Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

চরম হতাশায় বাজার মূলধন কমেছে ২২ হাজার কোটি টাকা

অর্থনৈতি রিপোর্টার: চরম হতাশায় মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বাজার মূলধন কমেছে ২২ হাজার কোটি টাকা। গেল সপ্তাহে সঙ্কট নিয়ে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেও উত্তরণের পথ দেখাতে পারেননি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এছাড়া সরকার ঘোষিত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভ্রান্তি কাটার পরও গত সপ্তাহে দরপতনের কারণ নিয়ে কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেননি এসইসি’র ওই বৈঠকে উপস্থিত বাজার সংশ্লিষ্টরা। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হতাশায় ডিএসই’র সাধারণ মূল্যসূচক ৪ হাজার পয়েন্টের নিচে এবং লেনদেন ৩ বছরের সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে। অন্যদিকে এ সপ্তাহের পাঁচ দিনে মোট মূলধনের ৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ হারায় ডিএসই। ২০১০ সালের পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের পর ঢাকা শেয়ারবাজারের মূলধন আর এ পর্যায়ে নামেনি।
জানা গেছে, গত মাসের শুরুতে শেয়ারবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিষেধাজ্ঞা এবং শেয়ারবাজারে সরকারি কর্মকর্তারা বিনিয়োগ করতে পারবে না এ মর্মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্র জারির পর থেকে (যদিও তা ওই দিনই প্রত্যাহার করা হয়) বাজার পতন প্রবণতায় ফিরে যায়। এ দু’টি প্রজ্ঞাপন নিয়ে বিভ্রান্তি কাটিয়ে না উঠতেই ঘোষিত নতুন মুদ্রানীতির ঘোরে পড়ে পুঁজিবাজার। কারণ মুদ্রানীতিতে অনুৎপাদনশীল খাতে টাকার সরবরাহ টেনে ধরা এবং বেসরকারি ব্যাংকে ঋণের প্রবাহ কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া পুঁজিবাজারের চলমান সঙ্কটকে কোন বিবেচনায় রাখা হয়নি। ফলে সব মিলিয়ে বাজারে সূচকের পতন লাগামহীন ছুটতে থাকে। কিন্তু পরে সরকারি চাকুরেদের নিয়ে জারি করা পরিপত্রটি প্রত্যাহারসহ বিনিয়োগকারীদের আন্দোলন বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি মেনে নেয়ার বিভিন্ন আশ্বাস আসে। ফলে গত সপ্তাহে বাজারে সূচকের গতি কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী আশা করেছিলেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু সপ্তাহের প্রথম দিন থেকেই আবারও পতন শুরু হয়। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাবেক সভাপতি ফখরুদ্দীন আলী আহমেদ বলেন, এ সপ্তাহে সূচক পতন অযৌক্তিক। পুঁজিবাজারের সবার পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। ফলে বাজার কেন পড়ছে এবং আর কত পড়বে তা বলা কঠিন হয়ে পড়েছে। এদিকে সঙ্কট কাটাতে গত সপ্তাহে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করে এসইসি। বৈঠকে গুজব তারল্য ও আস্থার সঙ্কটকেই প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এসব সমস্যা দূর করতে পুরানো ইস্যুগুলোকেই আবার নতুন করে সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানো, মার্চেন্ট ব্যাংকের সক্রিয়তা ও মূলধন বৃদ্ধি এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সক্রিয় ভূমিকা। কিন্তু চলমান সঙ্কট কাটাতে শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। এর পরও বাজারে পতন অব্যাহত থাকলেও এসইসি সঙ্কট নিরসনের কোন উপায় বের করতে পারেনি। অন্যদিকে সূচক যখন সাড়ে তিন হাজার পয়েন্টের দিকে ছুটছে তখন নতুন করে বিনিয়োগকারীদের আলোচনায় এসেছেন অর্থমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল। কারণ, গত বছরের ৮ই ফেব্রুয়ারি বাজার যখন ধসের মুখে তখন সূচক সাড়ে তিন হাজার পয়েন্টে যাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করে সমালোচনার ঝড় তোলেন তিনি। কিন্তু এক বছর পর তার সে মন্তব্যই এখন বাস্তবায়িত হচ্ছে। ফলে পুঁজিবাজারের এ অবস্থার জন্য সরকারের একটি মহলের পূর্ব পরিকল্পনা ছিল কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিনিয়োগকারীরা।
গত সপ্তহের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চার কার্যদিবসই সূচক কমে যায়। আর এক কার্যদিবস সূচক বাড়ে। গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে ডিএসইতে ৭৪২ পয়েন্ট সূচক কমে আর এক দিন সূচক বাড়ে ১০৩ পয়েন্ট। সার্বিকভাবে গত সপ্তাহে ডিএসইর সূচক ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বা ৬৪১ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৮৪৫ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএসই’র এ সূচক ২ বছর ২ মাস ১৮ কার্যদিবসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করে। এর আগের সপ্তাহে ডিএসই’র সাধারণ সূচক কমেছিল ৪৫৯ পয়েন্ট। গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমে যায়। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ১ হাজার ১৫১ কোটি ৫৫ লাখ ৪৭ হাজার টাকার লেনদেন হয়। যা আগের সপ্তাহ থেকে ৫৪ কোটি ১২ লাখ ৫৯ হাজার টাকার কম। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয় ১২০৫ কোটি ৬৮ লাখ ৬ হাজার টাকার। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে ১৬৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকার। আর ডিএসই’র এ লেনদেন ৩ বছর ১ মাস ১৬ কার্যদিবসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২৭৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ারের লেনদেন হয়। এর মধ্যে দর বাড়ে ৫টির, কমে ২৬১টির আর ৭টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়নি। গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সাধারণ সূচক কমে যায়। গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার দিনই সূচক কমে যায়। আর এক কার্যদিবসে সূচক বাড়ে। গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসের সিএসইতে সূচক কমে ১ হাজার ১৭৭ পয়েন্ট আর এক দিন সূচক বাড়ে মাত্র ২৯২ পয়েন্ট। সার্বিকভাবে গত সপ্তাহে সিএসইতে মোট ৮৫৫ পয়েন্ট সূচকের পতন হয়। গত সপ্তাহে সিএসইতে মোট লেনদেন হয় ১৮১ কোটি ৭০ লাখ টাকার।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


6 Responses to চরম হতাশায় বাজার মূলধন কমেছে ২২ হাজার কোটি টাকা

  1. rayhan khan

    February 5, 2012 at 4:47 pm

    t

  2. sikiş izle

    March 13, 2012 at 2:45 am

    Greetings thanks for great post i was browsing for this challenge last a couple of days. I’ll look for following valuable posts. Have entertaining admin.

  3. alışveriş rehberi

    March 14, 2012 at 3:56 am

    you are definitely quantity one admin your running a blog is wonderful i always verify your website i’m certain you will probably be the perfect

  4. escort ilanlari

    March 14, 2012 at 4:46 am

    you are actually variety 1 admin your blogging is amazing i always examine your blog site i am positive you will be the very best

  5. su arıtma cihazları

    March 14, 2012 at 11:02 am

    oh my god superb put up admin will check out your blog often

  6. smackdown oyunları

    March 14, 2012 at 2:30 pm

    Nice a person webpage proprietor success web site article great sharings with this blog site at all times have entertaining