Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ পারলো না বাংলাদেশ

টাউন্সভিল, ১৯ আগস্ট: সৌমিয়া সরকারের অসাধারণ অর্ধশত রানের ইনিংসটাও জুনিয়র টাইগারদের শেষ চারে পৌঁছে দিতে পারলো না। শেষ পর্যন্ত অল্পের জন্য সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করা থেকে বঙ্চিত হলো আনামুলরা। সেই সঙ্গে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখে নতুন উচ্চতায় ওঠার স্বপ্নটা অধরাই রয়ে গেল বাংলাদেশের যুবাদের কাছে।

 

অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৫ উইকেটে হেরে এবারেরমতো অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের মিশন আপাতত শেষ করলো বাংলাদেশ। তবে কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে হারলেও সান্তনা এই যে শেষ আটে শিরোপার অন্যতম দাবিদার অস্ট্রেলিয়ার কাছে অল্পের জন্য হেরে যাওয়া। হয়তোবা টাইগারদের ব্যাটিং লাইন-আপটা যদি আরেকটু ভালো হতো কিংবা দু’শো রান পার করতে পারতো তাহলে অজিরা নি:সন্দেহে কুপোকাত! আর শেষ চারে পৌঁছে যেত বাংলাদেশের তরুণ দলটি।

 

ইনডেয়ার্ভুর পার্ক, টাউন্সভিলে রোববার টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সূচনাটা কিন্তু দারুন করেছিলো বাংলাদেশী দুই ওপেনার লিটন-সৌমিয়া। এই দুই জুটির ব্যাট থেকে আসে ৬৪ রান। ১৩.৩ ওভারে ব্যক্তিগত ২২ রান করা লিটন দাস রান আউট হন। এরপর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক আনামুল হক। তবে জুনিয়র টাইগারদের শেষ চারে পৌঁছানোর লড়াইয়ে ব্যর্থ তিনি। ১৪ মনিটি ক্রিজে থেকে মাত্র ৯ রান করেই টার্নারের বলে আউট হন আনামুল।

 

এরপর টপ, মিডল কিংবা লোয়ার সারির সব ব্যাটসম্যানরাই আসা-যাওয়ার মিছিলে সামিন হন। একমাত্র ওপেনার সৌমিয়া সরকার এবং লিটন দাস ছাড়া আর কোন ব্যাটসম্যাসেনর ব্যাট থেকেই দুই অঙ্কের ঘরে স্কোর আসেনি।

 

বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিংয়ে ভরাডুবির দিন একমাত্র আলো ছড়িয়েছেন সৌমিয়া সরকার। একটানা ৮০ মিনিট ক্রিজে থেকে ছয় চার এবং তিনটি বাউন্ডারি হাকিয়ে ৭৩ রানের ইনিংস থেলেন তিনি। দলীয় ১২০ রানের মাথায় ২৭.২ ওভারে এসে হেডের বলে আউট হন তিনি।

 

শেষ পর্যন্ত ৪৩ ওভারে সব’কটি উইকেট হারিয়ে ১৭১ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।

 

বাংলাদেশী যুবাদের মেরুদন্ড ভাঙার কাজটি করেছেন মূলত টি এম হেড। হেড একাই ৭ ওভার বল করে ৩০ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নিয়েছেন।

 

এদিকে ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৫ বল বাকি থাকতেই জয় পায় অজিরা।

 

১০.৫ ওভারে ৪৩ রানের মাথায় চার উইকেট হারিয়ে কিছুটা ব্যাটিং চাপে পড়ে অজিরা। তবে অধিনায়ক বসিসটো ৭১ এবং টার্নারের হার না মানা ২৭ রানের সুবাদে ২৫ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা।

 

বাংলাদেশী বোলার তাসকিন আহমেদ এবং আবু জায়েদ উভয়েই দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।

 

এর আগে দুবার গ্রুপ পর্বের বাধা উতরাতে পারলেও শেষ আটে গিয়েই থেমে গেছে যুবাদের অভিযান। সেই সঙ্গে ২০০৬ অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের তিক্ত অভিজ্ঞতাটার পুনরাবৃত্তি ঘটলো। শেষ আটে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিলো ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যায় মুশফিকরা। আর ২০০৮ অনুর্ধ্ব বিশ্বকাপের কোয়াটার ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে মাত্র ৪১ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিলো বাংলাদেশ শিবির। মাত্র ৮ রান খরচ করে একাই ৬ উইকেট তুলে নেন ওয়েইন পারনেল।

 

আর এবার আশার আলো দেখিয়েও কোয়াটার ফাইনাল থেকেই ছিটকে পড়লো আনামুল-লিটন-সৌমিয়ারা।

 

ফলাফল: বাংলাদেশ ১৭১/১০, ওভার ৪৩

 

অস্ট্রেলিয়া ১৭২/৫, ওভার ৪৫.৫

 

ফলাফল: অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেটে জয়ী।

 

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট