Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সুযোগ পেলে বেঈমান শাহাবুদ্দিনের বিচার করবো: এরশাদ

ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, “দেশের সংবিধানের চর্তুদশ সংশোধনী করা হয়েছে ‘বেঈমান’  সাহাবুদ্দিনের জন্য। আমরা সুযোগ পেলে ওই সংশোধনী বাতিল করে তার বিচার করবো।” ত্রয়োদশ সংশোধনীর পূর্ণাঙ্গ রায় বাতিল হওয়াকে ‘ভালো কাজ’ বলেও উল্লেখ করেন এরশাদ।

 

সোমবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে ইমান্যুয়েল কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় পার্টির তারকা প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন দায়িত্ব নেয়ার পরপরই সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন নিপীড়ন শুরু হয়। এরশাদের মনোনয়নপত্রও বাতিল করে দেয় তার হাতে শপথ নেয়া অস্থায়ী সরকার।

 

জাতীয় পার্টির অভিযোগ, তিন জোটের কথা ছিল নির্বাচনে অংশগ্রহণে সব দলকে সমান সুযোগ দেয়া হবে। জাতীয় পার্টির বেলায় সেটি রক্ষা করা হয়নি। নির্বাচনের পূর্বমুহূর্তে সবদলের প্রধানকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেয়ার কথা থাকলেও এরশাদকে সে সুযোগ দেয়া হয়নি। পরবর্তী সময়ে এই বিচারপতি অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন নতুন সংসদে দাঁড়িয়ে একটি দলের দাবির মুখে এরশাদকে পাঠানো হয় নাজিমুদ্দিন রোডের বিশেষ কারাগারে।

 

সভায় সরকারের উদ্দেশ্যে এরশাদ বলেন, “দলীয় সরকারের অধীনে কিভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব সেই পন্থা বের করাই এখন বড় দায়িত্ব। যাতে নির্বাচন সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারলেই এই রায় (ত্রয়োদশ সংশোধনী) সফল হবে।”

 

সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায় গত রোববার রাতে চূড়ান্ত করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি থাকাকালে গত বছর ১০ মে তার নেতৃত্বে বিভাগের যে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ মৌখিক রায় দিয়েছিল, সেই অপর ছয় বিচারককে নিয়ে বর্তমান প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের কার্যালয়ে সন্ধ্যা থেকে দীর্ঘ বৈঠকের পর রোববার রাত দশটার কিছু পরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

 

তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার প্রবর্তক ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলে খায়রুলের মতের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন তিন বিচারক, বিপক্ষে তিন, চার বনাম তিন সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায় চূড়ান্ত হয়েছে।

 

প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এরশাদ বলেন, “অনেকে বলেন- জাতীয় পার্টির প্রার্থী সংকট রয়েছে। তাদের সে কথা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। কোনো আসনে দুই-তিন জন পর্যন্ত প্রার্থী রয়েছেন। আমরা এর আগে ১০৫টি আসনে প্রার্থী ডেকেছিলাম। আজকেও ১১০ জন উপস্থিত হয়েছেন।”

 

“তোমরা সম্ভাব্য প্রার্থী। ছয় মাস দল গোছানোর জন্য সময় থাকবে। এরপর মূল্যায়ন হবে। যারা দলকে সংগঠিত এবং এলাকায় ভোটের ইমেজ তৈরি করতে পারবে তাদেরই মনোনয়ন দেয়া হবে।” প্রার্থীদের উদ্দেশে বলেন এরশাদ।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট