Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

যমুনা ফিউচার পার্কের উদ্বোধন শিগগির

জাতীয় অর্থনীতির অফুরন্ত সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম সর্বাধুনিক শপিং মল ‘যমুনা ফিউচার পার্ক’ শিগগিরই উদ্বোধন হচ্ছে। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে শপিং মলের স্পেস ভাড়ার কার্যক্রম। কয়েক বছরের অবিরাম পথ পরিক্রমায়-এর নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ। এখন চলছে ফিনিশিং। আগামী মাসেই বাণিজ্যিক স্পেসগুলো দোকানদারদের কাছে ইন্টেরিওর ডেকোরেশনের জন্য হস্তান্তর করা হবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই দৃষ্টি নন্দন এ ভবনটি সারা পৃথিবীর সেরা স্থাপত্যের তালিকায় স্থান করে নিতে চলেছে। রাজধানীর ঢাকার বারিধারা ডিপ্লোমেটিক এলাকার সুপ্রশস্ত প্রগতি সরণি সংলগ্ন ১২০ বিঘা জমির ওপর যমুনা ফিউচার পার্ক কমপ্লেক্স। এখানে ৩৩ বিঘা জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে রাজউক অনুমোদিত যমুনা ফিউচার পার্ক শপিং মল। বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড-বিএনবিসি অনুসরণে নির্মিত ভবনটি রিখটার স্কেলে সাড়ে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প প্রতিরোধে সক্ষম। ভবনটি নির্মাণকালে সব ধরনের সতর্কতা নিয়মাবলী যথাযথভাবে পালন করা হয়েছে। ব্যবহার করা হয়েছে গুণগতমানের সবচাইতে ভাল ও মজবুত নির্মাণ সামগ্রী। শপিং মলের চারদিকে থাকছে নিজস্ব ৬০-৮০ ফুট প্রশস্ত রিংরোড। পুরো ভবনটিকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করতে এর চারদিকে বিশাল এলাকা নিয়ে ল্যান্ডস্কেপিং করা হয়েছে। মানুষের আকর্ষণ বাড়াতে এই খালি জায়গায় বিনোদনের জন্য এ যাবৎকালে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ থ্রিলিং রাইড নিয়ে থিমপার্ক নির্মাণ করা হয়েছে। ভবনের সামনে থাকছে অভ্যন্তরীণ রাস্তা ও ফ্লাইওভার। আর এটা করার জন্য বিশ্বের বেশ কিছু নামকরা শপিং মলের ভাল দিকগুলোর সন্নিবেশ করা হয়েছে এখানে। ফিউচার পার্ক মূল ভবনের চারদিক খোলা থাকবে। চারদিক থেকে ভেতরে প্রবেশ করা যাবে। এজন্য নয়টি পথ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ যমুনা ফিউচার পার্কের কোন ‘সামনের দিক’ পেছনের দিক বলতে কিছু নেই। ক্রেতাদের আরামপ্রদ ও স্বস্তিদায়ক চলাচলের জন্য রয়েছে ১১৮টি এসকেলেটর, ৩৪টি লিফট এবং তিন জোড়া কনভেয়র বেল্ট। প্রচণ্ড গরমে প্রাণ যখন ওষ্ঠাগত তখন যমুনা ফিউচার পার্কে প্রবেশ করা মাত্রই শরীরে শীতের হিমেল পরশ পাওয়া যাবে। এজন্য শপিং মলে ১৮ হাজার ৫০০ টনের কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। দেশী-বিদেশী নামকরা সব ব্র্যান্ডের অনন্য প্লাটফর্ম হবে যমুনা ফিউচার পার্ক। দেশীয় জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলো ইতিমধ্যে যমুনা ফিউচার পার্কে তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। বহু বিদেশী ব্র্যান্ডের কোম্পানি বুকিং দিয়ে রেখেছে। পাশাপাশি যমুনা গ্রুপও বিভিন্ন দেশে এজেন্ট নিয়োগের মাধ্যমে বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোকে যমুনা ফিউচার পার্কে আসতে উদ্বুদ্ধ করছে। যমুনা ফিউচার পার্কের ভেতরে কেনাকাটার পাশাপাশি বিনোদনেরও ব্যবস্থা রয়েছে। মানুষ এখানে এসে মুক্ত মনে চলাফেরা করতে পারবে। এখানে থাকছে সাতটি সিনেমা হল নিয়ে একটি সিনেপ্লেক্স, তিন হাজার লোকের ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক মানের ফুডকোট, আড়াই হাজার ছেলেমেয়েদের ধারণ ক্ষমতার ইনডোর চিল্ড্রেন পার্ক, দুই হাজার লোকের ধারণ ক্ষমতার জিমনেসিয়াম ও হেলথ ক্লাব, নারী-পুরুষের জন্য দু’টি সুইমিং পুল, এক হাজার লোকের ধারণ ক্ষমতার ব্যাংকুয়েট হল, সুপরিসর প্রদর্শনী কেন্দ্র, ২২ লাইনের বোলিং সেন্টার, সুপরিসর বিলিয়ার্ড সেন্টার, ক্যারায়োকি, মিউজিক্যাল কর্নার, পাঁচটি সুবিশাল অট্রিয়ামে নিয়মিত ব্যান্ড শো ও মিউজিক্যাল ইত্যাদি। অট্রিয়াম ও সাতটি ভয়েড মলের মাধ্যমে শপিং মলের ভেতরে সূর্যালোকেরও উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। যমুনা ফিউচার পার্কে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় থাকছে সর্বাধুনিক স্বয়ংক্রিয় ফায়ার ডিটেকশন অ্যান্ড প্রটেকশন সিস্টেম। এখানে স্থাপিত স্মোক কার্টার ধোঁয়া টেনে ভবনের বাইরে নিয়ে যাবে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার হাইড্রেন্ট অ্যান্ড সিপ্রংলার্স সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করবে। দুর্যোগকালে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য প্রতিটি ফ্লোরে রয়েছে ১৪টি পয়েন্টে নির্গমন দরোজা ও সিঁড়ি। অগ্নিনির্বাপণের জন্য থাকবে প্রচুর সংরক্ষিত পানির ব্যবস্থা। ফিউচার পার্কের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে তিনটি ধাপে। এ ধাপগুলোর মধ্যে রয়েছে- শপিং মলের চারদিকে অটোমেটিক সিকিউরিটি চেকিংয়ের ব্যবস্থা। সেন্ট্রাল মনিটরিং থেকে শ’ শ’ ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে শপিং মলের প্রতিটি স্থান দিন-রাত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এই নিরাপত্তা ব্যূহ ভেদ করে একটি ক্ষুদে পাখিও ফিউচার পার্কের ভেতর প্রবেশ করতে পারবে না। যানজট এড়াতে অদূর ভবিষ্যতে ঢাকা শহরের প্রধান সড়কের পাশের দোকান বা মার্কেটগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। তখন যেসব মার্কেটের নিজস্ব পার্কিং থাকবে সেগুলোই হবে ক্রেতাদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। এদিক দিয়ে যমুনা ফিউচার পার্ক হবে একমাত্র প্রধান শপিং মল। যেখানে এক সঙ্গে প্রায় পাঁচ হাজার গাড়ি রাখার সুবন্দোবস্ত রয়েছে। এখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কমপ্লেক্সের ভেতরই ৪৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। নিজস্ব গভীর নলকূপ থাকবে বলে কখনই পানির অভাব থাকবে না। বরং উত্তোলিত পানি শোধনাগারের মাধ্যমে আরও বিশুদ্ধ করে প্রতিটি ফ্লোরে ঠাণ্ডা ও গরম পানি সরবরাহ করা হবে।
যমুনা ফিউচার পার্কের গুরুত্ব ও সৌন্দর্য বাড়াতে একটি আন্তর্জাতিক মানের ফাইভ স্টার চেইন হোটেল। শপিং মলের সৌন্দর্যের জন্য প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রেখে প্রগতি সরণির ধারে নির্মিত হচ্ছে হোটেল ভবনটি। এতে রুম থাকবে প্রায় ৭০০টি। এছাড়া শপিং মলের উত্তর দিকে ফাইভ স্টার সুবিধা সংবলিত ৩৮৩টি বিলাসবহুল এপার্টমেন্ট নিয়ে একটি কন্ডোমিনিয়াম নির্মিত হচ্ছে। এছাড়া ফিউচার পার্ক কমপ্লেক্সে আরও থাকছে একটি বাণিজ্যিক অফিস ভবন, যমুনা টেলিভিশন ভবন, দৈনিক যুগান্তর ভবন ও একটি কেন্দ্রীয় মসজিদ ভবন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


One Response to যমুনা ফিউচার পার্কের উদ্বোধন শিগগির

  1. mahabur rahman

    October 10, 2012 at 10:31 pm

    show tHe world we can do

    [WORDPRESS HASHCASH] The poster sent us ’0 which is not a hashcash value.