Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সাগর-রুনিকে হত্যায় একাধিক ব্যক্তি অংশ নেয়: র‌্যাব

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যাকান্ডে একাধিক ব্যক্তি অংশ নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে র‌্যাব। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও সংগ্রহ করা আলামত পরীক্ষা করে এমনটি নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন, র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম বিষয়ক পরিচালক কমান্ডার এম সোহায়েল। বিকালে র‌্যাব সদরদপ্তরে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের একটি পরীক্ষাগারে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি ও মেহেরুন রুনির টি শার্টের পরীক্ষার পর একাধিক ব্যক্তির ডিএনএ সনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে রুনির টি শার্ট থেকে একজনের ডিএনএ সনাক্ত হয়েছে। এছাড়া দুটি ছুরির একটিতে চারজনের আঙ্গুলের ছাপ এবং অন্যটিতে একাধিক ব্যক্তির হাতের ছাপ পরীক্ষায় ধরা পড়েছে।
সোহায়েল জানান, এই পরীক্ষার প্রতিবেদন থেকে স্পষ্ট হয়েছে হত্যাকান্ডে একাধিক ব্যক্তি অংশ নেয়। তিনি বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে আলামত পরীক্ষার পূর্নাঙ্গ প্রতিবেদন হাতে আসলে এই ঘটনার তদন্তে বড় ধরনের অগ্রগতি হবে।
র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, পরীক্ষার জন্য গতমাসেও কিছু আলামত যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রুনির চুল, টিস্যু এবং সাগরের রক্তমাখা জামা রয়েছে।
সাগর সরওয়ার ও ছেলে মেঘের ডিএনএও পরীক্ষা চলছে যুক্তরাষ্ট্রের ফোকল্যান্ডের ফরেনসিক ও ডিএনএ ল্যাবে।
র‌্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশির ভাগ নমুনাতেই একাধিক ব্যক্তির ছাপ রয়েছে। এর মধ্যে রুনির টি-শার্ট থেকে একজনের পূর্ণাঙ্গ প্রোফাইল পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের সময় ধস্তাধস্তি করতে গিয়ে রুনির টি-শার্টে ওই ব্যক্তির চুল ও হাতের ছাপ লাগে বলেও তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তারা জানিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ ডিএনএ প্রতিবেদন হাতে পাওয়া গেলে মামলা তদন্তে এবং অপরাধী সনাক্তে নতুন গতি আসবে।
হত্যাকান্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য দুই দফায় যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। এরপর গত ১২ই জুন প্রথম দফায় পাঠানো হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি, ছুরির বাঁট, সাগরের মোজা, পরনের প্যান্ট, রুনির পরনের প্যান্ট ।
গত ১৭ই জুলাই দ্বিতীয় দফায় পাঠানো হয় হত্যাকাণ্ডের সময় যে কাপড় দিয়ে সাগরের হাত ও পা বাঁধা হয়েছিল, সেই কাপড় এবং রুনির টি-শার্ট।
উল্লেখ্য, গত ১১ই ফেব্রুয়ারি পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় নির্মমভাবে খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি। ঘটনার সময় তাদের শিশু সন্তান মেঘও বাসায় ছিল। ঘটনার পর সাগর রুনি হত্যা মামলা তদন্তের ভার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে ছিল। তিন মাসেও কোন কিনারা করতে না পারায় ডিবি তদন্তে নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ১৯শে মে র‌্যাব সাগর রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব নেয়। এরপর গত ২৬শে এপ্রিল ভিসেরা আলামতের জন্য লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। তবে তাদের শরীওে বিষক্রিয়ার কোন আলামত পাওয়া যায়নি।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট