Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

পদ্মা সেতু: উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে অনড় বিশ্ব ব্যাংক

ঢাকা, ২৪ আগস্ট: পদ্মা সেতুর দুর্নীতি তদন্তের অংশ হিসেবে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণকে যথেষ্ট মনে করছে না বিশ্ব ব্যাংক। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের কয়েকটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমান ও সেতু বিভাগের সাবেক সচিবকেও পদত্যাগ করতে হবে বলে অনড় অবস্থানে আছে বিশ্ব ব্যাংক। সেতু প্রকল্পটিতে প্রধান অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানটি মনে করে এরা সরকারি পদে থাকলে দুর্নীতি তদন্ত বাধাগ্রস্ত হবে।

প্রসঙ্গত, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে বাংলাদেশ সরকার সহযোগিতা করছে না জানিয়ে নিজেদের ১২০ কোটি ডলারের ঋণ বাতিল করে বিশ্বব্যাংক গত ২৯ জুন।

ইতোমধ্যেই বিশ্বব্যাংকের শর্ত মেনে আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ অভিযোগের তদ্ন্ত করতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকও সই করতেও রাজি হয়েছে সরকার। যেই দুইটি শর্তকে এর আগে ‘অসম্মানজনক’ ও দুদকের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক মর্মে প্রত্যাখান করেছিল সরকার।

এছাড়া বিশ্বব্যাংকের চতুর্থ শর্ত; তদন্ত চলাকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া- এর অংশ হিসেবে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীকে সরিয়ে দেয়া হলেও এখনো বাকি আছেন দুজন। এদের একজন; সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভুইয়া’র ব্যাপারে আংশিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তাকে এ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষে’র চেয়ারম্যান পদে দেয়া হয়েছে। যে কারণে বিশ্ব ব্যাংক মনে করছে, সরকারি দায়িত্বে না রাখার শর্ত পালিত হয় নি।

এছাড়া বিশ্বব্যাংকের সন্দেহের তালিকায় আছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টাও। ইআরডি’র সূত্রগুলোতে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের এ সন্দেহের কথা গত ২৬ জুলাই অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সঙ্গে সাক্ষাত করে জানিয়েছেন জাইকা’র ঢাকাস্থ প্রতিনিধি কেই তোয়ামা।

এদিকে সেতু প্রকল্পে বাতিলকৃত ঋণ চুক্তি পুনর্বিবেচনা করাতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ‘আলোচনা অব্যাহত রয়েছে’- বুধবার এ তথ্য জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চলমান অচলাবস্থার ‘সুরাহা’র জন্য সরকারের হাতে আর মাত্র ৭/৮ দিন সময় রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাংক ঋণচুক্তি পুনর্বহাল না করলেও অপর দুই অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান তাদের চুক্তির মেয়াদ আর বাড়াবে না। ফলে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার অর্থায়নে সেতু প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না সরকারের পক্ষে।

প্রধান অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাংক চুক্তি বাতিল করলে অপর দুই অর্থায়নকারী এডিবি (এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) ও জাইকা (জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি) তাদের ঋণের চুক্তির মেয়াদ একমাস বাড়িয়েছিল গত মাসে। আগামী ৩১ আগস্ট তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। এ সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাংক যদি তার ঋণচুক্তি পুনর্বহাল না করে তবে নিজেদের চুক্তির মেয়াদও বাড়াবে না এডিবি ও জাইকা।

ফলে দুর্নীতি তদন্তে বিশ্বব্যাংকের কাছে নিজেদের আন্তরিকতা প্রমাণে যা করার তা এ সময়ের মধ্যেই করতে হবে সরকারকে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


One Response to পদ্মা সেতু: উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে অনড় বিশ্ব ব্যাংক

  1. adv.sohel hosen

    August 27, 2012 at 10:06 pm

    sob kisur todonto hote dekhi but result jonogon khokhono e jante pare na. ekta somoy arekta durnitir karone chapa pore jai.atai ki niom?