Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘কাপাসিয়ার জনগণ সরকারকে লাল কার্ড দেখিয়েছে’

একদলীয় নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে কাপাসিয়ার জনগণ সরকারকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, কাপাসিয়ার পাতানো উপনির্বাচনে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রগুলোতে কোন লোক ছিল না। যতটুকু জেনেছে, সবমিলে আজকের নির্বাচনে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। এতে প্রমাণিত হয়, এ সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ওই এলাকার জনগণ বর্জন করেছে। এ অনাগ্রহের মাধ্যমে কাপাসিয়ার জনগন সরকারকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিয়েছে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ১৮ দলীয় জোট নেতাদের নামে দেয়া সব মামলা প্রত্যাহারে দাবিতে নয়াপল্টনে বিরোধী জোট আয়োজিত বিােভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা আগেই নির্বাচন বর্জন করেছিলাম। বলেছিলাম, এই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপে নির্বাচন হতে পারে না। আজকে তা প্রমাণিত হয়েছে। কাপাসিয়ার উপনির্বাচন আমরা আগেই বর্জন করেছি। স্বতন্ত্র প্রার্থী আফসারউদ্দীনও সংবাদ সম্মেলনে এ নির্বাচনকে ‘প্রহসন ও পাতানো’ আখ্যায়িত করে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, সোহেল তাজের বাবাকে মন্ত্রিসভা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুুর রহমান। তার চাচাকে মন্ত্রীত্ব থেকে তাড়িয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোহেল তাজকে তাড়াতে না পারলেও অপমান-অপদস্ত করেছেন। সুতরাং এ সরকার মানুষকে শ্রদ্ধা জানাতে জানে না। মির্জা আলমগীর বলেন, বর্তমান সরকারের আর্থিক ভিশন পুরণ হয়েছে। সুতরাং জনগণ তাদের পরবর্তী ভিশন আর পুরণ করতে দেবে না। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রসঙ্গে মির্জা আলমগীর বলেন, আমরা চাই এই বিচার হোক। কিন্তু তা হতে হবে ন্যায়বিচার। কোন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিচার নয়। আর মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হতে হলে যারা ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দিয়েছিল, আগে তাদের বিচার করতে হবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তাঁর ছেলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার এবং সব রাজবন্দীর মুক্তি দিতে হবে।
বিচারপতিদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিচারপতিদের বিরুদ্ধে এখন মানি লন্ডারিং এর অভিযোগ শুনতে হয়। এমন অভিযোগ এই প্রথম শুনলাম। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দুর্নীতিবাজ ও লুটপাটকারীদের এখন আর চোর বলবো না। আমরা এখন চোর ধরবো। সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে বড় যুদ্ধাপরাধী আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, বিচারপতিদের কাজ প্রবন্ধ লেখা নয়। আপনি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক স্বীকার করেন না। তার বিপে রায় দিয়েছেন। যিনি জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বলবেন না তিনি সবচে বড় যুদ্ধাপরাধী। ঢাকা মহানগর বিএনপির আহবায়ক সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে সমাবেশে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, বিজেপি মহাসচিব শামীম আল মামুন, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম বুলবুল, এলডিপির যুগ্ম-মহাসচিব শাহাদত হোসেন সেলিম, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট