ্ট্র ভবনের প্রবেশদ্বার ও অভ্যন্তরীণ দেয়ালগুলোতে সতর্কতামূলক নোটিশ টাঙানো হয়েছে। যাতে লেখা রয়েছে- ‘দালাল ও প্রতারক চক্র থেকে সাবধান! বিনা টাকায় আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সত্যায়িত করে নিন, প্রতারকদের ধরিয়ে দিন, আদেশক্রমে- কর্তৃপক্ষ।’ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন উইংয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছে, সমপ্রতি ভুয়া জিও লেটার দেখিয়ে অফিসিয়াল পাসপোর্ট ও নোটভারবাল সংগ্রহ করে আমেরিকার ভিসা নিয়ে দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নেয়া দুই প্রতারকের অভিনব প্রতারণার ঘটনা ফাঁসের পর এ অভিযান শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দালাল ও প্রতারকদের থাবা ছিল, এখনও আছে। ওই দুষ্ট চক্রের সঙ্গে যোগসাজশ রয়েছে মন্ত্রণালয়ের আসাধু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর। তারা মিলেমিশে দীর্ঘ দিন ধরে এ বাণিজ্য করে আসছে। বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সত্যায়িত করা, সহজে ভিসা প্রাপ্তির জন্য পররাষ্ট্র দপ্তরের সুপারিশ সংবলিত চিঠি-এলওআই বা নোটভারবাল ইস্যুতে মোটা অঙ্কের অর্থ ভাগবাটোয়ারার অভিযোগ অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। এর সঙ্গে আছে রাজনৈতিক বিবেচনা, তদবির-চাপ।  কর্মকর্তারা ঘরোয়া আলোচনায় কনস্যুলার উইংকেন্দ্রিক নানামুখী বাণিজ্যের কথা স্বীকার করলেও তার প্রতিকার বা প্রতিরোধে কোন উদ্যোগ এতদিন দৃশ্যমান ছিল না। সূত্র জানিয়েছে, প্রতারক ও দালাল চক্রের অভিনব প্রতারণা নিয়ে মানবজমিনে একাধিক রিপোর্ট প্রকাশ হলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। প্রতারণা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কনস্যুলার উইং ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক হয়। সিদ্ধান্ত হয় পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে নোটভারবাল ও এলওআই ইস্যু না করার। সতর্ক করা হয় সত্যায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। ডকুমেন্ট সত্যায়নে নির্ধারিত সময়ের পরে আসা ব্যক্তিরা যাতে দালাল চক্রের হাতে না পরে এজন্য প্রয়োজনীয় মনিটরিং জোরদার করার। প্রশাসন উইংয়ের এক কর্মকর্তা গতকাল মানবজমিনকে বলেন, কেবল প্রবেশদ্বারই নয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমানা দেয়ালের আশপাশে যাতে কোন দালাল বা প্রতারক ভিড়তে না পারে এজন্য সিসিটিভি স্থাপনসহ দীর্ঘমেয়াদি বেশ কিছু পরিকল্পনাও নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মনিটরিং ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিগগির এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে বলে জানান প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট