Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

দুই লাখ টাকার শাড়ি পিংক সিটিতে

 পিংক সিটি শপিং মলের  ফার্স্ট ফ্লোর ‘গুলশান শাড়ি’ নামক দোকানে সর্বোচ্চ মূল্যের শাড়ি ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। ভারতীয়  কাঞ্চি  পূরণ  নামের এই শাড়ি বিভিন্ন ডিজাইন  ও কালারের পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া গুলশান শাড়িতে আরও রয়েছে তসর, গাদোয়া, মাদ্রাজি কাতান, দিল্লি লেহেঙ্গা,  শাড়ি লেহেঙ্গা, ঢাকাই জামদানি, খাদ্দি কাতান। এসব শাড়ির মূল্য ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার পর্যন্ত। গুলশান শাড়ির  পরিচালক মোহাম্মদ আলী আক্কাস জানান, অন্য শাখার তুলনায় এই শাখার শাড়িগুলোর দাম বেশি। এবার ঈদে ব্যবসা কেমন জমে উঠেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারা বছরই আমাদের ব্যবসা ভাল চলে। তবে ঈদে আরও জমজমাট হয়ে উঠেছে। রূপক কালেকশনে রয়েছে আন্নি কাতান, তসর কাতান, চেন্নাই কাতান, খাদ্দি কাতান। এসব শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ৪০ হাজার টাকায়। এছাড়া বিভিন্ন ডিজাইনের পার্টি শাড়ি ৬ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন শাড়ির ওপর পাড় লাগানো, স্টোনের কাজ করা, ভেলভেটের পাড় এই বছরের ঈদ আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ। ঈদ আয়োজনে পিংক সিটি শপিং মলে শাড়ির দোকানের তুলনায় ভিড় দেখা  গেছে থ্রি-পিসের দোকানগুলোতে। ক্রেতাদের চাহিদা ও নতুন ফ্যাশনকে  খেয়াল রেখে রাখা হয়েছে বিভিন্ন নতুন ডিজাইনের লং কামিজ। ‘মিনি মার্ট গুলশান’ এই দোকানে পাওয়া যাবে বিভিন্ন ডিজাইন ও কালারের পাকিস্তানি ও ভারতীয় ব্র্যান্ডের থ্রি-পিস। সেল্‌সম্যান আল আমিন শাওন জানান, বর্ষা ঋতুকে সামনে রেখে তারা সেই অনুযায়ী রঙ ব্যবহার করেছেন। এই ঋতুর জন্য তারা লাল, কালো, সাদা, নীল, এসব রঙ বেশি ব্যবহার করেছেন। এসব লং থ্রি-পিসের মূল্য ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা। তাদের নিজেদের ডিজাইন করা থ্রি-পিসের মূল্য ৭ হাজার টাকা। এছাড়া নরমাল থ্রি-পিস ২ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে। এই-দোকানের পাসেই রয়েছে মিনি মার্টের আরেকটি দোকান। যারা আরও জমকালো জামা কিনতে চান, তারা আসতে পারেন এই দোকানটিতে। এখানে রয়েছে আনারকলি, খুশি, দিল্লি সিক্স নামের ভিন্ন ডিজাইনের লং কামিজ। এনাস টু নামক দোকানটির মূল আকর্ষণ ‘খুশি’। ভারতীয় হিন্দি সিরিয়ালের নায়িকার পরিধান থ্রি-পিসের অবিকল খ্রি-পিস পাওয়া যাচ্ছে এই দোকানে। এই খুশি থ্রি-পিসটির মূল্য ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার টাকা। এছাড়া এই দোকানে রয়েছে লেহেঙ্গা, শাড়ি, লং কামিজ। রয়েছে ঘাগরা, যার মূল্য ৪৫ হাজার টাকা। পিংক সিটির নিচতলার হাতের বাম দিকে রয়েছে ‘মানবী’ এখানেও রয়েছে ভারতীয় ও পাকিস্তানি থ্রি-পিসের সমাহার। এই দোকানটায় জরজেট কাপড়ের ওপর বিভিন্ন ডিজাইনের লং ড্রেস  রয়েছে। এসব থ্রি-পিসের মূল্য ৪ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। নোবেনী কালেকশনে রয়েছে লাক্ষানী, আনারকলি, আসিন, নাদিয়া হোসেন, সারা সাফিনেস, নামের বিভিন্ন জামা। এগুলো থ্রি-পিস বা ওয়ান-পিসও কিনতে পাওয়া যাবে। মেয়েদের ফতুয়া পাওয়া যাচ্ছে ‘হেনা’ নামের দোকানটিতে। এসব ফতুয়া ৭৫০ থেকে ৩৫০০ টাকায় পাওয়া যাবে। শিশুদের জন্য রয়েছে কিড বিজ ও বেবিওয়ার্ল্ড নামের দোকানগুলোতে  ডোরিমন, এন্‌গরি বার্ড, প্রভৃতি নাম ও কার্টুনের ছবি দিয়ে আকর্ষণ করা হচ্ছে শিশুদের। পিংক সিটি শপিং মলের কেনাকাটায় নিম্ন ও মধ্যেবিত্তের নাগালের বাইরে হলেও, দামের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক উচ্চবৃত্তের ক্রেতাও। লিমা আক্তার পিংক সিটিতে কেনাকাটা করতে এসে বলেন, আমি উপহার দেয়ার জন্য কিছু শাড়ি কিনেছি ও বাচ্চাদের জন্য কিছু জামা কিনেছি। আমি প্রতিবারই এখানে কেনাকাটা করি, তবে এবার দামটা একটু বেশি।  মিতু ফেরদৌস বলেন, আমি পুরনো কালেকশনের ২ হাজার টাকা করে ৬টি জামা কিনেছি, তাই  দাম একটু কম পেয়েছি। অভিজাত এলাকার এই শপিং মলে দেখা গেছে উচ্চবিত্তের ভিড়। বেশির ভাগই উচ্চবিত্ত ও মধ্য-উচ্চ বিত্ত ক্রেতারা এখানে আসেন বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


One Response to দুই লাখ টাকার শাড়ি পিংক সিটিতে

  1. rashed.exe

    August 4, 2012 at 3:23 pm

    5000 takar basi damer sari kanar aga amadar uchit dasar manusar kotha chinta kora. Dhaka ar rastai bostro hin manusar sonkha dindin barta sa atar kono protekar nai r manus 2 lak takar sari bazara bikkere korsa ….r potreka gulo nerlozzar moto pata vorta sa …