Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

এপ্রিল-মে মাসে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর: পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে অক্টোবরে দরপত্র আহ্বান করা হবে। আর আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসে ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করা হবে।

সোমবার সচিবালয়ে এ কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বিশ্বব্যাংকসহ অন্য সহযোগী সংস্থাগুলোর কাছে সরকারের এই কর্মপরিকল্পনার কথা জানিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান মুহিত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমি যেভাবে হিসাব করেছি ফর ব্রিজ কনস্ট্রাকশন, বিশ্ব ব্যাংক ইতিমধ্যে এগ্রি করেছে। আরো কিছু টেন্ডার ডকুমেন্ট তাদের কাছে আছে। সেগুলো তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে।”

এদিকে, সেতু নির্মাণ প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ফিরে আসায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে এডিবি।

গত শুক্রবার পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বব্যাংক। সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রকল্পের জন্য ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি পুনর্বহালের ঘোষণা দেয় সংস্থাটি। বাংলাদেশ সরকারকে দেয়া চারটি শর্ত মেনে নেয়ার পরই বিশ্বব্যাংকে পরিচালনা বোর্ডের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির বিষয়ে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানায় বিশ্বব্যাংক।

৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতু নির্মাণে প্রকল্প ব্যয় ২৯০ কোটি মার্কিন ডলার ধরা হয়েছিল। এতে বিশ্বব্যাংকের ১২০ কোটি ডলার দেয়ার কথা ছিল। এছাড়া এর মধ্যে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ৬১.৫ কোটি, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ৪১.৫ কোটি এবং ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) ১৪ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার কথা ছিল। আর বাকি অর্থের যোগান দেয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সরকারের।

কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত বছরের অক্টোবর মাসে অর্থছাড় স্থগিত করে বিশ্বব্যাংক। আর এ বছরের ২৯ জুন ঋণচুক্তি বাতিল করে দেয়। সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ বা ছুটিসহ চারটি শর্ত পূরণ না হওয়ার কথা বলে চুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের ফিরিয়ে আনার অংশ হিসেবে শর্ত পূরণে পদত্যাগ করেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, ছুটিতে যান সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, প্রকল্পের ইন্টেগ্রিটি উপদেষ্টা মসিউর রহমানের ছুটিতে যাওয়ার খবরও প্রকাশ হয়। যদিও তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

এরপর সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করে বিশ্বব্যাংককে দেয়া চিঠি নিয়ে চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন যান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গওহর রিজভী। তিনি বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেয় সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংক ঋণ বাতিলের পরও ঋণদাতা দুই সংস্থা এডিবি ও জাইকা গত ৩১ জুলাই তাদের চুক্তির মেয়াদ ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ায়। তাদের ঋণচুক্তির মেয়াদ ৩১ জুলাই শেষ হওয়ার কথা ছিল। এরপর আবার গত ৩০ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় এডিবি আরো একমাস ও জাইকা ৩ সপ্তাহ মেয়াদ বাড়ায়। জাইকার বাড়ানো চুক্তির মেয়াদ ২১ সেপ্টেম্বর ও এডিবির মেয়াদ ৩১ সেপ্টেম্বর শেষ হবে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট