Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘অনির্বাচিত ব্যক্তিকে দিয়ে কোন সরকার নয়’

 প্রয়োজনে নির্বাচনকালীন সরকার প্রধান হওয়ার বিষয়ে বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হক আগ্রহ প্রকাশ করলেও তার প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অনির্বাচিত ব্যক্তিকে দিয়ে কোন সরকার হবে না।  রোববার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সময় আজ সকালে নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনে অনুষ্ঠিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
শনিবার এক অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার রফিক উল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, প্রয়োজন হলে তিনি নির্বাচনকালীন সরকার প্রধান হতে রাজি। এছাড়া প্রধান দুই দলের নেত্রীর মধ্যে সংলাপ এর উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানান তিনি। ওই দিন রাতে তিনি বিরোধী দলের নেতা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার গুলশানের বাসায় দুই ঘণ্টা বৈঠক করেন।
মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিক উল হকের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, সা¤প্রতিক সময়ে তিনি অন্তত তিনটি সমাবেশে বেগম জিয়াকে ‘আমার চেয়ারপার্সন’, ‘আমাদের চেয়ারপার্সন’ বলে সম্বোধন করেছেন।
বাংলাদেশের পরবর্তী নির্বাচন বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্যান্য সংসদীয় গণতন্ত্রে যেভাবে নির্বাচন হয় একই প্রক্রিয়ায় জাতীয় সংসদের পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী নির্বাচন সকল রাজনৈতিক দল ও জনগণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রধান বিরোধী দল বিএনপি অবশ্যই নির্বাচনে আসবে। জনগণই তাদের ভোটের মালিক এবং তাদের ইচ্ছানুসারে পরবর্তী সরকার গঠিত হবে।
পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের দাবি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুশীল সমাজের যেসব সদস্য ২০০৬ সালের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হয়েছেন, তারাই এখন এই দুর্বল ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবনের পে কথা বলছেন। তিনি বলেন, পরিহাসের বিষয় যে, এখন তাদের কাছ থেকে অনেক নীতিকথা শুনতে হয়। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে বিএনপি নেতা বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, সে সময় তিনি বলেছিলেন ‘জনগণ তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায় না। তারা (জনগণ) তত্ত্বাবধায়ককে ধাওয়া করবে।’ কিন্তু এখন বেগম জিয়া তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনর্বহালের কথা বলছেন, যা তার ২০০৭ সালের অবস্থানের সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে সাংঘর্ষিক। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যাপারে আমাদের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে উপদেষ্টারা শপথ নেয়ার আগে বিচারপতি লতিফুর রহমানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ১৩ জন সচিবকে অপসারিত করেছিল। তখনকার মন্ত্রিপরিষদ সচিব বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার একজন জোরালো সমর্থক। তিনি সে সময় লতিফুর রহমানের একক ও স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেননি। কিন্তু এখন তিনি এ বিষয়ে আমাদেরকে অনেক পরামর্শ দিচ্ছেন।
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চায় না। কারণ এখনও তারা তত্ত্বাবধায়কের নির্যাতন ও ভয়াবহতার কথা ভুলতে পারেনি এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মূলত তত্ত্বাবধায়ক ইস্যু হচ্ছে দেশের কষ্টার্জিত গণতন্ত্রকে ষড়যন্ত্রের দিকে ঠেলে দেয়া। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এ্যাম্বাসেডর এ্যাট লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. আবদুল মোমেন ও প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট