Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ৮ বছর

২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার আট বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। এই নারকীয় হামলায় আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী প্রাণ হারান। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শোভাযাত্রার আগে সমাবেশে ওই হামলা চালানো হয়।
হামলায় শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ওই হামলায় দলের তৎকালীন মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ অন্তত ২৪ জন নিহত ও শতাধিক আহত হন। দিবসটি উপলে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতারা মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন এবং দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নেবেন।
কয়েকজন তদন্ত কর্মকর্তার হাত ঘুরে ২০০৮ সালের ১১ই জুন সিআইডি কর্মকর্তা ফজলুল কবীর ২২ জনকে আসামি করে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে রাষ্ট্র্রপরে আবেদনে ২০০৯ সালের ৩রা আগস্ট আদালত অধিকতর তদন্তের আদেশ দেয়। এরপরই সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহহার আকন্দ মামলাটির অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পান।
২০১১ সালের ৩রা জুলাই তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ ৩০ জনকে আসামির তালিকায় যোগ করে সম্পূরক অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে সিআইডি।
মামলার মোট ৫২জন আসামির মধ্যে পুলিশের সাবেক তিন মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ আশরাফুল হুদা, শহুদুল হক ও খোদা বখশ চৌধুরী এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডির অবসরপ্রাপ্ত এএসপি আব্দুর রশিদ, অবসরপপ্রাপ্ত এএসপি মুন্সী আতিকুর রহমান, বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রুহুল আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
যা ঘটেছিল সেদিন: সেদিন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সন্ত্রাসবিরোধী শোভাযাত্রা হওয়ার কথা ছিল। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের মাঝখানে একটি ট্রাকে মঞ্চ তৈরি করা হয়। শোভাযাত্রার আগে সংপ্তি সমাবেশ হয়। বিকাল ৫টার কিছুণ আগে শেখ হাসিনা মঞ্চে যান। শেখ হাসিনা তার বক্তৃতা শেষ করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে শেষ করার আগেই পরপর দু’টি বিস্ফোরণের আওয়াজ হয়। এরপরই বিকট শব্দে গ্রেনেড বিষ্ফোরণ শুরু হয়। বিকট শব্দের মধ্যে কিছু গুলির আওয়াজও শোনা যায়। ব্যক্তিগত নিরাপত্তারী আর দলীয় নেতা-কর্মীরা নিজের প্রাণ তুচ্ছ করে মানববর্ম তৈরি করে আগলে রেখেছিলেন শেখ হাসিনাকে। তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে তার বুলেটপ্র“ফ গাড়িতে তুলে ধানমন্ডির সুধা সদনে নিয়ে যান। এদিকে একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণে রক্তে ভেসে যায় রাজপথ। রাজধানী জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।
যারা মারা যান: ২১শে আগস্টের হামলায় নিহত হন আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক বেগম আইভি রহমান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ সেন্টু, শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রী ল্যান্স কর্পোরাল (অব.) মাহবুবুর রশীদ, মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম (আদা চাচা), মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী সুফিয়া বেগম, মাদারীপুরের যুবলীগ নেতা লিটন মুন্সী ওরফে লিটু, নারায়ণগঞ্জের রতন সিকদার, মহানগর রিকশা শ্রমিক লীগ নেতা মো. হানিফ, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী হাসিনা মমতাজ রীনা, সরকারি কবি নজরুল ইসলাম কলেজের  ছাত্র মামুন মৃধা, ঢাকা মহানগর যুবলীগ নেতা বেলাল হোসেন, আমিনুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী আবদুল কুদ্দুস পাটোয়ারী, যুবলীগ নেতা আতিক সরকার, শ্রমিকলীগ কর্মী নাসির উদ্দিন সর্দার, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেত্রী রেজিয়া বেগম, আবুল কাসেম, জাহেদ আলী, মমিন আলী, যুবলীগ নেতা শামসুদ্দিন আবুল কালাম আজাদ এবং ইছহাক মিয়া।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট