Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘টিভি দিতে পারিনি বলে উনি চোর বলছেন’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ ও রাশেদ খান মেননকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, মন্ত্রিসভায় যোগদানের প্রস্তাব দেয়ার ক্ষেত্রে নিয়মের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি। আমরা এর আগে যখন ক্ষমতায় ছিলাম তখন যেভাবে আহ্বান জানিয়েছিলাম এবারও সেভাবে আহ্বান জানিয়েছি। কে মন্ত্রিত্ব নেবেন আর কে নেবেন না এটি তাদের বিষয়। গতকাল সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রবীণ দুই নেতার নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, আমাদের দু’জন নেতা মন্ত্রিত্ব নিতে চাননি। একজনের অভিযোগ ‘প্রপারলি’ ডাকা হয় নাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আই কে গুজরালের আত্মজীবনী ‘ম্যাটারস অব ডিসকারশন’ থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ইন্ডিয়া সভ্য দেশ কিনা জানি না। তবে গুজরাল মন্ত্রী হয়েছিলেন ক্যাবিনেট থেকে ফোন পেয়েই। কেবিনেট ডিভিশন থেকেই তাকে ফোন করা হয়েছিল। পৃথিবীর কোন সভ্য দেশে এভাবে ফোন দিয়ে মন্ত্রিত্ব গ্রহণের প্রস্তাব দেয়া হয় না’- রাশেদ খান মেননের এই বক্তব্যের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, উনি কোথা থেকে পেলেন, আমার জানা নেই। ২০০৯ সালে মন্ত্রিসভা গঠনের সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই নেতাকে ২০০৯ সালে যখন অনেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন আপনি মন্ত্রী হচ্ছেন কি না? তখন তিনি বলেছিলেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের ফোন এখনও পাইনি। চাইলে আপনারা সে সময়ের পত্রিকা দেখে নিতে পারেন। সুতরাং মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করা না করা উনার ব্যাপার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের তো অনেক সংসদ সদস্য। সবাইকে তো আর মন্ত্রী করা সম্ভব না। আমরা চেষ্টা করছি রিসাফল করতে। তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর থেকে আমরা দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করছি। জঙ্গিবাদ, বাংলাভাই থেকে বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছি। এটা কিন্তু সহজ কাজ নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাড়ে তিন বছরে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করেছি। মঙ্গার মধ্যেও খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়েছি। আমরা দেশের জন্য পুরস্কার বয়ে এনেছি। দলকে শক্তিশালী করতে নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটায় শুরু হওয়া বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক সূত্র জানায়, মন্ত্রিসভার রদবদল, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর কাউন্সিল প্রক্রিয়া শেষ করা, দলের তৃণমূলের কাউন্সিল ও সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাইভেট সেক্টরে আমরাই প্রথম  টেলিভিশন দিই। এতে অনেকের কর্মসংস্থান হয়েছে। শিল্পী কলাকুশলীদের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সেখানে বসে এমন এমন সব কথা বলা হয় যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাইকে টেলিভিশন দিতে পারিনি। সেজন্য অনেকে টকশো’তে বিভিন্নভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সরকারকে ‘চোর’ বলার জন্য অনুপ্রাণিত করেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমি সেই ব্যক্তিকে বলতে পারিনি টেলিভিশন করার এত টাকা তিনি কোথায় পেয়েছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘৯৬ সালে যখন সরকারে ছিলাম তখন অনেকের চেহারা দেখেছি। তারা আমাদের নির্দেশে কাজ করেছেন- এখন আমাদের পরামর্শ দিতে চাইছেন। তিনি বলেন, যারা এখন আমাদের পরামর্শ দিতে চাইছেন তাদের কাছে প্রশ্ন ২০০১ সালে নির্বাচনের পর যখন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীর ওপর নির্যাতন চলছিল তখন তারা কি করছিলেন? তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সরকারের লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের এবং উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট