Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

অর্থপাচার ঠেকাতে তৈরি হচ্ছে নতুন আয়কর আইন

অর্থপাচার ঠেকাতে জেল-জরিমানার বিধান রেখে নতুন আয়কর আইন করতে যাচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, এনবিআর এর একটি খসড়া তৈরির কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে। এনবিআরের কর বিভাগ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আসছে মাসের মধ্যেই খসড়াটি মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সভায় উত্থাপন করা হবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ জানান, নতুন আইনে অর্থ স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়ার কথা বলা হয়েছে। অর্থ পাচার ঠেকাতেই এ বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নতুন আয়কর আইনের খসড়াতে বেশকিছু নতুন ধারণা যোগ করা হয়েছে। মূল্য স্থানান্তর বা ট্রান্সফার প্রাইসিং প্রক্রিয়াকে আয়কর আইনের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আনা হবে। এ ছাড়া যে কোনো অর্থ স্থানান্তর বা পরিশোধকে আরও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনায় আনার পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়া সুদৃঢ় করা হবে। এ ধরনের অর্থ পাচার নিরুৎসাহিত করতে জেল-জরিমানার বিধান রাখা হবে নতুন আইনে। বাংলাদেশে ট্রান্সফার প্রাইসিং ও মানি লন্ডারিং ধারণাটি একেবারেই নতুন। তবে এশিয়ার ভারত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও চীন এ বিষয়ে কাজ করছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংবিধানের সপ্তম সংশোধনি বাতিল হওয়ার কারণে ১৯৮৪ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে পরিচালিত আয়কর আইন দিয়ে রাজস্ব সংগ্রহে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া গত বছরে অর্থনীতিতে নতুন অনেক বিষয় সংযুক্ত হয়েছে। ফলে পুরনো আয়কর আইন দিয়ে রাজস্ব আদায়ে ঝামেলা বেড়েই চলেছে। এ প্রেক্ষিতে নতুন আয়কর আইন তৈরি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে এনবিআর কর নীতি বিভাগের সদস্য সৈয়দ আমিনুল করিম বলেন, ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশ দিয়ে রাজস্ব সংগ্রহের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করা সম্ভব নয়। বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নতুন আয়কর আইনের খসড়া তৈরি হচ্ছে। আগামী অর্থবছর থেকে নতুন এই আয়কর আইন কার্যকর করা সম্ভব হবে।

গত ৮ আগস্ট নতুন আয়কর আইন তৈরি-সংক্রান্ত এক সভা এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এ আইনের খসড়া চূড়ান্ত করতে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একটি বৈঠক হবার কথা রয়েছে।

এদিকে, নতুন আইনে ই-পেমেন্ট বা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে কর পরিশোধকে আইনি ভিত্তি দেয়া হবে। যখন আয়কর অধ্যাদেশ করা হয়, তখন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে কর পরিশোধের সুযোগ ছিল না। এখন ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কর পরিশোধের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এসব প্রক্রিয়ায় যাতে কর ফাঁকি ঠেকানো যায়, সেজন্য নতুন আইনের আওতায় একটি বিধি তৈরি করা হবে। এ ছাড়া নতুন আইনের চূড়ান্ত খসড়ায় সম্পদ করকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বিদ্যমান আইনে প্রকৃত অর্থে সম্পদ কর আরোপের বিশেষ সুযোগ ছিল না। নতুন আইনে সম্পদ করকে আইনি ভিত্তি দেয়া হবে। কাদের ওপর সম্পদ কর আরোপ হবে, কী ধরনের সম্পদের ওপর আরোপ হবে এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা থাকবে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট