Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

খালেদাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত দিনাজপুর

দিনাজপুর, ২২ সেপ্টেম্বর: রোববার দিনাজপুরে আসছেন ১৮দলীয় জোটনেত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তাকে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে দিনাজপুর  ১৮দলীয় জোট নেতা-কর্মীরা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, অর্থনীতির বেহাল দশা, আইন-শৃঙ্খলার অবনতিসহ সরকারের নানা অনিয়ম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ১৮দলীয় জোটের মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিনাজপুরে ১৮দলীয় জোট আয়োজিত জনসভায় তিনি প্রধান অতিথির হিসেবে বক্তব্য দেবেন।

সমাবেশ সফল করতে ১৮ দলীয় জোটের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। দিনাজপুরের কন্যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিন পর দিনাজপুরে তার আগমনের এই কর্মসূচিকে ঘিরে জোটের নেতা-কর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে টান-টান উত্তেজনা। সমাবেশ উপলক্ষে গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে ইতোমধ্যেই তৈরি করা হয়েছে ৩২ফিট চওড়া আর ৫৪ফিট লম্বা বিশাল মঞ্চ। শুধু গোর-এ-শহীদ ময়দানে নয়, সারা দিনাজপুর জুড়েই চলছে সাজ সাজ রব। মাইকিংএ মুখরিত গোটা দিনাজপুর শহর।

চায়ের দোকান থেকে শুরু করে শহরের রাস্তা-ঘাট হাট-বাজার সবখানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু রোববারের জনসভা। কত লোক হবে, খালেদা কি ভাষণ দেবেন, কি কর্মসূচি দেবেন, সরকার পতনের ডাক দেবেন কিনা, ক্ষমতায় গেলে দিনাজপুরের কি উন্নয়ন করবেন এই সবই আলোচনার বিষয়স্তু।

সমাবেশকে কেন্দ্র করে এখন ব্যানার-পোস্টার, তোরণ আর বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে গোটা রংপুর বিভাগ। ১৮দলীয় জোটের সব দল ছাড়াও বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা নিজ নিজ পোস্টার, ব্যানার আর তোরণ রাস্তার মোড়ে-মোড়ে লাগিয়ে তার অবস্থান জানান দেয়ার চেষ্টা করছেন।

জনসভা সফল করতে ১৮ দলীয় জোট নেতারা গত কয়েকদিন ধরে নিয়মিত পথসভা, মতবিনিময় ও গণমিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন। এই জনসভায় দিনাজপুরসহ রংপুর বিভাগের সব জেলা থেকে জনসমাগম হবে। প্রায় পাঁচ লাখ লোকের সমাগম ঘটবে বলে দলীয় নেতারা মনে করছেন।

গত নির্বাচনের আগে এই মাঠে বেগম খালেদা জিয়া ভাষণ দিয়েছিলেন। এর পর দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন বছর পর খালেদা জিয়ার দিনাজপুর আগমন। মাসব্যাপী কর্মসূচির শুরুটাই দিনাজপুর থেকে। ইতোমধ্যে সমাবেশ সফল করতে কেন্দ্রীয় নেতারা দিনাজপুরে এসে অবস্থান নিয়েছেন।

এদিকে সমাবেশ উপলক্ষে বিএনপি নেতারা এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক সেনা প্রধান লে. জে. মাহবুবুর রহমান, রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবীব দুলু গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দিনাজপুরে অবস্থান করে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ করছেন।

গত বৃহস্পতিবার দিনাজপুরে এসেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু।

এছাড়া জেলা বিএনপির সভাপতি লুৎফর রহমান মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মুকুর চৌধুরীসহ সহযোগী ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সমাবেশ সফল করতে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন।

সমাবেশকে সফল করতে ১৮দলীয় জোটের শরীক দলগুলোও তাদের অবস্থান থেকে প্রচার-প্রচারণা মিছিল-মিটিং অব্যাহত রেখেছে। জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা জাগপার কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বেশ কয়েকদিন থেকে বৃহত্তর দিনাজপুর চষে বেড়াচ্ছেন।

জোটের অন্যতম শরীক দল জামায়াতে ইসলামী তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সঙ্গে নিয়ে সমাবেশ সফল করতে সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং, মাইকি পোস্টারিং চালিয়ে যাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার ১৮দলীয় জোটের শো-ডাউনে জামায়াত-শিবির ব্যাপক উপস্থিতির মাধ্যমে ইতোমধ্যেই দিনাজপুরবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

এদিকে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই জনসভা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ১৮ দলীয় জোট নেতারা। বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা, তত্বাবধায়ক ইস্যু, হলমার্ক কেলেঙ্কারিসহ সব মিলিয়ে এখান থেকেই সরকার পতনের কর্মসূচি ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট